কক্সবাজার হোটেলের কাছেই খালি মাঠে কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন – বর্ণমালা টেলিভিশন

কক্সবাজার হোটেলের কাছেই খালি মাঠে কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ July, ২০২৬ | ১১:২০ 89 ভিউ
কক্সবাজারের পর্যটন অঞ্চল ইনানী সৈকত সংলগ্ন মাঠে এক হোটেল মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিহত যুবকের নাম আবদুল আজিজ (২৭)। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাত ও জখমের স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়ায় এটি সাধারণ কোনো মৃত্যু নয়—বরং একটি ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে তীব্র দাবি তুলেছে নিহতের পরিবার। গতকাল ২৯শে জুলাই, বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ইনানী সৈকতের পূর্ব পাশে অবস্থিত বিলাসবহুল পাঁচতারকা হোটেল ‘বে-ওয়াচ’-এর স্টাফ কোয়ার্টারের উত্তর-পূর্ব কোণের খালি জায়গা থেকে উখিয়া থানা পুলিশ আজিজের লাশ উদ্ধার করে। নিহত আজিজ উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা রশিদ আহমদের ছেলে। তিনি বিগত প্রায় এক বছর ধরে ওই হোটেলে গরুর খামারের পরিচর্যার দায়িত্বে ছিলেন এবং হোটেলেরই স্টাফ কোয়ার্টারে বসবাস করতেন। আজ ৩০শে জুলাই, বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ নিহতের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার বর্ণনায় নিহতের স্ত্রী সায়কা ইয়াছমিন অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে জানান, গত মঙ্গলবার দুপুরে আজিজ বাড়ি থেকে হোটেলের উদ্দেশ্যে বের হন। বুধবার বেলা ১১টার দিকে তার সঙ্গে শেষবারের মতো মুঠোফোনে কথা হয়েছিল। এরপর রাত একটার দিকে মর্মান্তিক খবরটি পান তিনি। তিনি আরো বলেন, “আমার স্বামীকে মারধর অথবা শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর খালি মাঠে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে। আমাদের সংসারে ছোট ছোট তিনটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। ওদের নিয়ে এখন আমি কোথায় দাঁড়াব?” পরিবারের পক্ষ থেকে অবিলম্বে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। হোটেল বে-ওয়াচের উপমহাব্যবস্থাপক এনায়েত উল্লাহ ঘটনার বিষয়ে জানান, আজিজ স্থানীয় লোক ছিলেন এবং তাদের খামার দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন। তবে তাঁর এই আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃত্যু কীভাবে হলো, সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই বলে দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, “স্টাফ কোয়ার্টারের পাশের খালি জায়গা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত চলছে, তবে ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর মূল কারণ পরিষ্কার হওয়া যাবে।”

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রকল্পে ৯০ হাজার উদ্যোক্তাকে সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ