নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গাজায় যুদ্ধবিরতি: হামাসের সঙ্গে ট্রাম্পের জামাতার বৈঠক
জিম্বাবুয়েতে নৌকাডুবি: নিহত বেড়ে ৬৮
মার্কিন পদক্ষেপে ইরানে সরকারের পাশে থাকবে বিরোধীরাও
জার্মানিতে নিয়ন্ত্রণে দাবানল, ইউরোপের যেসব দেশে এখনো জ্বলছে আগুন
৩ মিনিটে ৯০০ কর্মী ছাঁটাইকারী সেই সিইও নিজেই এবার চাকরিচ্যুত
দিল্লি বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বোমা হামলার হুমকি
দিল্লিতে প্রথমবার প্রকাশ্যে ‘ভিক্টরি ডে’ আয়োজন করছে তালেবান
পঁচিশে সমুদ্রপথে ৯০০ রোহিঙ্গার প্রাণহানি
আন্দামান ও বঙ্গোপসাগরে গত বছর (২০২৫) প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীর প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর।
সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য তুলে ধরেছে।
ইউএনএইচসিআর বলছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে চলাচলে ২০২৫ সাল ছিল রোহিঙ্গাদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর। সে বছর সাড়ে ৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের প্রতি সাতজনে একজন মারা গেছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন।শরণার্থী ও অভিবাসীদের যেকোনো প্রধান সমুদ্রপথের মধ্যে ‘বিশ্বে সর্বোচ্চ মৃত্যুহার’ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওই পথে যাত্রা করা মানুষের অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন নারী ও শিশু। সেই ধারা ২০২৬ সালেও অব্যাহত রয়েছে। এ বছরের জানুয়ারি থেকে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে ২ হাজার ৮শ’র বেশি রোহিঙ্গা বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা করেন।
আন্দামান সাগরে গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাওয়া অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা তুলে ধরেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থাটি।তাদের দাবি, ওই ঘটনায় আনুমানিক ২৫০ জন নিখোঁজ হন। ৯ এপ্রিল আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে নয়জন বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ইউএনএইচসিআর তাদের কাউন্সেলিং এবং চিকিৎসা ও মনোসামাজিক সহায়তার ব্যবস্থা করছে।
ইউএনএইচসিআর বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে- মানবপাচার, শোষণ ও সমুদ্রে মৃত্যুর মতো চরম ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী এই যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন। প্রায়শই অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও নিরাপত্তাহীন নৌকাগুলো সাধারণত বাংলাদেশের কক্সবাজার বা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অধিকাংশ রোহিঙ্গা শরণার্থী স্বেচ্ছায়, মর্যাদার সঙ্গে ও নিরাপদে ফেরার পরিবেশ তৈরি হলে মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান। তবে চলমান সংঘাত, নিপীড়ন এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকায় তাদের সামনে আশার আলো প্রায় নেই বললেই চলে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।