ভাঙাড়ি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে খুন – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ১৯ জুলাই, ২০২৫
১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
153 ভিউ

ভাঙাড়ি সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে খুন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জুলাই, ২০২৫ | ১০:২৭ 153 ভিউ
পুরান ঢাকায় ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে ৯ জুলাই মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটে প্রকাশ্যে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডে এ পর্যন্ত এজাহারভুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের মধ্যে হত্যা মামলায় তিন ও অস্ত্র মামলায় একজন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার হত্যা মামলার আসামি আলমগীর, লম্বা মনির ও টিটন গাজী জবানবন্দিতে জানান, মাহমুদুল হাসান মহিনের পরিকল্পনায় ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যা করা হয়। মহিনই অন্য আসামিদের ডেকে এনে সোহাগের ওপর হামলা চালান। আর লম্বা মনির আগের ক্ষোভ থেকে সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত করেন। তবে জবানবন্দিতে নিজেরা হত্যা পরিকল্পনায় ছিলেন না বলে দাবি করেছেন তারা। মূলত আসামি মহিনের নেতৃত্বে সেখানে যান বলে দাবি জানিয়েছেন। মহিনই মূল পরিকল্পনাকারী। জবানবন্দিতে তিন আসামি জানান, ঘটনার দিন মহিন ব্যবসার ব্যাপারে কথা বলতে গেলে সোহাগ ক্ষিপ্ত হন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তখন মহিন অন্যদের ডেকে আনেন। এক পর্যায়ে দু’পক্ষ উত্তেজিত হলে সোহাগকে মারধর শুরু হয়। প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালের করিডোরের ভেতরে পাথর দিয়ে সোহাগকে তারা মারতে থাকেন। পরে টেনে রাস্তায় এনে হত্যা করা হয়। জবানবন্দিতে মনির বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সোহাগ আসামি মনির ওরফে লম্বা মনিরকে মারধর করেন। এ ঘটনার ক্ষোভ থেকে তিনি পাথর দিয়ে সোহাগের মাথায় আঘাত করেন। আগের ক্ষোভ থেকে টিটন গাজী এবং আলমগীরও হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন। রিমান্ড শেষে হত্যা মামলার তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে তারা জবানবন্দি দেন। অস্ত্র মামলার আসামি তারেক হোসেন রবিন তার জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে মহিনসহ অন্যদের সঙ্গে নিহত সোহাগের ভাঙাড়ি ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এরই জেরে সোহাগকে খুন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। রবিন জানান, মহিনসহ হত্যাকারীরা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে হাজী সেলিমের লোক হিসেবে একচেটিয়া ভাঙাড়ি ব্যবসা করেছেন। সরকার পতনের পর মহিনসহ অন্যরা যুবদলে যোগ দিয়ে একচেটিয়া ব্যবসা ও সিন্ডিকেট ধরে রাখেন। তিনি বলেন, নিহত সোহাগ ভাঙাড়ি ব্যবসার পাশাপাশি আগে থেকেই যুবদলের রাজনীতিতে যুক্ত। ৫ আগস্টের পর সোহাগ ভাঙাড়ি ব্যবসা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে মহিনদের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত চলছে। পরিকল্পনাকারী আসামি মহিন রিমান্ডে আছেন। চাঁদাবাজি নয়, ঘটনার মূলে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণই মুখ্য ছিল। গ্রেপ্তারদের রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তদন্তের স্বার্থে অনেক কিছু এখন জানানো সম্ভব নয়।’ ডিএমপির কোতোয়ালি জোনের উপকমিশনার ফজলুল হক বলেন, ‘শুরুতে চাঁদাবাজির একটি আলোড়ন সৃষ্টি হলেও, এমন কিছু পাওয়া যায়নি। এখানে ভাঙাড়ি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণই ছিল সোহাগ হত্যার নেপথ্যে।’ গত ৯ জুলাই মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে সোহাগকে হত্যা করা হয়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হলো সাত খুন মামলার তারেক সাঈদকে সেনাপ্রধানের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সেনাবাহিনীর উপপ্রধানের সাক্ষাৎ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলার ঘোষণা আইফোন চুরির অপবাদে যুবককে মারধর, মাথার চুল কর্তন দুই মাসে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা বিদেশি ঋণ পরিশোধ করেছে সরকার ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের ক্লাবে কোহলি, শচীনকে টপকে দ্রুততমের রেকর্ড টিআইবি: দখল-চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ক্ষমতাসীন দলের জন্য অশনিসংকেত বাজার থেকে নিখোঁজ, সকালে মিলল লাশ: বান্দরবানে গহিন পাহাড়ে যুবককে নৃশংস হত্যা মুদি দোকানে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, বাইরে বের হতেই দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা অসুস্থ অবস্থায় একবছর কারাবন্দি: জামিনে মুক্তির একমাস পরে মৃত্যু সাংবাদিক আজহারের প্রবাসী জামায়াত কর্মী ফুফার স্ত্রীর বিছানায় পুত্রের হাতে আটক শিবির নেতাকে হাঁসুয়ার কোপ, বাড়িতে আগুন দুই পরাশক্তির স্বার্থের ফাঁদে রূপপুর: সাশ্রয়ী রুশ মডেল বনাম ব্যয়বহুল মার্কিন প্রযুক্তি- কোন পথে হাঁটবে বাংলাদেশ? ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরেই ভারতের জার্সি তুলে রাখছেন কোহলি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা বিষয়ক কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরিত রাজনৈতিক বিবেচনায় বাদ পড়া প্রাথমিকের শিক্ষকদের ৫ দফা দাবিতে মাঠে নামার ঘোষণা সাফ টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় সারির দল পাঠাতে পারে ভারত পদ্মা সেতুকে ঝুঁকিতে ফেলে সাড়ে ৬ কোটি ঘনফুট বালু তোলার অনুমতি পেল গায়েবি প্রতিষ্ঠান! প্রতি মাসে মিলছে গড়ে ৫৭টি অজ্ঞাত মরদেহ, শনাক্ত করা যাচ্ছে না যথাযথভাবে গ্যাস-বিদ্যুতে ভর্তুকির হিসাব মিলছে না, ২ মাসেই উধাও বরাদ্দের ৬০ ভাগ অর্থ কিয়েভে রাশিয়ার হামলা, লক্ষ্যবস্তু ডাটা সেন্টার; ইন্টারনেট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ইউক্রেন