নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মরিয়মের মৃত্যুতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ক্ষমতার দাপট ও পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ
কক্সবাজার সরকারি কলেজ হোস্টেল থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ গণিতের ছাত্রী আটক, পাচার করতেন পায়ুপথে
জামায়াতের লং মার্চ দেখানোর নাম করে ভাবীকে নিয়ে পালালেন এনসিপির আহ্বায়ক!
জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, এখানে অন্যায়টা কোথায়?- অদ্ভুত যুক্তি বিএনপির এমপি বাবুলের!
কর্মীরা দেশে লংমার্চে, জামায়াতের ৩৪ এমপির পরিবারসহ ৭১ জনের ৫ দেশে বিলাসী সফর!
অসহায়-হতদরিদ্রের সেলাই মেশিন পেলেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী-বিএনপির নেত্রী!
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: ১০ কোটি টাকার সেতুতে গভীর রাতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই!
মসজিদে সোফা-টেবিল বসিয়ে সভা: সিরাজগঞ্জে বিএনপি নেতার অনুষ্ঠান নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক
মসজিদে ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা বনাম স্থানীয় উন্নয়ন সভা—এই দুইয়ের টানাপোড়েনে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের কোদলা কওমিয়া মাদ্রাসা জামে মসজিদে গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নেটদুনিয়ায় বিতর্ক তুঙ্গে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ছবিতে দেখা যায়, মসজিদের মূল প্রার্থনাকক্ষের ভেতরে কার্পেটের ওপর সারি সারি সোফা, চেয়ার ও প্রকাণ্ড টেবিল বসানো হয়েছে। সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বসা সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আয়নুল হক। তাঁর সাথে ছিলেন স্থানীয় বিএনপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারা। পবিত্র স্থানের ভেতরে এ ধরনের আসবাবপত্র বসিয়ে সভার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় জনমনে।
আয়োজক ও নেতাদের যুক্তি
বিতর্কের মুখে স্থানীয় বিএনপি নেতারা দাবি করছেন, এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না। রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল ইসলামের মতে, কোদলা কওমিয়া মাদ্রাসা ও জামে মসজিদের পরিচালনায় মোটা অঙ্কের বকেয়া ঋণ রয়েছে। সেই আর্থিক সংকট নিরসনে সাহায্য চাওয়ার জন্যই মূলত সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও নেতা আয়নুল হককে আমন্ত্রণে আনা হয়। নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোফা ও চেয়ারের ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে মসজিদ ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষেরই ছিল এবং সেখানে কেবল ধর্মীয় ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সংক্রান্ত আলোচনা হয়েছে।
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু
দলীয় নেতারা অনুষ্ঠানের পক্ষে যুক্তি দেখালেও আমজনতা ও নেটিজেনদের মূল প্রশ্ন আসবাবপত্র নিয়ে। একটি ধর্মীয় উপাসনালয়ের ভেতরের সার্বজনীন পরিবেশ বজায় না রেখে এভাবে সোফা-টেবিল বসিয়ে আভিজাত্য বা আনুষ্ঠানিকতা দেখানোর প্রয়োজন ছিল কি না, তা নিয়েই মূলত তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সাধারণ মানুষের মতে, কারণ যাই হোক না কেন, মসজিদের ভেতরের ঐতিহ্যবাহী শিষ্টাচার ও শালীনতা রক্ষা করা সর্বাগ্রে উচিত ছিল।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিষয়টিতে মূল অতিথি মো. আয়নুল হকের সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।
[TheChamp-FB-Comments]