শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে বিচার করতে হবে – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ২৭ এপ্রিল, ২০২৫
১১:১০ পূর্বাহ্ণ
238 ভিউ

শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে বিচার করতে হবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৭ এপ্রিল, ২০২৫ | ১১:১০ 238 ভিউ
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম বলেছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নজিরবিহীন গণহত্যা চালিয়েছে। ক্ষমতা ধরে রাখতে শেখ হাসিনার নির্দেশে তারা এ হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। তাই শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের দেশে এনে বিচার করতে হবে, তবেই জুলাইয়ের শহিদরা যে আকাঙ্ক্ষা ও দাবি থেকে জীবন দিয়েছেন, তা পূর্ণতা পাবে। তিনি শনিবার বিকালে বড়াইগ্রাম উপজেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে জেলা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে দুইদিনব্যাপী সাথী শিক্ষা শিবিরের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আফতাব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্ন্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম মহানগরী (দক্ষিণ) সভাপতি ইবরাহিম হোসেন রনি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ ও সাবেক সভাপতি হাফেজ গোলাম রাব্বানী, রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ শাহাদাৎ হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক ইউনুস আলী ও অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আব্দুল হাকিম এবং জেলা মসজিদ মিশন একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল হোসাইন বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মঞ্জুরুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা ২০০৯ সালে চোখের সামনে পিলখানায় এ দেশের সূর্যসন্তানদের নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করতে দেখেছি, শাপলা চত্বরে নিরীহ ছাত্রদেরকে কিভাবে হত্যা করা হয়েছে তা দেখেছি। আমরা যদি দক্ষ এবং যোগ্য হয়ে জাতির আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে না পারি তাহলে এই পিলখানা হত্যা, শাপলা চত্বর হত্যা, ব্যাংক কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন বন্ধের সমাধান আমরা খুঁজে পাব না। তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ছিল না। ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সন্ত্রাস ও মাদকের স্বর্গরাজ্যসহ অস্থিতিশীল এক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রেখেছিল। জুলাই বিপ্লবে অনেক আত্মত্যাগের মাধ্যমে সে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তাই এখন সব রাজনৈতিক ও সব ইসলামী ছাত্রসংগঠনের অবস্থান নিশ্চিতের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ গানের সেই বিউটি রানি এবার জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নিউইয়র্কে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর; জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ‘নানা অজুহাতে’ ২ বছর অচল করে রাখা হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের গড়া মহেশখালীর পাইপলাইন, কিস্তি গুনছে বিপিসি ভিসা সংকটে থমকে আছে শ্রমবাজার, তবুও ১ কোটি কর্মী পাঠানোর প্রতিশ্রুতি প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুর কোথায় কোথায় শিক্ষা সফর করছেন জামায়াতের ৩৪ সাংসদ? আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য রুহী রাজধানীতে গ্রেপ্তার জুলাইয়ে থানা-ফাঁড়ি লুটের ১৪১৭টি অস্ত্র ও প্রায় ৩ লাখ গুলি এখনও চিহ্নিত সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের হাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বহুমুখী চাপে রপ্তানিকারকেরা, বিপর্যস্ত অর্থনীতি ইরান শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ছাড়বে না: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান এশিয়ান গেমসকে বড় স্বপ্ন ছোঁয়ার বিরল সুযোগ হিসেবে দেখছেন লিটন ভারতের বিপক্ষেও ‘প্রীতি নয়’, যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে খেলবে ব্রাজিল হাবিপ্রবি ছাত্রীনিবাস থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পথে পথে ভাড়া নৈরাজ্য লঞ্চের ভাড়া ৬০% বাড়ানোর দাবি রেলে ব্যয় বাড়ল বাড়বে লোকসান বিদেশগামী শ্রমিকদের কল্যাণ ফি বাড়ল ৮৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শোকজ গুগলকে ৪০৩ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা গণমাধ্যমে মন্তব্যের জেরে সারওয়ার ইমরানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিচ্ছে বিসিবি কল্যাণ ফি বাড়ল সাড়ে পাঁচ হাজার, শ্রমিকের টাকার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন