নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা ২ জানুয়ারি, নেতৃত্বে শেকৃবি
কমিটিতে বিএনপি নেতার পছন্দের লোক বসাতে না পেরে প্রধান শিক্ষক বিকাশ দাশ লাঞ্ছিত
ভোর ৬টা থেকে শুরু লোডশেডিং, দিনে পাঁচ দফায় বিদ্যুৎহীন থাকবে বুয়েট
ঢাবিতে জঙ্গি সংশ্লিষ্ট বক্তা আনার নেপথ্যে শিবির, অন্ধকারে হল কর্তৃপক্ষ
ঢাবির ফজলুল হক হলে ছাত্রদল-শিবিরের হাতাহাতি
একাদশের ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত করতে কমিটি
ববিতে নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত: ২ বিভাগের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি
আবু সাঈদের স্মরণসভা ফাঁকা দেখে হতাশ মন্ত্রী: ‘বেরোবি চত্বর পরিপূর্ণ থাকলে আবু সাঈদ কবরে শান্তি পেত’
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) আবু সাঈদের স্মরণসভায় উপস্থিতি কম হওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন বিএনপি সরকারের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
আজ ১৬ই জুলাই, বৃহস্পতিবার দুপুরে জুলাই উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় হতাশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
এক শিক্ষার্থীর বক্তব্যের সূত্র ধরে মন্ত্রী বলেন, এটা আবু সাঈদ চত্বর। ধারণা করেছিলাম, আজ এই চত্বরে আবু সাঈদকে স্মরণ করে একাকার হয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তিল ধারণের জায়গা থাকবে না। কিন্তু হতাশ হয়েছি। আবু সাঈদের সহপাঠীরা এই আয়োজন কেন চমৎকার করে গড়ে তুললেন না? কেন চেয়ার খালি পড়ে আছে? অর্ধেকের বেশি চেয়ার খালি…। শুধু আমার জন্য না, এটা আপনাদের সবার জন্য অনেক কষ্টের।
মন্ত্রী বলেন, ‘ডায়াসে আমরা অনেক চমৎকার বক্তৃতা করি। কিন্তু বক্তৃতার বাস্তবায়নটা করি না। বক্তৃতার বাস্তবায়নটাই সময়ের দাবি।’
বক্তব্যে নাটকীয়তা এনে আযম খান বলেন, আজ যদি এই চত্বরটা লোকে লোকারণ্য থাকত, আবু সাঈদ কবর থেকে শান্তি পেত। আবু সাঈদ কবর থেকে হয়তো বলত—আমার সহপাঠীরা ১৬ জুলাই আমাকে কীভাবে স্মরণ করছে। মন্ত্রী বলেন—আমি দুঃখিত, আমি হতাশ হয়েছি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সরকার জুলাইকে লালন করে এবং ধারণ করে। জুলাইকে লালন করে বলেই আমার মন্ত্রণালয় জুলাই চেতনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আবু সাঈদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ-মারুফদের সেই চেতনা, সেই বিজয়কে বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে জুলাই অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে।
মন্ত্রী বলেন, জুলাই অধিদপ্তরের মধ্যদিয়ে জুলাই চেতনার প্রত্যেকটি দাবি বাস্তবায়ন হবে, কথা দিয়ে যাচ্ছি। এই সরকার আপনাদের ভোটে নির্বাচিত সরকার। যার বয়স মাত্র পাঁচ মাস। এই পাঁচ মাসে এই রংপুরসহ নানা প্রান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ডিক্লার করেছেন।
মন্ত্রীর বক্তব্য
স্মরণসভায় উপস্থিতি কম কেন—এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী তার সময়ের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরেন।
স্মরণসভায় রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবার রহমান বেলাল, সংরক্ষিত সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]