ইবি শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ, ভিসি বাসভবন ঘেরাও – বর্ণমালা টেলিভিশন

ইবি শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ, ভিসি বাসভবন ঘেরাও

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫ | ৯:৩৭ 156 ভিউ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের হেনস্তা, সমকামিতা প্রমোট ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে এক বছরের জন্য বাধ্যতামূলক ছুটি ও একটি পদোন্নতি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে বিভাগের শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার সাড়ে ১১টায় স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করে। পরে উপাচার্যের বাসভবনে অবস্থান করে তারা। প্রায় সাড়ে তিনঘণ্টা অবস্থানের পর প্রশাসনের আশ্বাসে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, 'আগামী সিন্ডিকেটে যদি অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি বর্ধিত করা না হয় এবং রায় ছাত্রদের পক্ষে না থাকে, তাহলে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আমরা দেখবো। আমরা যেসব অভিযোগ দিয়েছি তা সত্য এবং চারশত শিক্ষার্থী মিথ্যাবাদী নয়। তাই সামনে ছাত্রদের পক্ষে রায় না থাকলে, আমরা হার্ডলাইনে যাবো।' এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান শিক্ষার্থীদের জানান, ' উপাচার্য মহোদয়ের সাথে আমার কথা হয়েছে। তোমাদের প্রশাসনের কাছে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তিবর্ধিত করতে আবেদন দিতে বলা হয়েছে। যেহেতু সামনে সিন্ডিকেটে বিষয়টি নিশ্চিতকরণ হবে। তোমরা আবেদন দিলে বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা ও পূণর্বিবেচনা করা হবে।' এর আগে গেল বছরের ৭ অক্টোবর বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ওই শিক্ষকের অপসারণ চেয়ে বিক্ষোভ করে বিভাগের শিক্ষার্থীরা। পরে তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা লিখিতভাবে ভিসির কাছে অন্তত ২৭টিরও বেশি অভিযোগ তুলে ধরেন এবং মৌখিকভাবে ঘটনার বর্ণনা দেন। অভিযোগ তদন্তে ৮ অক্টোবর পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করে কর্তৃপক্ষ। পরে ওই শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিতে কয়েক দফায় আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা। পরে গত ২২শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬৬ তম সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেশ করা হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী ইবির কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বিধি মোতাবেক তাঁকে বাৎসরিক একটি ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয়। পাশাপাশি তাঁকে ২২শে ডিসেম্বর থেকে এক বছরের বাধ্যতামূলক ছুটি প্রদান করা হয়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিশ্বকাপে মাইলফলকের সামনে মেসি গ্রুপ পর্বে নেইমারের মাঠে ফেরার সম্ভাবনা খুব কম: ব্রাজিলের গণমাধ্যম লেবাননে প্রচুর মানুষ মারা যাচ্ছে, ইসরাইলের সমালোচনা ট্রাম্পের ইরান চুক্তি নিয়ে ইসরাইলে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা হত্যা মামলায় ড. আবুল বারকাতের জামিন প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ভারতে টেলিগ্রাম সাময়িক বন্ধ নতুন গিলাফে সজ্জিত হলো পবিত্র কাবা শরিফ লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর সভাস্থল ঘিরে আ.লীগের বিক্ষোভ, ডিম নিক্ষেপ যুবলীগ নেতার হাত-পা ভেঙে দিল দুর্বৃত্তরা ‎আমগাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা দিলেন প্রধান শিক্ষক উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় কলেজছাত্রের ওপর হামলা রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় মাদারগঞ্জের ২ যুবক নিহত বিআরটিএর ওয়েবসাইট ক্লোন: এআই ক্যামেরার ভুয়া মামলায় গচ্চা লাখ লাখ টাকা, বিদেশি চক্রের ফাঁদ এইচএসসিতেও থাকছে সিসিটিভির নজরদারি: সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন নির্দেশনা জারি বৃথা গেল শরিফুলের ৬ উইকেট, কনোলির প্রথম সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার রোমাঞ্চকর জয় ইন্টারপোলের রেড নোটিশে নেই বেনজীর আহমেদের নাম, গ্রেপ্তার নিয়ে প্রশ্ন খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ দিতে চাওয়া সেই সোহাগ পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেপ্তার টেকনাফে মাটির নিচে ‘বারুদের স্তূপ’: টেকনাফে মাটির তলদেশ থেকে ১০টি তাজা গ্রেনেড ও বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার খুলনায় মসজিদে সশস্ত্র হামলা: চাঁদাবাজি নাকি ব্যবসায়িক শত্রুতা? তদন্তে পুলিশ মৌলবাদীদের পথেই হাটলেন মন্ত্রী পরিষদঃ প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রীপরিষদের অসন্মতি