মেঘনায় ট্রলারডুবি ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও খোঁজ নেই পুলিশ সদস্য সাইফুলের – বর্ণমালা টেলিভিশন

মেঘনায় ট্রলারডুবি ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও খোঁজ নেই পুলিশ সদস্য সাইফুলের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ June, ২০২৫ | ১০:৫২ 242 ভিউ
নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় এখনও খোঁজ মেলেনি নিখোঁজ পুলিশ সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম (৩০)। শনিবার (৩১ মে) দুপুরে ৩৯ জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সাইফুলের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এতে তাঁর পরিবার ও সহকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাইফুল ইসলামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার চরশাহী গ্রামের গোপাল বাড়িতে। তিনি সিরাজুল ইসলাম ও রহিমা বেগমের একমাত্র ছেলে। বর্তমানে তিনি নোয়াখালী পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি জেলার বিভিন্ন থানায় প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন। জানা গেছে, শনিবার দুপুর ৩টার দিকে ভাসানচর থেকে করিমবাজার ঘাটে ফেরার পথে ডুবচরের কাছে ট্রলারটির নিচের অংশ ফেটে যায়। এতে ট্রলারে পানি ঢুকে পড়ে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ডুবে যায়। স্রোত ছিল অনেক বেশি। ধারণা করা হচ্ছে, সাইফুল ইসলাম পানিতে ভেসে দূরে চলে গেছেন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জাহাঙ্গীর মাঝি বলেন, ‘আমরা মালামাল নিয়ে সকালে ভাসানচর যাই। ফেরার পথে হঠাৎ একটা বিকট শব্দ হয়। এরপর ট্রলারে পানি ঢুকতে থাকে। কিছুক্ষণ পরেই ট্রলার উল্টে যায়। করিমবাজার ঘাট থেকে তিনটা ট্রলার গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করে। গিয়াস উদ্দিন ও রোহিঙ্গা নারী হাসিনা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো সাইফুলসহ দুজন নিখোঁজ আছেন।’ নিখোঁজ সাইফুলের বোন জান্নাতুল ফেরদাউস স্বপ্না বলেন, ‘আমার ভাইকে না পেয়ে বাবা-মা বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন। ঈদের ছুটিতে সাত দিনের জন্য বাড়ি আসার কথা ছিল তাঁর। কুমিল্লায় বদলি হলেও এখনও বাড়ি আসেনি। এখনো কোনো খবর পাচ্ছি না।’ সাইফুলের সহকর্মী ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, ‘সাইফুল খুব সৎ, দায়িত্ববান আর বন্ধুদের প্রতি অনেক সহানুভূতিশীল ছিল। তাঁর নিখোঁজ হওয়ায় আমরা সবাই অনেক কষ্টে আছি। আমরা দোয়া করি, সে যেন সুস্থভাবে ফিরে আসে।’ ভাসানচর থানার ওসি মো. কুতুব উদ্দিন বলেন, ‘সাইফুল ইসলাম ২৭ মে রোহিঙ্গা রোগী নিয়ে ভাসানচরে গিয়েছিলেন। আবহাওয়া খারাপ থাকায় সেদিন ফিরে আসতে পারেননি। ফেরার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।’ নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, ‘ঘটনার পরপরই উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু মেঘনায় স্রোত অনেক বেশি আর আবহাওয়া ভালো না থাকায় কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাইফুলের ব্যাগ, পোশাক আর আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা এখনো আশা ছাড়িনি।’ সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলাম। ঘটনাস্থলে উদ্ধার কার্যক্রম চলছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রকল্পে ৯০ হাজার উদ্যোক্তাকে সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ