ফলাফলে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কর্মকর্তারা – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৫:২১ পূর্বাহ্ণ
7 ভিউ

ফলাফলে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কর্মকর্তারা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৫:২১ 7 ভিউ
আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে হতে যাচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচন। যেটি ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে। এমন একটি নির্বাচনের দুই মাস আগে থেকে সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলার মহড়া দিচ্ছেন অঙ্গরাজ্যগুলোর কর্মকর্তারা। দেশটিতে এ ধরনের তৎপরতা এক সময় অকল্পনীয় ছিল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল সরকারের ক্ষমতা ব্যবহার করে যদি ফলাফল নিজ দলের পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে কী করতে হবে? ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মকর্তারা এমন পরিস্থিতির সম্ভাব্য পরিণতির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ভোটকেন্দ্রে ফেডারেল এজেন্ট পাঠিয়ে ভোটারদের ভয় দেখানো ও ভোটার উপস্থিতি কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। ফেডারেল সরকার ভোটিং মেশিনে প্রবেশাধিকার চাইলে তা মোকাবিলায় কী করতে হবে- সে সম্পর্কে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের পরামর্শ দিচ্ছেন মিশিগান অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা। অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোতেও নির্বাচনী কর্মকর্তারা ব্যালট জব্দ থেকে শুরু করে জালিয়াতি তদন্তে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রিপাবলিকানের পাশাপাশি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অন্তত ৫০ জন নির্বাচনী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছে রয়টার্স। তাদের মধ্যে স্টেট সেক্রেটারিও ছিলেন। তারা নিজ নিজ অঙ্গরাজ্যের শীর্ষ নির্বাচনী কর্মকর্তা। প্রায় সবাই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, অপতথ্য, সাইবার হামলা এমনকি সহিংসতার হুমকি মোকাবিলায় নতুন কৌশল গ্রহণের কথা জানিয়েছেন। এসব প্রস্তুতি ছোট-বড় বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটিক উভয় দলের নিয়ন্ত্রিত এলাকা আছে। এগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, নভেম্বরের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় হুমকি বিদেশি হস্তক্ষেপ বা প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং খোদ ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে থেকে আসতে পারে বলে কর্মকর্তাদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে অঙ্গরাজ্যগুলোই নির্বাচনী কার্যক্রম তত্ত্ববধান করে আসছে। তবে বর্তমান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফেডারেল বা কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। হোয়াইট হাউস ফেডারেল সরকারের হস্তক্ষেপের উদ্বেগ নাকচ করে দিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে, মার্কিন নাগরিক নয় এমন ব্যক্তিরাও ভোট দেয়। এর জন্য ডেমোক্র্যাটরা দায়ী। তবে এমন অভিযোগের পক্ষে খুব বেশি প্রমাণ পাওয়া যায়নি। গত জুলাইয়ে এ নিয়ে রয়টার্স একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। একই বিষয়ে স্বাধীন গবেষণাও আছে। সেগুলোতে দেখা গেছে, অ-নাগরিকদের ভোট দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। নির্বাচনের ফলাফলেও প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র লরেন বিস বলেন, ‘কট্টর ডেমোক্র্যাটপন্থিরাই নির্বাচনের ওপর আমাদের অবিশ্বাসের কারণ।’ তিনি আরও বলেন, কয়েক দশক ধরে গণমাধ্যম ও ডেমোক্র্যাটরা বিষয়টি অস্বীকার করলেও ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে অভিযোগ তোলার যথেষ্ট কারণ আছে। নির্বাচনের আগে ট্রাম্প প্রকাশ্যে রিপাবলিকানদের জয়ের সহায়ক কিছু উপায় তুলে ধরেছেন। তিনি অন্তত ১৫টি এলাকার ভোট ব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করতে রিপাবলিকানদের আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব প্রেসিডেন্টের নয়, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় সরকারের। তবুও ট্রাম্প জাতীয়করণের ওই আহ্বান জানান। খারিজ হয়ে যাওয়া ভোট জালিয়াতির কিছু অভিযোগ তদন্ত করতেও ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর প্রশাসন ইতোমধ্যে উইসকনসিন, জর্জিয়া ও অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনী কর্মকর্তা ও দপ্তরগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। কংগ্রেসের নির্বাচনী আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণের জন্যও ট্রাম্প চাপ দিয়েছেন। এতে প্রতিনিধি পরিষদের আসনগুলোতে রিপাবলিকানরা সুবিধা পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া, যেসব অঙ্গরাজ্য ফেডারেল সংস্থাগুলোকে ভোটারদের জন্ম তারিখ, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বরের তথ্য দিতে রাজি হয়নি সেগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষে গত সপ্তাহে ডালাসে একটি সম্মেলন করে রিপাবলিকান পার্টি। সেখানে সমর্থকদের উদ্দেশে ট্রাম্প ‘যতটা সম্ভব প্রতারণা করতে’ এবং ‘নিবন্ধিত হোক বা না হোক’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। দেশজুড়ে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়েছেন অ্যারিজোনার মারিকোপা কাউন্টির রিপাবলিকান আইনজীবী ও সাবেক কর্মকর্তা বিল গেটস। তিনি বলেন, ফেডারেল সরকার কী ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছে, তা নিয়ে নির্বাচনী কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন। একসময় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা দেখা যেত, এখন আর তা নেই। বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রশাসন সংবেদনশীল তথ্য বা নির্বাচনী সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার চাইতে পারে। সে পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে তারা বাইরের আইনজীবী নিয়োগ করছেন অথবা নিজ কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। অপতথ্য মোকাবিলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার বাড়ানো হয়েছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়লেন জ্যোতি সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুতিদের, জবাবে ব্যাপক বিমান হামলা কেরানীগঞ্জে সেলুনে ঢুকে যুবককে এলোপাতাড়ি গুলি, কুপিয়ে হত্যা পদ্মা-যমুনার পানি বাড়ছে, তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, সতর্ক করল চীন-রাশিয়া কারাগারে জন্মের পর মায়ের সঙ্গে কাটল ৭ বছর, অবশেষে মুক্ত মোবাশ্বেরা ডাকসুর প্রবেশপথ ও সংগ্রহশালার মেঝেতে জিন্নাহ-গোলাম আযমের ছবি ফলাফলে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কর্মকর্তারা ‘কখনও ভাবিনি, জীবনে আবার এমন একটা সময় আসবে’ ‘ফোন ধরিস না কেন?’—ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলের টিকিট কাউন্টারে যুবদল নেতার হামলা, ভোগান্তিতে যাত্রীরা নিরাপত্তাজনিত কারণে আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, জীবিকা হারিয়ে শঙ্কায় প্রবাসীরা ৭ মাসে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ || নিখোঁজ শিশুর অঙ্গ পাচার, ৭ মাস পর মাহফিলে ভিক্ষা করতে এসে বাবার সঙ্গে দেখা তিন মাসে ব্যাংকে কোটির বেশি টাকার হিসাব বেড়েছে ৫ হাজার ডাকসুর দেয়ালে বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন: ছাত্র মৈত্রীর ক্ষোভ ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে এলো আরও ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল ‘মা মাটি মোহনা বিদেশিদের দেব না’ স্লোগানে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের কাছে ইজারা বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ রায় বহাল, ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে মব হামলায় ক্যাম্পাসছাড়া, পাননি প্রশাসনের সহায়তা: ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসীনের ডাকসুতে ছেঁড়া হলো জিন্নাহর ছবি, টাঙানো হলো রাজাকার গোলাম আযমকে জুতাপেটার ছবি