নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মানবতার লজ্জাজনক পরাজয়: ঢাবিতে তোফাজ্জল হত্যার দুই বছর হলেও শুরু হয়নি বিচার
শামীম মোল্লা হত্যা: দুই বছরেও হয়নি তদন্ত, উল্টো আসামি থেকে ছাত্রশক্তির সভাপতি
একইদিনে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ফাটল হাতবোমা: জড়িত কারা, বুঝতে পারছে না পুলিশ
‘পুলিশ খুব দুর্বল, শেখ হাসিনার এখনই আসা উচিৎ, চলে আসলি পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না’, ফোনালাপের জেরে ওসি প্রত্যাহার
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ চরমে: কেন মধ্যমশক্তির দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভরতা এড়াতে চাইছে
পাঁচ দেশে অর্থপাচারসহ অবৈধ সম্পদ অর্জন: সস্ত্রীক আসিফের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি
৭ আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদদের প্রতিবাদ, রায় বাতিল ও বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধের দাবি
জাতীয় চার নেতার ম্যুরালকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ উল্লেখ করে অপসারণ, ইউএনওর ওপর ক্ষুব্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধারা
অপ্রয়োজনীয়’ উল্লেখ করে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন জগদীশপুরের ‘মুক্তিযোদ্ধা চত্বর’ থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতার ম্যুরাল অপসারণের ঘটনায় স্থানীয় ইউএনওর প্রতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে এক তরফা সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ছবি সরিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি অনুদানে নির্মিত এই মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক চার কাণ্ডারির ম্যুরালের ছবি শোভা পাচ্ছিল। তবে প্রায় এক মাস আগে মাধবপুর উপজেলার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাসেমের নির্দেশে ছবিগুলোকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে স্থানটি থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।
সংবাদমাধ্যমে বিষয়টির খবর চাউর হলে এবং তৎকালীন ইউএনওর বদলি সম্পন্ন হওয়ার পর ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। ছবি অপসারণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচার দাবি করেছেন তারা।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস শহিদ বলেন, “কোনো প্রশাসনিক প্রক্রিয়া না মেনে হঠাৎ করেই জাতীয় চার নেতার ছবি সরানো হয়েছে। সরকারি অনুদানে নির্মিত চত্বর থেকে এই বরেণ্য ব্যক্তিত্বদের ছবি সরানোর ঘটনায় আমরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার চাই।”
মাধবপুর প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি মো. অলিদ মিঞা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে এই চার নেতার অবদান চিরস্মরণীয়। এমন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের ছবি অপসারণের মতো সংস্কৃতি চালু হলে ভবিষ্যতে এটি ভুল বার্তা দেবে।”
ঘটনা সম্পর্কে জানতে ও অপসৃত ছবিগুলো পুনরায় স্থাপনের বিষয়ে মাধবপুরের বর্তমান ইউএনও মেহেদী হাসানের বক্তব্য গ্রহণের জন্য একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
তবে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা এবং তাঁদের সন্তানদের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে যে, কালবিলম্ব না করে ঐতিহাসিক মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে জাতীয় চার নেতার ম্যুরাল পুনরায় পূর্বের স্থানে পুনঃস্থাপন করতে হবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]