জনদাবির মুখে ছাত্র উপদেষ্টাদের ঠেলে দেওয়ার আচরণ সন্দেহজনক – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ১৫ মে, ২০২৫
১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
145 ভিউ

আরও খবর

মেট্রোরেলে নাশকতার ২ বছর: সমন্বয়ক হাসিবের স্বীকারোক্তির পরও কেন দুই সরকারের আমলে হয়নি বিচার?

গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি: ভোগান্তিতে আবাসিক গ্রাহক, শিল্প ও পরিবহন খাত

জাতিসংঘের ‘নিহত’দের তালিকায় নাম, ভিডিও বার্তায় জীবিত হাজির পাবনার রাফি

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি সরকার: ভারতের পদাঙ্ক অনুসরণে উত্তরণের চিন্তা

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন: সফর সংক্ষিপ্ত করে তড়িঘড়ি দেশে ফিরছেন স্পিকার

আওয়ামী লীগের ‘১.৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি’র লক্ষ্যমাত্রা বিএনপি আমলে নামল ১ ট্রিলিয়নে, সময়ও বাড়ল ১০ বছর

তরুণদের মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে টানতে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক!

জনদাবির মুখে ছাত্র উপদেষ্টাদের ঠেলে দেওয়ার আচরণ সন্দেহজনক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ মে, ২০২৫ | ১১:০৬ 145 ভিউ
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বুধবার রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে কাকরাইল মসজিদ মোড়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করতে আসলে হামলার শিকার হন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। ব্রিফিং চলাকালীন তার দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারেন ছাত্রদের মধ্যে কোনো স্যাবোটাজ গ্রুপ। যা নিয়েই এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ঝেড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। ঘটনার পর রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন হাসনাত। যেখানে সমস্যা সমাধানে যাওয়া মাহফুজকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা কোনভাবেই প্রত্যাশিত নয় বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে সকল জনদাবির মুখে ছাত্র উপদেষ্টাদের ঠেলে দেওয়া নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আচরণের বিষয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন হাসনাত। হাসনাত তার পোস্টে লিখেছেন, ‘একজন রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি হিসেবে মাহফুজ আলম সমস্যা সমাধানে গিয়েছিলেন, তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা কোনভাবেই প্রত্যাশিত নয়।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘এ কথা স্পষ্টভাবে মনে রাখা প্রয়োজন—আপনাদের প্রতিনিধিত্বের দাবি বলেই তিনি আপনাদের কাছে এসেছেন। কিন্তু এ ধরনের উগ্র ও হঠকারী আচরণ ভবিষ্যতে কোনো ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না, বরং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে।’ মাহফুজের ওপর হামলায় আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়াদের প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করা উচিত জানিয়ে হাসনাত লিখেছেন, ‘মাহফুজ আলম আইনি পথে হাঁটবে কি না জানি না, তবে আন্দোলনের নেতৃত্বের উচিত প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করা এবং ভবিষ্যতে এমন ন্যক্কারজনক আচরণ পুনরাবৃত্তি না হওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া। সমালোচনা গণতান্ত্রিক অধিকার—কিন্তু শারীরিক লাঞ্ছনা বর্বরতা, এবং সেটির কোনো যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা নেই।’ সকল জনদাবির মুখে ছাত্র উপদেষ্টাদের ঠেলা দেওয়াকে সন্দেহজনক জানিয়ে হাসনাত লিখেছেন, ‘অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের আচরণও সন্দেহজনক। সকল জনদাবির সম্মুখে ছাত্র উপদেষ্টাদের ঠেলে দিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও সেটির বিষয়ে কেন এখনও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, সেটিও এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে।’ এর আগে, বুধবার বেশ কিছু দাবি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকরা। সেখানে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। পরে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে রাতে ছাত্রদের ব্রিফিং করতে আসেন উপদেষ্টা মাহফুজ। সেখানে তার ওপর হামলা হয়। এদিন ব্রিফিংয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে উপদেষ্টা মাহফুজ বলেন, সকাল থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসনের সমস্যা সমাধানের জন্য শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছেন। তারা তিনটি দাবি দিয়েছেন। সেগুলোর যৌক্তিকতা আছে কি নেই, এটা শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিচার করে দেখবে। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন সংকটে আছে, আমাদের সরকার তা সুনজরে দেখবে। আগামী বাজেটে যাতে তাদের আবাসন ভাতা ৭০ শতাংশ করা হয় দাবি তুলেছেন। সেটা কত শতাংশ করা যায়, সেটাও আলোচনাসাপেক্ষ। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ ত্বরান্বিত করার কথা বলেছেন। আমরা আশা করি, শিগগিরই কাজগুলো হবে। তবে আরেকটি দাবি হচ্ছে, বাজেট না কমানোর জন্য বা সামনে বাজেটে জন্য বরাদ্দ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। আমরা আশা করি দ্রুত প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এবং স্টক হোল্ডারদের সঙ্গে বসার সম্ভাবনা তৈরি হবে। দ্রুত এ সমস্যা সমাধান হবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চট্টগ্রামে নালা থেকে উদ্ধার ১৪শ গুলির বড় অংশই একে-৪৭ ও মেশিনগানের বালু ব্যবসার দ্বন্দ্বে দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাচেষ্টা বিএনপির অপর গ্রুপের মেট্রোরেলে নাশকতার ২ বছর: সমন্বয়ক হাসিবের স্বীকারোক্তির পরও কেন দুই সরকারের আমলে হয়নি বিচার? ‘ডিসেম্বরের মধ্যেই নেত্রীকে ফেরাবো’: কক্সবাজারে প্রকাশ্য সভায় ছাত্রলীগের দৃঢ় শপথ এমআরপির চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয় সিগারেট: বছরে ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্বের বাইরে, যাচ্ছে কার পকেটে? গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি: ভোগান্তিতে আবাসিক গ্রাহক, শিল্প ও পরিবহন খাত যবিপ্রবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা, তানভীর আহ্বায়ক ধ্বংস করে দেওয়া শেখ হাসিনার বাড়ি ‘সুধা সদন’ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার জাতিসংঘের ‘নিহত’দের তালিকায় নাম, ভিডিও বার্তায় জীবিত হাজির পাবনার রাফি ‘নর্দমায় মিলল একে-৪৭-এর বুলেটের স্তূপ! চট্টগ্রামে জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আস্তানার গন্ধ সিভিল সার্জনদের নিয়োগে শর্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীরঃ দিতে হবে ই-জিপি ও ডিডিও পাসওয়ার্ড! মেট্রো স্টেশন থেকে উদ্ধার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পাইপবোমার ছাতা খুললেই ঘটাত বিস্ফোরণ হিন্দু সেজে মন্দিরে ঢুকে চুরি, দুই মুসলিম নারীকে হাতেনাতে আটক করে উত্তম-মধ্যম ‘পুর্ব শত্রুতার জেরে’ পুলিশের এসবি কর্মকর্তার ওপর হামলা, পিঠে ৪৩টি সেলাই ইমামকে সরিয়ে রাজাকার নিজামির পুত্রের জুমা পড়ানো নিয়ে মসজিদে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাস, মুসল্লিরা আহত জামায়াত এমপির পর এবার বিএনপি নেতারও ‘বিশেষ ভিডিও’ ভাইরাল রশিতে বেঁধে প্রতিবেশীর দুটি পোষা কুকুরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা, বিচার দাবি স্থানীয়দের শিক্ষামন্ত্রীর ভাবমূর্তি রক্ষায় ‘বলির পাঁঠা’ ৭ শিক্ষক? কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে নজিরবিহীন বদলি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সংযোগ সড়ক ধসে পড়ল মাত্র ৩ মাসেই যশোরে নিখোঁজের দুই দিন পরে ভ্যানচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার: বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ