নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ একান্তই ভারতীয় আদালতের বিষয়, ভারত সরকারের কিছু করার নেই’, অবস্থান স্পষ্ট দিল্লির
বাদামতলী ঘাট: আওয়ামী লীগ আমলে ছিল সরকারি ফি ১০০ টাকা, এখন বিএনপি নেতাদের চাঁদা ২-৫ হাজার, নিচ্ছে পুলিশও
নিয়মিত কর্মকর্তাদের ওপর আস্থাহীনতা, আমলাতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের ওপর ভরসা সরকারের
জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলার উন্নতিতে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকার সড়কে নামছে ‘পিংক’ বাস, চালক-কন্ডাক্টর নারী
কাঠমান্ডুতে বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি: বিকল্প ফ্লাইটে ফিরছেন ১২৭ যাত্রী
দেয়ালের ভেতর ১১৭ কোটি টাকার স্বর্ণ
আওয়ামী লীগের ‘১.৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি’র লক্ষ্যমাত্রা বিএনপি আমলে নামল ১ ট্রিলিয়নে, সময়ও বাড়ল ১০ বছর
এক সময় যেখানে ২০২৪ সালের মধ্যেই দেড় ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক স্পর্শের আশাবাদ ব্যক্ত করেছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার, সেখানে এখন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৩৪ সালে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার।
২০২৩ সালের ১৪ই মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘আগামী বছর (২০২৪) আমরা দেড় ট্রিলিয়ন অর্থনীতির মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছি।’ তাঁর ওই বক্তব্যের সময়কাল বিবেচনায় ২০২৪ সালের মধ্যেই এমন লক্ষ্য অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
কিন্তু ২০২৪-এ আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করার পর দেশের অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতায় সেই লক্ষ্য অর্জন পিছিয়েছে ১০ বছর। সময়ের হিসেবে প্রায় ১০ বছর পিছিয়ে যাওয়া এবং আকারের দিক থেকেও অন্তত ৫০০ বিলিয়ন ডলার কম লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ সালের বাজেট পরিকল্পনাতেও বর্তমান বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে লক্ষ্যমাত্রা পেছানোর বিষয়টি।
আজ ২৩শে জুলাই, বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকরণ’—শীর্ষক ‘এফআইসিসিআই এফডিআই সম্মেলন—২০২৬’ এ ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই লক্ষ্য পূরণে তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছেন।
ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিসিআই) এই সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশি উদ্যোক্তা হোন কিংবা বিদেশি বিনিয়োগকারী- বাংলাদেশে কেউ মূলধন বিনিয়োগ করলে সরকারও সময়, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং সময়োপযোগী নীতিমালার মাধ্যমে তার পাশে থাকবে। এটি শুধু আশ্বাস নয়, সরকারের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার।
বাংলাদেশের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, একই সঙ্গে সামর্থ্যও আছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দ্রুত বিকাশমান বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার, তরুণ ও পরিশ্রমী জনশক্তি, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান এবং নিরঙ্কুশ জনসমর্থনপুষ্ট নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশের অন্যতম শক্তি। এসব উপাদান দেশকে টেকসই ও স্থায়ী সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিচ্ছে।
বাংলাদেশে নিরাপদ বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। ট্যাক্স, ভ্যাট প্রক্রিয়া সহজ করে বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিতের দিকে জোর দিয়েছি, বলেন তিনি।
সরকার অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে কাজ করছে দাবি করে তিনি বলেন, দেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধ পরিকর।
নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।