শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে বিচার করতে হবে – বর্ণমালা টেলিভিশন

শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে বিচার করতে হবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৭ এপ্রিল, ২০২৫ | ১১:১০ 169 ভিউ
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম বলেছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নজিরবিহীন গণহত্যা চালিয়েছে। ক্ষমতা ধরে রাখতে শেখ হাসিনার নির্দেশে তারা এ হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। তাই শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে বিচার করতে হবে, তবেই জুলাইয়ের শহিদরা যে আকাঙ্ক্ষা ও দাবি থেকে জীবন দিয়েছেন, তা পূর্ণতা পাবে। তিনি শনিবার বিকালে বড়াইগ্রাম উপজেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে জেলা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে দুইদিনব্যাপী সাথী শিক্ষা শিবিরের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আফতাব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্ন্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম মহানগরী (দক্ষিণ) সভাপতি ইবরাহিম হোসেন রনি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ ও সাবেক সভাপতি হাফেজ গোলাম রাব্বানী, রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ শাহাদাৎ হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক ইউনুস আলী ও অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আব্দুল হাকিম এবং জেলা মসজিদ মিশন একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল হোসাইন বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মঞ্জুরুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা ২০০৯ সালে চোখের সামনে পিলখানায় এ দেশের সূর্যসন্তানদের নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করতে দেখেছি, শাপলা চত্বরে নিরীহ ছাত্রদেরকে কিভাবে হত্যা করা হয়েছে তা দেখেছি। আমরা যদি দক্ষ এবং যোগ্য হয়ে জাতির আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে না পারি তাহলে এই পিলখানা হত্যা, শাপলা চত্বর হত্যা, ব্যাংক কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন বন্ধের সমাধান আমরা খুঁজে পাব না। তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ছিল না। ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সন্ত্রাস ও মাদকের স্বর্গরাজ্যসহ অস্থিতিশীল এক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রেখেছিল। জুলাই বিপ্লবে অনেক আত্মত্যাগের মাধ্যমে সে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তাই এখন সব রাজনৈতিক ও সব ইসলামী ছাত্রসংগঠনের অবস্থান নিশ্চিতের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন