নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজধানীতে একদিনে গ্রেপ্তার ৪২৪
শাহবাগে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ৪: প্রশ্নবিদ্ধ নতুন নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য
বঙ্গবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ওপর কোটি টাকার থাবা: সিটি কর্পোরেশন ও মালিক সমিতির যৌথ সিন্ডিকেটের চাঁদা উৎসব!
মেট্রোরেল স্টেশনে হাট বসিয়ে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি
রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
হোটেল কেলেঙ্কারির পর এবার দরিদ্র চা দোকানির ২৫ হাজার টাকা বকেয়া এনসিপির দুই নেতার
বিভিন্ন স্থানে হোটেল, রিসোর্টে যথেচ্ছাচার করা, লাখ লাখ টাকা বিল না দিয়ে উল্টো হুমকি-ধমকির ঘটনায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)। এবার দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের দুই শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে এক সাধারণ চা দোকানির ২৫ হাজার টাকা বকেয়া বিল আটকে রাখার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ এলাকার এক ক্ষুদ্র চা বিক্রেতা গণমাধ্যমের সামনে এনসিপি নেতা শাহরিয়ার ও শাখাওয়াত হোসেনের নাম উল্লেখ করে এই বকেয়া টাকার দাবি তোলেন।
ওই দোকানির ভাষ্যমতে, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও আড্ডার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে ওই দুই নেতা তার দোকান থেকে চা-নাস্তা খেলেও, এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার টাকার বিশাল অঙ্কের বিল তারা পরিশোধ করেননি।
টাকা না পেয়ে অবশেষে নিরুপায় হয়ে পড়েছেন ওই চা দোকানি। বকেয়া টাকা আদায়ের কোনো পথ না দেখে তিনি সরাসরি এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দ্বারস্থ হয়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে লিখিত বা মৌখিক আবেদনের মাধ্যমে তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন এবং নিজের উপার্জনের টাকা দ্রুত উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য আকুল অনুরোধ জানিয়েছেন।
গুলিস্তানের মতো ব্যস্ত ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দায়িত্বশীল পদের দুই নেতার বিরুদ্ধে এমন ‘ক্ষুদ্র বকেয়া’ আটকে রাখার অভিযোগে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে নানা গুঞ্জন।
স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, সাধারণ ব্যবসায়ীদের সাথে এমন আচরণ দলের ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলছে।
ঢাকার ইয়েমেনি ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে সাড়ে ১২ লাখ টাকা না দিয়ে উল্টো সেখানে নারী নিয়ে মাসের পর মাস মৌজ মাস্তির ঘটনা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের মাঝেই চা দোকানের ২৫ হাজার টাকা বকেয়ার এই অভিযোগ এনসিপি নেতাদের নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত দুই নেতার আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা কেন্দ্রীয় কমিটির পরবর্তী পদক্ষেপ এখনো জানা যায়নি।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।