ড. মামুনুর রশীদ অর্থনীতিবিদ, শিক্ষক
আরও খবর
‘ভারতের সাথে দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি’ বয়ান সৃষ্টি করা মানুষগুলো কেন ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ নিয়ে নীরব?
ফুলবাড়ি কোল বেসিনে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন হবে সরকারের আরেকটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত
সক্ষমতা, সাহস, সম্মান এবং শৈলী
জিও-পলিটিক্যাল জটিল সমীকরণ এর কেন্দ্রবিন্দুতে বাংলাদেশের রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ
গুম কমিশনের নাবিলা ইদ্রিসের গুপ্তচর জীবনের আখ্যান: আর্টিকেল-১৯ এর প্রতিবেদন
দল ক্ষমতা হারালে সবার আগে পিছটান দেন তারকা রাজনীতিবিদ’রা, দু’দিনের রাজনীতিবিদ সাকিব কেন ব্যাতিক্রম?
রাষ্ট্রীয় স্থায়িত্ব ও রাষ্ট্রের প্রতি সেনাবাহিনীর আনুগত্য: ভারতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা
শেখ হাসিনার সরকারের পতন পরবর্তী দুই বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির হালচাল
আসুন কিছু ছবি এবং ডাটা সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া তথ্য মোতাবেক দুটি খাতে শেখ হাসিনার সরকারের পর (২০২৩-২৪ এর তুলনায়) বাংলাদেশ উপরে উঠেছে, ১) বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি (৩৮ বিলিয়ন ডলার) এবং ২) রেমিট্যান্স (~৩৬ বিলিয়ন ডলার)
উপরের দুই সূচক নিয়ে অনেকবার বিস্তারিত বলেছি। আবার একটু সংক্ষেপে বলি। বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি বেড়েছে মূলত তিনটি কারণে: ১) বৈদেশিক ঋণ, ২) আমদানি কমে যাওয়া, ৩) রেমিট্যান্স বেড়ে যাওয়া। রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে কোনো সরকারের সাফল্য থাকেনা, থাকে রেমিট্যান্স পাঠানো মানুষগুলোর। তবে যদি নীতিগত কোনো সাফল্য থাকে, সেটা অবশ্যই শেখ হাসিনা সরকারের প্রাপ্য। ইউনূস এবং আসিফ নজরুল মিলে এই খাতটি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে।
অন্য খাতগুলোর অবস্থা কী? আমদানি এবং রপ্তানি দুটোই কমেছে। যার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার দরকার হচ্ছে না, সঞ্চিতি বেড়ে যাচ্ছে। ইউনূসের পর বিএনপিও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে দেশ চালাচ্ছে। রাজস্ব আদায়ের রাস্তা ইউনূস নিজেই ধ্বংস করে গেছে। এলসি ওপেন এবং সেটেলমেন্টের পরিমাণ যা হওয়ার তার চেয়ে অনেক কম। খেলাপি ঋণ প্রায় ৩২% তাও আবার ৩% অ্যাডজাস্টমেন্টের পর।
উৎপাদন কমেছে প্রায় অর্ধেকে – একসময়ের ৬-৬.৫% প্রবৃদ্ধি এখন নেমে এসেছে ৩-৩.৫% এ। ২০২৫-২৬ এ প্রবৃদ্ধির হার হয়তো ৩% এর নিচে নামতে পারে। এখন শেখ হাসিনা নেই। তাহলে কে আপনাদের উৎপাদনে বাধা দিচ্ছে?
ঋণের সুদের হার প্রায় ৫% বেশি। বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ ২১ বছরে এখন সর্বনিম্ন। মূল্যস্ফীতি এখনও কমেনি – ১০% এর কাছাকাছি। টি-বিলের হার ১২%। এমনকি ৯০-দিন মেয়াদের টি-বিলের হারও প্রায় ১২% এর কাছাকাছি। এই হারে সরকার কিছু ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে। যে কারণে ব্র্যাক, সিটি, প্রাইমসহ ৬-৭টি ব্যাংক উপরে উঠে গেছে শুধু সরকারকে ঋণ দিয়ে। আর বাকি ব্যাংকগুলো সব ধসে যাচ্ছে।
রিজার্ভ মানির সোর্স দেখুন ২০২৪-২৫ এ কতটা পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষ করে বেসরকারি খাতে। তাহলেই বুঝবেন কীভাবে দুই বছরে এত কোটিপতি বেড়েছে। অতিরিক্ত ঋণ এবং বিদেশ নির্ভরতা নির্দেশ করছে যে, দেশের ন্যূনতম সক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেছে। সরকার অনেক আগেই দেউলিয়া হয়েছে।
অল দ্য বেস্ট।
উপরের দুই সূচক নিয়ে অনেকবার বিস্তারিত বলেছি। আবার একটু সংক্ষেপে বলি। বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি বেড়েছে মূলত তিনটি কারণে: ১) বৈদেশিক ঋণ, ২) আমদানি কমে যাওয়া, ৩) রেমিট্যান্স বেড়ে যাওয়া। রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে কোনো সরকারের সাফল্য থাকেনা, থাকে রেমিট্যান্স পাঠানো মানুষগুলোর। তবে যদি নীতিগত কোনো সাফল্য থাকে, সেটা অবশ্যই শেখ হাসিনা সরকারের প্রাপ্য। ইউনূস এবং আসিফ নজরুল মিলে এই খাতটি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে।
অন্য খাতগুলোর অবস্থা কী? আমদানি এবং রপ্তানি দুটোই কমেছে। যার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার দরকার হচ্ছে না, সঞ্চিতি বেড়ে যাচ্ছে। ইউনূসের পর বিএনপিও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে দেশ চালাচ্ছে। রাজস্ব আদায়ের রাস্তা ইউনূস নিজেই ধ্বংস করে গেছে। এলসি ওপেন এবং সেটেলমেন্টের পরিমাণ যা হওয়ার তার চেয়ে অনেক কম। খেলাপি ঋণ প্রায় ৩২% তাও আবার ৩% অ্যাডজাস্টমেন্টের পর।
উৎপাদন কমেছে প্রায় অর্ধেকে – একসময়ের ৬-৬.৫% প্রবৃদ্ধি এখন নেমে এসেছে ৩-৩.৫% এ। ২০২৫-২৬ এ প্রবৃদ্ধির হার হয়তো ৩% এর নিচে নামতে পারে। এখন শেখ হাসিনা নেই। তাহলে কে আপনাদের উৎপাদনে বাধা দিচ্ছে?
ঋণের সুদের হার প্রায় ৫% বেশি। বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ ২১ বছরে এখন সর্বনিম্ন। মূল্যস্ফীতি এখনও কমেনি – ১০% এর কাছাকাছি। টি-বিলের হার ১২%। এমনকি ৯০-দিন মেয়াদের টি-বিলের হারও প্রায় ১২% এর কাছাকাছি। এই হারে সরকার কিছু ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে। যে কারণে ব্র্যাক, সিটি, প্রাইমসহ ৬-৭টি ব্যাংক উপরে উঠে গেছে শুধু সরকারকে ঋণ দিয়ে। আর বাকি ব্যাংকগুলো সব ধসে যাচ্ছে।
রিজার্ভ মানির সোর্স দেখুন ২০২৪-২৫ এ কতটা পরিবর্তন হয়েছে। বিশেষ করে বেসরকারি খাতে। তাহলেই বুঝবেন কীভাবে দুই বছরে এত কোটিপতি বেড়েছে। অতিরিক্ত ঋণ এবং বিদেশ নির্ভরতা নির্দেশ করছে যে, দেশের ন্যূনতম সক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেছে। সরকার অনেক আগেই দেউলিয়া হয়েছে।
অল দ্য বেস্ট।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।