নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হুথিদের কাছে ‘সেইফ প্যাসেজ’ নিশ্চিত করে সৌদিকে বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি: যুক্তরাষ্ট্রের “জিরো-সাম গেইম”
পাকিস্তানে পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৫ পুলিশসহ নিহত অন্তত ২৭
হুথিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন সমঝোতা: মার্কিন জাহাজকে বাধা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুতিদের, জবাবে ব্যাপক বিমান হামলা
মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, সতর্ক করল চীন-রাশিয়া
ফলাফলে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কর্মকর্তারা
নিরাপত্তাজনিত কারণে আমিরাতে ৪৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, জীবিকা হারিয়ে শঙ্কায় প্রবাসীরা
নেপালের মন্ত্রীদের হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নিচ্ছে সেনাবাহিনী
তীব্র আন্দোলন ও বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। দেশটিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ ও দুর্নীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালীন ১৯ জন নিহত হয়। এরপরই আজ মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। তবে গুঞ্জন উঠেছে, তিনি সম্ভবত পালিয়ে দুবাই অথবা ভারতে আশ্রয় নেবেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে নেপাল। কারফিউ উপেক্ষা করেই দেশটির প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলে আন্দোলন। এর মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এ ছাড়া পার্লামেন্ট ভবনে ঢুকে সেখানে বিক্ষোভকারীরা আগুন দিয়েছেন বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে। পরে বন্ধ করে দেওয়া হয় দেশটির বিমান চলাচলও।
উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানান দেশটির স্থানীয় নেতারা ও সেনাপ্রধান। জানা গেছে, এরপরই কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেন।
এদিকে দেশব্যাপী বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করায় নেপালি সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ভাইসেপতির বাসভবন থেকে মন্ত্রীদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট। মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনার পর এই পদক্ষেপ নিয়েছে সেনাবাহিনী।
গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে নেপালে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ২৬টি প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গতকাল সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হলেও, একপর্যায়ে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে পার্লামেন্টের সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করলে শুরু হয় সংঘাত। এ সময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঠমান্ডুতে কারফিউ জারি করে প্রশাসন। এই আন্দোলনকে ‘জেন-জি রেভল্যুশন’ নাম দেন বিক্ষোভকারীরা।
বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটিতে দুই দিনের সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ১৯ জন। আহত হয়েছেন অনেকে। হতাহতের দায় নিয়ে আগেই পদত্যাগ করেন নেপালের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী। আর অবশেষে চাপের মুখে পদত্যাগ করলেন প্রধানমন্ত্রীও।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]