গাজায় যুদ্ধবিরতি: হামাসের সঙ্গে ট্রাম্পের জামাতার বৈঠক – বর্ণমালা টেলিভিশন

গাজায় যুদ্ধবিরতি: হামাসের সঙ্গে ট্রাম্পের জামাতার বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ August, ২০২৬ | ৫:৩৬ 83 ভিউ
গাজা উপত্যকায় শান্তি ফেরাতে ও যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার। রোববার (১৬ আগস্ট) মিসরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি এক বিরল বৈঠক করেছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসবেন। এই তৎপরতার মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফার রোডম্যাপ রক্ষা করা। এই পরিকল্পনায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের ধাপে ধাপে প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু গত সপ্তাহে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেন নেতানিয়াহু। তার দাবি, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল গাজার কোনো এলাকা ছাড়বে না। বর্তমানে গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইসরায়েলের এমন অনমনীয় অবস্থানের নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান ও পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশ। তারা যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, শান্তি প্রচেষ্টায় বাধার মূল দায় এখন ইসরায়েলের। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও শান্তি বোর্ডের প্রতি অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে কেউ এই প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে না পারে। মিসরে হামাস নেতা খলিল আল-হাইয়ার সঙ্গে কুশনারের বৈঠকে কাতার ও তুরস্কের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। হামাস জানিয়েছে, তারা আলোচনায় প্রস্তুত থাকলেও ভারী অস্ত্র ছাড়ার বিষয়টি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাছাড়া পরিকল্পনা শুরুর আগে ইসরায়েলি আক্রমণ পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানিয়েছে তারা। সোমবারের বৈঠকে কুশনারের সঙ্গে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রধান নিকোলে ম্লাদেনভও অংশ নেবেন। গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ এখন এই শান্তি আলোচনার ওপর নির্ভর করছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন বন্ধ ও প্রত্যাহারের আহ্বান চীনের এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে ককটেল বিস্ফোরণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল আর্জেন্টিনা নেতানিয়াহুকে বিশ্বাস করেন? জবাবে ট্রাম্পের কৌশলী উত্তর যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলা, ৩ শিশুসহ নিহত ৫ পাকিস্তানের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন বিজেপি নেতা ‘বড় হয়ে ইহুদিদের গুলি করতে চাই’—ইয়াহিয়া সিনওয়ারের ১০ বছরের ছেলের চিঠি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ থেকে টানা ১০ দিনের ছুটি শুরু ছুটির দিনে যেসব এলাকায় টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দুর্গোৎসব শুরু, আজ মহাষষ্ঠী ধর্ম অবমাননার কথিত অভিযোগে হত্যার নেতৃত্বে ছিল জামায়াতের নেতাকর্মীরা, বাড়ি-হাসপাতালে দু’দফা মব হামলা বছরে ইসরায়েল থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার পণ্য আসছে বাংলাদেশে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ: ৪০ দিন বাকি, সাধারণ পরিষদের রায়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ “তোমরা একা নও, এই দেশ তোমাদেরও”: দুর্গাপূজায় সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে শেখ হাসিনার বার্তা; সম্প্রীতির ডাক পাকিস্তানে ট্রেনে নারী পর্যটকের মোজা-অন্তর্বাস শুঁকছে পুলিশ: “স্বাভাবিক কিনা?”, উঠেছে প্রশ্ন দিল্লি’তে হল্লাঃ আন্দোলনে অংশ নেয়ায় ইমরান খান-কে ভারত ছাড়ার নোটিশ; আজ প্রতীকী অনশন কর্মসূচি আম আদমি পার্টি’র সারকাণ্ডে কৃষকের পেটে লাথিঃ অবৈধ বিএনপি সিন্ডিকেটের নগ্ন স্বেচ্ছাচারের প্রমাণপত্র সারাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের অবাধ চলাফেরায় আপত্তি না থাকলেও ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের চলাফেরায় উষ্মা বিপ্লবী পরিষদের নিম্ন প্রবৃদ্ধি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির ফাঁদে বাংলাদেশ, সামনে দীর্ঘ সংকট অপেক্ষমান জ্বালানির ভর্তুকি কমানো—মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চাপ দিচ্ছে আইএমএফ