শাহবাগে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ৪: প্রশ্নবিদ্ধ নতুন নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ২৯ জুন, ২০২৬
৪:৫৪ পূর্বাহ্ণ
20 ভিউ

শাহবাগে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ৪: প্রশ্নবিদ্ধ নতুন নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ জুন, ২০২৬ | ৪:৫৪ 20 ভিউ
রাজধানীর হাতিরপুল এলাকার মোতালিব প্লাজায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যমানের জাল নোট জব্দ করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। ২৭শে জুন, শনিবার রাতে ভবনটির পঞ্চম তলার একটি দোকান থেকে হাতেনাতে এই জাল নোটসহ চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— নাফিজ আহম্মেদ, মো. রহমত উল্লাহ, ইয়াকুব আলী চৌধুরী ও মো. রুবেল। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে মোতালিব প্লাজায় একটি চক্র স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে জাল নোট সরবরাহ করতে যাচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। আটকের ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মীর আসাদুজ্জামান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকার ব্যবসার সাথে জড়িত। পুলিশ ধারণা করছে এই চক্রের সাথে আরও অনেকে সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে, এবং বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আরও তথ্য জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগ্রহ নেই ‘ছাপড়ি’ নোটে, সবাই খুঁজছেন পুরনো নকশার ‘বঙ্গবন্ধু’ নোট টেবিলের ওপর স্তুপ করে রাখা নতুন টাকার বান্ডিল। ঈদ এলেই নতুন নোটের চাহিদা বেড়ে যায়। তবে এবার প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্রেতা নেই। মাঝে মধ্যে দুই-একজন ক্রেতা এলেও নতুন নোটের বান্ডিলে আগ্রহী নন অনেকেই। অধিকাংশ ক্রেতাই পুরনো ডিজাইনের বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট খুঁজছেন বলে জানান বিক্রেতারা। গত ২৫শে মে, সোমবার রাজধানীর গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের সামনে দোকান মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিন দেখা যায়, মার্কেটের সামনে সারি সারি বসেছে নতুন টাকা বিক্রির দোকান। একজন ক্রেতা গেলেই হাঁকডাক করছেন সব বিক্রেতা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত দাম চাচ্ছেন দোকানিরা। বিক্রেতাদের জবাব, তারা অধিক দামে কিনে এনেছেন ব্যাংক থেকে। ক্রেতারা জানালেন, ২০২৪-এর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নতুন যেসব নোট ছাপা হয়েছে, এসব নোটের মান খুবই খারাপ। লোকজন এগুলোকে ‘ছাপড়ি’ নোট বলে। দোকানে চালানো যায় না, বড় নোট হলে দোকানি সন্দেহ করেন জাল নোট বলে। কাগজ পাতলা, ছাপার মান খারাপ। বৃষ্টিতে ভিজলে রঙ উঠে যাওয়ারও অভিযোগ আছে। এসব কারণে এই নোটগুলোর প্রতি আগ্রহ কম। ঈদে চাই নতুন টাকা: আগ্রহ নেই ‘ছাপড়ি’ নোটে, সবাই খুঁজছেন পুরনো নকশার ‘বঙ্গবন্ধু’ নোট তবে কয়েকজন বিক্রেতার কাছে মিলল বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট। যা বিক্রি হচ্ছে, এসব বান্ডিলই। দেখা গেছে, নতুন ডিজাইনের নোটের বান্ডিলের দাম বেশি। দেখা গেছে, প্রতিটি পাঁচ টাকার বান্ডিলে রয়েছে পাঁচশত টাকা। এর প্রতিটি বান্ডিল নিতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা অবধি। দশ টাকার প্রতিটি বান্ডিল বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকা করে। ২০ টাকার বান্ডিলে ২ হাজার টাকা থাকলেও অতিরিক্ত ৪০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। ৫০ টাকার বান্ডিলে ৫ হাজার টাকা থাকলেও ৫ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১০০ টাকার নোটের বান্ডিল নিতেও দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। নতুন নোট বিক্রেতা মো. মোসাদ্দেক বলেন, অন্য সময় ভালো বিক্রি হতো কিন্তু এবার ঈদে ক্রেতাই নেই। কেউ এলেও দাম শুনে চলে যাচ্ছে। বেচা-বিক্রি নেই একদম। সামনে বিক্রি হওয়ার খুব একটা সম্ভাবনাও নেই। ফরিদ মিয়া নামের একজন বিক্রেতা জানান, সবাই বঙ্গবন্ধুর নোট চায়। নতুন ছাপা নোটগুলার বেচাবিক্রি তেমন নাই। লোকে এগুলা কিনতে চায় না, অনেকে উল্টে-পাল্টে দেখে জিজ্ঞেস করে ‘ডুপ্লিকেট’ কিনা। এই নোটগুলা নিয়ে এক ঝামেলা। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নোট তো ব্যাংক দেয় না। রমজান মোল্লা নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, সবাই আসে আর চলে যায়। বিক্রি নাই। আমরা তো কিনে আনি। বেশি দামে কিনতে হয় আমাদের। তাই বেচাও লাগে বেশি দামে। কিছুই করার নেই। এই করেই তো আমাদের সংসার চালাতে হয়। বউ-বাচ্চার মুখে খাবার যায়। নতুন নোট কিনতে আসা শাহরিয়ার কামাল বলেন, বাচ্চাদের ঈদ সালামির জন্য নতুন নোট কিনতে এসেছিলাম, কিন্তু দাম অনেক। ১ হাজার টাকার জন্য অতিরিক্ত ৪-৫শ টাকা দিতে হবে, এটা অন্যায্য। বিল্লাল হোসেন নামে আরেক ক্রেতা বলেন, চকচকে নোট কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু দেখি আগের নোটগুলো নাই, সবই ‘ছাপড়ি’ নোট। তাও আবার যে দাম- তাতে কেনা সম্ভব না।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মেট্রো স্টেশন থেকে উদ্ধার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পাইপবোমার ছাতা খুললেই ঘটাত বিস্ফোরণ হিন্দু সেজে মন্দিরে ঢুকে চুরি, দুই মুসলিম নারীকে হাতেনাতে আটক করে উত্তম-মধ্যম ‘পুর্ব শত্রুতার জেরে’ পুলিশের এসবি কর্মকর্তার ওপর হামলা, পিঠে ৪৩টি সেলাই ইমামকে সরিয়ে রাজাকার নিজামির পুত্রের জুমা পড়ানো নিয়ে মসজিদে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাস, মুসল্লিরা আহত জামায়াত এমপির পর এবার বিএনপি নেতারও ‘বিশেষ ভিডিও’ ভাইরাল রশিতে বেঁধে প্রতিবেশীর দুটি পোষা কুকুরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা, বিচার দাবি স্থানীয়দের শিক্ষামন্ত্রীর ভাবমূর্তি রক্ষায় ‘বলির পাঁঠা’ ৭ শিক্ষক? কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে নজিরবিহীন বদলি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সংযোগ সড়ক ধসে পড়ল মাত্র ৩ মাসেই যশোরে নিখোঁজের দুই দিন পরে ভ্যানচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার: বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ আমাদের কাফেলা মদিনা থেকে ঘুরে আমেরিকার দিকে চলে গেছে: ইআবা নেতা ফয়জুল করিম বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি সরকার: ভারতের পদাঙ্ক অনুসরণে উত্তরণের চিন্তা সিরাজগঞ্জে কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু, পরিবারের দাবি সুপরিকল্পিত হত্যা গোপালগঞ্জে ভারী পেপার ওয়েট ছুড়ে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক! অপহরণ-হত্যাচেষ্টা, ফটিকছড়ি জামায়াত আমির-সেক্রেটারিসহ ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন: সফর সংক্ষিপ্ত করে তড়িঘড়ি দেশে ফিরছেন স্পিকার প্রোফাইল লাল করা নিয়ে জুলাই-আগস্টের রাজনীতি এবং বর্তমান বাস্তবতা আওয়ামী লীগের ‘১.৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি’র লক্ষ্যমাত্রা বিএনপি আমলে নামল ১ ট্রিলিয়নে, সময়ও বাড়ল ১০ বছর ছাত্রী হলের ওয়াশরুমের গোপন ভিডিও করা ক্যান্টিনকর্মী আটক, বিক্ষোভে উত্তাল খুবি তরুণদের মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে টানতে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক! জামায়াতের সদস্যদের লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষকতার নির্দেশ: মহিলা মাদ্রাসায় ধর্ষণ ঠেকানোই কি উদ্দেশ্য, নাকি নতুন কোনো কূটকৌশল?