সীমান্ত সম্মেলনে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে দুই দেশ সম্মত হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
138 ভিউ

আরও খবর

মেট্রোরেলে নাশকতার ২ বছর: সমন্বয়ক হাসিবের স্বীকারোক্তির পরও কেন দুই সরকারের আমলে হয়নি বিচার?

গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি: ভোগান্তিতে আবাসিক গ্রাহক, শিল্প ও পরিবহন খাত

জাতিসংঘের ‘নিহত’দের তালিকায় নাম, ভিডিও বার্তায় জীবিত হাজির পাবনার রাফি

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি সরকার: ভারতের পদাঙ্ক অনুসরণে উত্তরণের চিন্তা

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন: সফর সংক্ষিপ্ত করে তড়িঘড়ি দেশে ফিরছেন স্পিকার

আওয়ামী লীগের ‘১.৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি’র লক্ষ্যমাত্রা বিএনপি আমলে নামল ১ ট্রিলিয়নে, সময়ও বাড়ল ১০ বছর

তরুণদের মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে টানতে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক!

সীমান্ত সম্মেলনে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে দুই দেশ সম্মত হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ | ১০:০৯ 138 ভিউ
ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ৫৫তম বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলনে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে দুই দেশ সম্মত হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা অতীত অভিজ্ঞতা উল্লে­খ করে বলেন, এমন প্রতিশ্রুতি আগে অনেকবার দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন তেমন দেখা যায়নি। এবারও কি সিদ্ধান্তগুলো শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি কার্যকর হবে এ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত হত্যার ঘটনা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার বন্ধ করা, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান রোধের প্রতিশ্রুতি বিএসএফ’র আগেও বহুবার দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রতিশ্রুতির পরও সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের গুলিতে ঝরে যাওয়া প্রাণের সংখ্যা কমেনি। এবার যে সাত সিদ্ধান্তে দুই দেশ সম্মত হয়েছে, তা কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটাই দেখার বিষয়। এ ব্যাপারে কূটনীতি বিশেষজ্ঞ সাবেক রাষ্ট্রদূত নাসিমা হায়দার শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, ভারতের সঙ্গে বর্তমানে বাংলাদেশের সমসম্পর্ক ততটা ভালো নয়। ভারত ইতোপূর্বে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় না আসা পর্যন্ত তারা কোনো বিষয় নিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নয়। এরই মধ্যে এই সীমান্ত সম্মেলনে যেসব প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, তা আমার মনে হয় কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, অতীতে বিজিবি সীমান্ত ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিতে পারত না। তবে এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। বিজিবি যে এখন আগের মতো নয়, তা ভারতীয় পক্ষ ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে। এবার বিজিবি বুক চিতিয়ে কথা বলেছে। সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী স্পষ্টভাবেই সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরীর কাছে তিনি এসব হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানান। সংশ্লিষ্টদের মতে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের জটিল সমীকরণে এসব সিদ্ধান্ত কাগজ থেকে বাস্তবে নামবে কি-না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। এদিকে সম্মেলনে বিএসএফ মহাপরিচালক সীমান্ত হত্যা বন্ধে ‘অ-প্রাণঘাতী নীতি’ অনুসরণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এখন দেখার বিষয়, প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কতদূর হয়, নাকি আবারও সীমান্তের এই সংকট অমীমাংসিতই থেকে যায়! সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্ত সীমান্ত হত্যা শূন্যকরণ : সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো, হত্যা ও মারধরের ঘটনা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যৌথ টহল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় : সীমান্ত অপরাধ দমনে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে তাৎক্ষণিক ও আগাম গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর উদ্যোগ। সচেতনতা বৃদ্ধি ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম : সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মসূচি গ্রহণ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন। হত্যার তদন্ত ও ব্যবস্থা : সীমান্তে যে কোনো ধরনের হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে। ১৫০ গজের মধ্যে স্থাপনা নির্মাণে কঠোরতা : সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে স্থাপনা, কাঁটাতারের বেড়া বা প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো নির্মাণের আগে যৌথ পরিদর্শন ও আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধ : ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা, স্বর্ণ, জাল মুদ্রা ও অস্ত্র চোরাচালানসহ সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া। মানব পাচার রোধে কঠোর ব্যবস্থা : সীমান্ত পথে মানব পাচার বন্ধ করতে উভয় দেশ একসঙ্গে কাজ করবে এবং পাচারের শিকার ব্যক্তিদের উদ্ধারে সহযোগিতা বাড়াবে। প্রসঙ্গত, ভারতের নয়াদিল্লিতে ১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি- চার দিনব্যাপী এ সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বিজিবি প্রধানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চট্টগ্রামে নালা থেকে উদ্ধার ১৪শ গুলির বড় অংশই একে-৪৭ ও মেশিনগানের বালু ব্যবসার দ্বন্দ্বে দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাচেষ্টা বিএনপির অপর গ্রুপের মেট্রোরেলে নাশকতার ২ বছর: সমন্বয়ক হাসিবের স্বীকারোক্তির পরও কেন দুই সরকারের আমলে হয়নি বিচার? ‘ডিসেম্বরের মধ্যেই নেত্রীকে ফেরাবো’: কক্সবাজারে প্রকাশ্য সভায় ছাত্রলীগের দৃঢ় শপথ এমআরপির চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয় সিগারেট: বছরে ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্বের বাইরে, যাচ্ছে কার পকেটে? গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি: ভোগান্তিতে আবাসিক গ্রাহক, শিল্প ও পরিবহন খাত যবিপ্রবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা, তানভীর আহ্বায়ক ধ্বংস করে দেওয়া শেখ হাসিনার বাড়ি ‘সুধা সদন’ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার জাতিসংঘের ‘নিহত’দের তালিকায় নাম, ভিডিও বার্তায় জীবিত হাজির পাবনার রাফি ‘নর্দমায় মিলল একে-৪৭-এর বুলেটের স্তূপ! চট্টগ্রামে জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আস্তানার গন্ধ সিভিল সার্জনদের নিয়োগে শর্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীরঃ দিতে হবে ই-জিপি ও ডিডিও পাসওয়ার্ড! মেট্রো স্টেশন থেকে উদ্ধার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পাইপবোমার ছাতা খুললেই ঘটাত বিস্ফোরণ হিন্দু সেজে মন্দিরে ঢুকে চুরি, দুই মুসলিম নারীকে হাতেনাতে আটক করে উত্তম-মধ্যম ‘পুর্ব শত্রুতার জেরে’ পুলিশের এসবি কর্মকর্তার ওপর হামলা, পিঠে ৪৩টি সেলাই ইমামকে সরিয়ে রাজাকার নিজামির পুত্রের জুমা পড়ানো নিয়ে মসজিদে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাস, মুসল্লিরা আহত জামায়াত এমপির পর এবার বিএনপি নেতারও ‘বিশেষ ভিডিও’ ভাইরাল রশিতে বেঁধে প্রতিবেশীর দুটি পোষা কুকুরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা, বিচার দাবি স্থানীয়দের শিক্ষামন্ত্রীর ভাবমূর্তি রক্ষায় ‘বলির পাঁঠা’ ৭ শিক্ষক? কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে নজিরবিহীন বদলি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সংযোগ সড়ক ধসে পড়ল মাত্র ৩ মাসেই যশোরে নিখোঁজের দুই দিন পরে ভ্যানচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার: বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ