মাদকাসক্ত যুবককে পিটিয়ে হত্যা করল মা ও ভাই – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ জুলাই, ২০২৫
১১:০২ পূর্বাহ্ণ
240 ভিউ

মাদকাসক্ত যুবককে পিটিয়ে হত্যা করল মা ও ভাই

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জুলাই, ২০২৫ | ১১:০২ 240 ভিউ
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সেলদিয়া গ্রামে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। মাদকাসক্ত ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শেষমেশ তাকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের বড় ভাই ও মায়ের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণের নাম মো. নূরুল আমীন (১৯)। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বিকেলে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বাবুল হোসেন জানান, নিহত নূরুল আমীনের পরিবার অত্যন্ত গরিব। তার বাবা শাহজাহান (৬০) ও মা কয়েক গ্রামের লোকজনের মাটি কেটে সংসার চালান। জমিজমা বলতে শুধু একখণ্ড ভিটেমাটি। অনেক কষ্ট করে বড় ছেলে বনি আমীনকে কয়েক বছর আগে সৌদি আরবে পাঠান শ্রমিক ভিসায়। দুই মাস আগে তিনি ছুটিতে দেশে ফেরেন। ছোট ছেলে নূরুল আমীন কয়েক বছর ধরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। নেশার টাকার জন্য বাড়ির আসবাব, কাপড় এমনকি রান্নার হাঁড়িপাতিলও বিক্রি করে দিতেন। লোকজনের সঙ্গে মারমুখী আচরণ ছিল নিত্যদিনের ব্যাপার। নেশার ঘোরে পিতা-মাতার সঙ্গেও মারধরে জড়াতেন। চেষ্টা করেও সন্তানকে বাঁচাতে পারেননি বাবা। নিহতের বাবা মো. শাহজাহান জানান, ছেলেকে মাদকমুক্ত করতে তিনি দুবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করান। তিন মাস ধরে চিকিৎসায় ব্যয় হয় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই টাকা দেন বড় ছেলে বনি আমীন, প্রবাসী উপার্জন থেকেই। কিন্তু নিরাময় কেন্দ্র থেকে ফিরে এসে নূরুল ফের মাদক সেবন শুরু করে। শুক্রবার সকালে নূরুল বাবার কাছে মাদকের জন্য দুই হাজার টাকা দাবি করেন। বাবা টাকা দিতে অপারগতা জানালে সে রাগে ভাঙচুর শুরু করে। ভয়ে শাহজাহান বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। এরপর নূরুল তার মায়ের কাছে টাকার জন্য গালাগাল শুরু করেন। এ সময় দেশে থাকা বড় ভাই বনি আমীন রেগে যান। তিনি নূরুলকে বেধড়ক মারধর করেন। এরপর মা ও ছেলে মিলে নূরুলকে ঘরের ভেতর আটকে রাখেন। দুপুরের দিকে ঘরে গিয়ে তারা দেখেন, নূরুলের নিথর দেহ পড়ে আছে। খবর পেয়ে কাপাসিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। থানার ওসি জয়নাল আবেদীন মণ্ডল জানান, ‘পরিবারিক কলহ থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। নিহত যুবক মাদকাসক্ত ছিল, এটা সত্য।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
দল ক্ষমতা হারালে সবার আগে পিছটান দেন তারকা রাজনীতিবিদ’রা, দু’দিনের রাজনীতিবিদ সাকিব কেন ব্যাতিক্রম? রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সাকিবের দেশে ফেরার আর সুযোগ নেই: আমিনুল শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের প্রতিক্রিয়ায় নওফেলের বাড়িতে ককটেল ও অগ্নিসংযোগ কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে ঋণ কমে গেছে, হুমকিতে কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি এলএনজি ক্রয়ের অনুমোদন মিলল ছুটির দিনে বসানো ক্রয় কমিটির বৈঠকে পাঁচটি দেশের ওপর রেমিট্যান্সের ৬২ শতাংশ নির্ভরতা, বাড়ছে কৌশলগত ঝুঁকির শঙ্কা ফের পিছিয়ে গেল রূপপুরের উৎপাদনের যাত্রা: আগস্টে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে না পরমাণু বিদ্যুৎ বিনা আমন্ত্রণেই বিদেশে যাবার পথে দিল্লি থেকে ঘুরে যেতে চেয়েছিলেন ড. ইউনূস ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেল বাংলাদেশ, উল্টো সর্বোচ্চ ঋণ পরিশোধের চাপ উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়ল পৌনে ৩ কোটি টাকার সড়ক, বাঁশ-বালুর বস্তায় ঠেকা! আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, মিত্র, আমরা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি: এমপি নাছির চৌধুরী ‘আপনারা দেখেননি, আমরা কীভাবে থানা জ্বালিয়ে পিটিয়ে পুলিশ মেরেছি’: প্রকাশ্যে এনসিপি নেতার স্বীকারোক্তি রিয়ালের সঙ্গে আরও ছয় বছরের চুক্তি বাড়ালেন ভিনিসিউস প্রকল্প ব্যয় ১৬৫ কোটি থেকে ঠেকলো ৩২৬ কোটিতে, ২০০ কোটির অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয়ের তোড়জোড় ইআবা নেতা ফয়জুল করিম: ‘জুলাইতে রাজপথে ছিলাম আমরা, বিএনপি-জামায়াত ছিল না’ নাশকতা সন্দেহ: বাসভবনে আগুন, পাকিস্তানি হাইকমিশনার সস্ত্রীক আইসিইউতে ‘শেখ হাসিনা থেকে ১০ লাখ টাকা পাওয়া’ আহসান জুলাই যোদ্ধা নন- দাবি বিএনপি নেতার, জামায়াত নেতার ভাষ্য, ‘সারজিসও ছাত্রলীগ করত’ রিয়াল মাদ্রিদ নাকি বার্সেলোনা: কোথায় যাবেন রদ্রি? চাকরি হারানোর শঙ্কায় কর্মচারীরা প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়ার জেরে ১৮ তলা থেকে লাফ, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেন তরুণী