শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে বিচার করতে হবে – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ২৭ এপ্রিল, ২০২৫
১১:১০ পূর্বাহ্ণ
210 ভিউ

শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে বিচার করতে হবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৭ এপ্রিল, ২০২৫ | ১১:১০ 210 ভিউ
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম বলেছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নজিরবিহীন গণহত্যা চালিয়েছে। ক্ষমতা ধরে রাখতে শেখ হাসিনার নির্দেশে তারা এ হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। তাই শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে বিচার করতে হবে, তবেই জুলাইয়ের শহিদরা যে আকাঙ্ক্ষা ও দাবি থেকে জীবন দিয়েছেন, তা পূর্ণতা পাবে। তিনি শনিবার বিকালে বড়াইগ্রাম উপজেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে জেলা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে দুইদিনব্যাপী সাথী শিক্ষা শিবিরের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আফতাব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্ন্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম মহানগরী (দক্ষিণ) সভাপতি ইবরাহিম হোসেন রনি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ ও সাবেক সভাপতি হাফেজ গোলাম রাব্বানী, রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ শাহাদাৎ হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক ইউনুস আলী ও অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আব্দুল হাকিম এবং জেলা মসজিদ মিশন একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল হোসাইন বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মঞ্জুরুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা ২০০৯ সালে চোখের সামনে পিলখানায় এ দেশের সূর্যসন্তানদের নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করতে দেখেছি, শাপলা চত্বরে নিরীহ ছাত্রদেরকে কিভাবে হত্যা করা হয়েছে তা দেখেছি। আমরা যদি দক্ষ এবং যোগ্য হয়ে জাতির আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে না পারি তাহলে এই পিলখানা হত্যা, শাপলা চত্বর হত্যা, ব্যাংক কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন বন্ধের সমাধান আমরা খুঁজে পাব না। তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ছিল না। ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সন্ত্রাস ও মাদকের স্বর্গরাজ্যসহ অস্থিতিশীল এক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রেখেছিল। জুলাই বিপ্লবে অনেক আত্মত্যাগের মাধ্যমে সে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তাই এখন সব রাজনৈতিক ও সব ইসলামী ছাত্রসংগঠনের অবস্থান নিশ্চিতের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ এমপির বাড়ি লুটতে গিয়ে ‘শহীদ’ জুলাই কর্মীর পিতা সেপটিক ট্যাংকে পড়ে নিহত একটির খরচে ৫টি মেট্রোরেল- স্বপ্নই রয়ে গেল: দুই রুটের ব্যয় আওয়ামী আমলের দ্বিগুণেরও বেশি রাজধানীতে প্রকাশ্যে গোলাগুলি, নারীসহ আহত ৩; নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত সাধারণ মানুষ হাঙ্গেরিতে চুরি করা বিমান নিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার চেষ্টা, রুখে দিল যুদ্ধবিমান উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়ের অযুহাতে ইউনূসের বন্ধ রাখা তেল বিদ্যুতকেন্দ্র গুলোতেই লোডশেডিং এর সমাধান খুঁজছে সরকার ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি: বাংলাদেশ বাড়াচ্ছে বোয়িং উড়োজাহাজের অর্ডার, নতুন চুক্তির ঘোষণা ভারতে নিয়োজিত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ১ কোটি কর্মসংস্থানের সরকারি মূলা ও বাস্তবতা: বিশ্বব্যাংক বলছে কর্মহীন হবেন ৬ লাখ মানুষ, বাড়বে দারিদ্র ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চার ঘন্টা যানজটে আটকে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: এক বছরে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে ১৪ লাখ মানুষ আবেগঘন বার্তায় শ্রমিকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা: ‘টিকিয়ে রাখার অনেক চেষ্টা করেছি, পারলাম না’ বিষাদময় গ্রীষ্ম পার করার পর এখন মেসির সামনে কী? থার্ড টার্মিনাল: ৯৯.৯১% কাজ শেষ হলেও ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে ৯০২ কোটি টাকা রাজনীতি থেকে ধর্ম- অনলাইনে মত প্রকাশে ভয়: ঝুঁকিতে সাংবাদিকতা-বাকস্বাধীনতা নারায়ণগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর কিশোরী, নিখোঁজ অর্ধ শতাধিক ভেনেজুয়েলার তেল-সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিলেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট, ট্রাম্পের সন্তোষ প্রকাশ রাশিয়ার মিগ-২৯ থেকে চীনা জে-১০: গল্পটি সক্ষমতার, মিথ্যা এবং ধোঁকাবাজিরও বাণিজ্যে ভারত-নির্ভরতা বাড়ছেই, দুই বছরে বাণিজ্য ঘাটতি আরও প্রকট পায়রা ও আদানিকে রেকর্ড ক্যাপাসিটি চার্জ প্রদান: গত অর্থবছরে কেন এত বেশি দিতে হলো? একটির খরচে ৫টি মেট্রো নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না: লাইন-২ রুটে খরচ ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের নামে এলজিবিটি কোটায় আবেদনের শীর্ষে পাকিস্তান, দ্বিতীয় বাংলাদেশ