গুলিবিদ্ধ হলেও ‘জুলাই যোদ্ধা’ স্বীকৃতি মেলেনি রাকিবের – বর্ণমালা টেলিভিশন

গুলিবিদ্ধ হলেও ‘জুলাই যোদ্ধা’ স্বীকৃতি মেলেনি রাকিবের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ May, ২০২৫ | ১১:৪০ 218 ভিউ
গত বছরের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে জীবন বাজি রেখে অংশ নেওয়া রাকিব ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি পাননি। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়া সত্ত্বেও তার নাম গেজেটভুক্ত হয়নি সরকারের প্রকাশিত গেজেটে। রাকিবের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার খলসী ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামে। তিনি জেলার ঘিওরের ডিএন উচ্চ বিদ্যালয়ের কারিগরি (ভোকেশনাল) বিভাগের ছাত্র। রাকিব পড়াশুনার পাশাপাশি সাভারে কলকারখানায় কাজ করে সংসার চালান। জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট রাকিব তার পরিবারের কাউকে না জানিয়ে তার বন্ধুদের সঙ্গে ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে কারফিউ উপেক্ষা করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাভার মডেল থানার সামনে গেলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গের চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ রাকিবের মাথায় রাইফেল দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। তখন তার ‘পায়ে রাইফেল ঠেকিয়ে গুলি করে পুলিশ’। রাকিবকে দ্রুত সাভার এনাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। পরে সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়া হয় তাকে। রাকিবের বাবা মো. রফিক অভিযোগ করে বলেন, রাকিবের যাবতীয় চিকিৎসাপত্রসহ সব কাগজপত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ভারপ্রাপ্ত) কাছে জমা দিয়েছিলাম। এছাড়া সার্জন অফিসে জমা দিয়েছি। তারপরও আমার ছেলের নাম গেজেটে আসেনি। আমার ছেলে নাকি তদন্তে বাদ পড়েছে। তিনি আক্ষেপ কর বলেন, যারা তালিকা ভুক্ত হয়েছে তারা তো কেউ গুলিবিদ্ধ হয়নি। সরেজমিনে তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িতে জরাজীর্ণ দুটি ছাপড়া ঘর। তাতেই তাদের যৌথ পরিবারের সবাই একত্রে বাস করে। পরিবারে সবার মুখে দেখা যায় দারিদ্রের মলিন ছাপ। রাকিব বলেন, কষ্ট করেই বড় হয়েছি। দেশকে ভালোবাসি। দেশের জন্য জীবন দিতে পারতাম। রাকিরেব মা বলেন, পুলিশ ছেলের মাথা ফাটিয়েছে, পায়ে গুলি করছে। অনেক রক্ত ঝরাইছে আমার ছেলের। রাকিবকে জুলাই যোদ্ধা হিসাবে গ্যাজেটভুক্ত করা দাবি জানিয়ে মানিকগঞ্জ মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো. শান্ত মির্জা বলেন, ওর কাগজপত্র জমা দেওয়া সময় আমরা সঙ্গে ছিলাম। ওর নাম তালিকায় না আসার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। রাকিবের নাম গেজেটভুক্ত না হওয়ার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিয়ান নুরেন বলেন, ওই সময় আমি ছুটিতে ছিলাম। তবে তার যাবতীয় কাগজপত্র জমা দিলে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানাব।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রকল্পে ৯০ হাজার উদ্যোক্তাকে সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ