নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আরব আমিরাতে ৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, এখনও সমাধানের পথ খুঁজছে সরকার
প্রকাশ্যে মার্কিন প্রশাসনের অন্তর্দ্বন্দ্ব
বিমানবন্দরে ৪৭৫ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ আটক ২
ইরানে ফের মার্কিন বাহিনীর হামলা শুরু, জানালেন ট্রাম্প
হাঙ্গেরিতে চুরি করা বিমান নিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার চেষ্টা, রুখে দিল যুদ্ধবিমান
ভেনেজুয়েলার তেল-সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিলেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট, ট্রাম্পের সন্তোষ প্রকাশ
নেপালে আকস্মিক বন্যা, যা বললেন বিশ্বনেতারা
ট্রাম্প-জেলেনস্কির বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন জার্মানি ও ইইউ নেতারাও
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে সোমবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ইউরোপের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। এদের মধ্যে রয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্স এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লেয়েন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লেয়েন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির বিশেষ অনুরোধেই তারা এ বৈঠকে যাচ্ছেন।
ইউক্রেনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত রাখা এখন সবচেয়ে জরুরি। আর এ মুহূর্তে মার্কিন রাজনীতিতে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে নানা বিতর্ক চলছে। তাই জেলেনস্কি চান, ইউরোপীয় নেতাদের উপস্থিতি ওয়াশিংটনে একটি স্পষ্ট বার্তা দেবে। আর তা হলো, ইউক্রেনকে সাহায্যের প্রশ্নে ইউরোপীয় পশ্চিমা দেশগুলো একতাবদ্ধ।
বার্লিনে জার্মান সরকারের মুখপাত্র স্টেফান করনেলিয়াস রোববার (১৭ আগস্ট) বলেছেন, জার্মান চ্যান্সেলর মার্স আলোচনায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জার্মানির প্রচেষ্টা তুলে ধরবেন। পাশাপাশি ইউরোপীয় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, সীমান্তসংক্রান্ত প্রশ্ন, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখা এবং ইউক্রেনকে সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আলোচনা হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট ফন ডেয়ার লেয়েন অপর বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির অনুরোধে আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে ইউরোপের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে নিয়ে হোয়াইট হাউসে বৈঠকে অংশ নেব। তবে কারা কারা থাকবেন তা তিনি জানাননি। এছাড়া রোববার দিনভর ব্রাসেলসে জেলেনস্কিকে নিয়ে বৈঠক করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে ইউক্রেন ইস্যু ক্রমেই গূরুত্ব হারাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইউক্রেনে সাহায্যের পরিমাণ সীমিত করার ইঙ্গিত দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় নেতাদের উপস্থিতি শুধু কূটনৈতিক সংহতির প্রতীকই নয়, বরং ইউক্রেনের পক্ষে চাপ তৈরির কৌশলও বটে।
এছাড়া জেলেনস্কি একা গেলে হয়তো এ বৈঠকটি ইউক্রেনের জন্য কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ত। কিন্তু ইউরোপীয় নেতারা পাশে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রও বুঝতে পারবে, ইউক্রেনের স্বাধীনতা রক্ষার প্রশ্নে পশ্চিমারা কোনো ছাড় দেবে না। এমনটাও মনে করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকরা।
সূত্র: রয়টার্স

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]