মোবাইল ছিনতাই চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার – বর্ণমালা টেলিভিশন

মোবাইল ছিনতাই চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ June, ২০২৫ | ১১:০১ 211 ভিউ
রাজধানীর গুলিস্তানে ছিনতাই ১৩৬টি মোবাইল ফোনসহ সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গ্রেফতাররা হলেন-উজ্জল, সোহাগ, সিয়াম, আব্দুল্লাহ আল নোমান ও জাহিদুল ইসলাম। সোমবার গুলিস্তানের নগরভবনের সামনে সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের একটি চৌকশ দল এ অভিযান চালায়। গ্রেফতাররা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই মোবাইল ফোন ঢাকায় এনে গুলিস্তান ও আশপাশের এলাকায় বিক্রি করতেন। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে মো. কাউছার নামের একজনকে ৫০টি ছিনতাই মোবাইল ফোনসহ গ্রেফতার করে সিটিটিসি। এ ঘটনায় ২৮ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সোমবারের অভিযানে মোবাইল ফোন উদ্ধারসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের যাত্রাবাড়ী থানার মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। পল্টনে লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার ৩ : রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে এক লাখ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারী বিভাগ। গ্রেফতাররা হলেনÑসাগর, আল আমিন হাওলাদার ও বাবু মাতব্বর। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্সের সামনে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেয় ডিবি ওয়ারী বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়িচুরি প্রতিরোধ টিম। ডিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, কিছু ব্যক্তি জাল নোট বিক্রির উদ্দেশ্যে গুলিস্তান এলাকায় অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে টিমটি সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করলে তিনজনকেই আটক করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে এক লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, গ্রেফতাররা দীর্ঘদিন ধরে জাল নোট রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিক্রি করে আসছিল। আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বড় আকারে জাল নোট ছড়ানোর পরিকল্পনা করছিল তারা। রেকর্ড পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সাগরের বিরুদ্ধে শাহআলী থানায়, আল আমিনের বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল, পটুয়াখালীর দশমিনা ও শ্যামপুর থানায় চারটি মামলা রয়েছে। বাবু মাতব্বরের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে টঙ্গী পূর্ব থানায়। এ ঘটনায় পল্টন থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের