নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মেট্রোরেলে নাশকতার ২ বছর: সমন্বয়ক হাসিবের স্বীকারোক্তির পরও কেন দুই সরকারের আমলে হয়নি বিচার?
গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি: ভোগান্তিতে আবাসিক গ্রাহক, শিল্প ও পরিবহন খাত
জাতিসংঘের ‘নিহত’দের তালিকায় নাম, ভিডিও বার্তায় জীবিত হাজির পাবনার রাফি
বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি সরকার: ভারতের পদাঙ্ক অনুসরণে উত্তরণের চিন্তা
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন: সফর সংক্ষিপ্ত করে তড়িঘড়ি দেশে ফিরছেন স্পিকার
আওয়ামী লীগের ‘১.৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি’র লক্ষ্যমাত্রা বিএনপি আমলে নামল ১ ট্রিলিয়নে, সময়ও বাড়ল ১০ বছর
তরুণদের মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে টানতে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক!
হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে ভারত কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারেনি
সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে শক্তিশালী যে বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল, সে সম্পর্কে ভারত অবগত ছিল তবে এ বিষয়ে ভারত কোনো হস্তক্ষেপ করতে পারেনি বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। শনিবার (২২ মার্চ) দেশটির পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদের পরামর্শক কমিটির কাছে জয়শঙ্কর এ তথ্য জানান বলে জানিয়েছেন। খবর দ্য হিন্দুর।
তিনি কমিটির কাছে দাবি করেন, স্বৈরাচার হাসিনাকে প্রভাবিত করার মতো ‘প্রয়োজনীয় প্রভাব’ তাদের ছিল না। তারা হাসিনাকে শুধুমাত্র ‘পরামর্শ’ দিতে পারতেন।
এছাড়া তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের একটি সাক্ষাৎকারের বিষয়টি তুলে ধরেন।
বিবিসি ওয়ার্ল্ডের ‘হার্ড টক’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তুর্ক জানান, বাংলাদেশের নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে না যেতে সেনাবাহিনীকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন তারা। তিনি দাবি করেন, ওই সময় সতর্কতা দেওয়া হয়, নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে গেলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করা হবে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) পরবর্তীতে অবশ্য জানায়, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক সেনাবাহিনীকে এ ব্যাপারে সরাসরি কিছু বলেননি। এর বদলে তৎকালীন (হাসিনা) সরকারকে তিনি এ কথা জানিয়ে থাকতে পারেন।
দ্য হিন্দু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র বিষয়ক পরামর্শক কমিটি জয়শঙ্করের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে ‘খোলামেলা’ আলোচনা করতে বৈঠকে বসেছিলেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা ও পাকিস্তান এতে প্রাধান্য পায়।
এছাড়া তারা মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ ও এ নিয়ে ভারতের প্রস্তুতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার জোট সার্কের ‘পুনর্জাগরণ’ নিয়ে আলোচনা করেন। এতে তিনি এই জোটটির কার্যক্রম আবারও শুরু করার ইঙ্গিত দেন। ২০১৬ সাল থেকে সার্ক অকার্যকর হয়ে আছে।
বৈঠকে পররাষ্ট্র বিষয়ক এই কমিটির সদস্যরা ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোয় চীনের ‘প্রভাব বিস্তার’ নিয়েও আলোচনা করেন। তারা জয়শঙ্করের কাছে জানতে চান সামনের দশকে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা ও নেপালে চীনের প্রভাব ঠেকাতে ভারত কী করার পরিকল্পনা করছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।