নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে সরকারের তীব্র সমালোচনা ও আক্রমণ ওবায়দুল কাদেরের
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি পিয়াল আটক
৭২ বছর বয়সে মৃত্যুর তিন বছর পরে ছাত্রদলের কমিটিতে পদ পেলেন বিএনপি নেতা!
ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক থেকে আওয়ামী লীগের ৫৩ নেতাকর্মীকে আটক
বাড়িতে ঢুকে যুবদল নেতাকে গুলি, অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে
আওয়ামী লীগের সময়ে বরাদ্দকৃত সোহেল তাজের রাজউকের প্লট বাতিল করছে বিএনপি সরকার
‘ওখানে মধু আছে, চুষলেই জিহ্বায় মজা লাগে’, বললেন জামায়াত আমির
নতুন বন্দোবস্তের এই লজ্জা রাখি কোথায়?— জামায়াত-এনসিপিকে ধুয়ে দিলেন রাশেদ
গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তার হোয়াটসঅ্যাপ ও রেগুলার ফোন নম্বরে একযোগে এই সাইবার হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি নিজেই।
এ ঘটনার পেছনে সরাসরি জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ ও কড়া সমালোচনা করেছেন এই তরুণ রাজনৈতিক নেতা।
আজ ২২শে জুলাই, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টা এবং একই দিন সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পৃথক দুটি পোস্টে সাইবার হামলার অভিজ্ঞতা এবং জামায়াত-এনসিপির রাজনৈতিক নীতি-নৈতিকতা নিয়ে বিস্ফোরক সব মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান লেখেন, “আমার WhatsApp ও রেগুলার নাম্বারে একযোগে সাইবার অ্যাটাক শুরু করেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। দল থেকে একজন এমপিকে হারিয়ে তারা বেপরোয়া আচরণ করতে শুরু করেছে। আমি মহান আল্লাহর কাছে তাদের হেদায়েতের জন্য দোয়া করি। একটা দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা এমন নৈতিকতা বিবর্জিত হয় কিভাবে?”
অভিযোগ উঠেছে, সম্প্রতি জামায়াতের মধ্যকার কিছু বিতর্কিত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও তাদের এক সংসদ সদস্যের (এমপি) পদ হারানো বা বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে কথা বলার পর থেকেই রাশেদ খানের ওপর এই অনলাইন আগ্রাসন শুরু হয়।
এর আগে একই দিন সকালে দেওয়া আরেকটি দীর্ঘ পোস্টে রাশেদ খান বর্তমান রাজনৈতিক বন্দোবস্ত, জামায়াত এবং নতুন গঠিত দল এনসিপির তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি লেখেন, রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীরা একযোগে তাকে ঘায়েল করতে উঠেপড়ে লেগেছিল। তারা ভেবেছিল বিষোদগার করে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া যাবে, কিন্তু পরিস্থিতি এখন উল্টে গেছে।
জামায়াত ও তরুণদের দল এনসিপির আঁতাত নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খান লেখেন, এনসিপির মতো তরুণ দলের নেতারা জামায়াতের বিতর্কিত এমপির পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছে, যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত ছিল না। বিতর্কিত এমপিকে দল থেকে না সরালে জামায়াতের জনসম্মুখে মুখ দেখানো কঠিন হবে। তবে এমপি পদ হারানোর ভয়ে জামায়াত “লোকদেখানো শোকজ নোটিশ” দিয়ে ‘আইওয়াশ’ করার চেষ্টা করতে পারে।
তড়িঘড়ি করে বড় হতে গিয়ে জামায়াত এখন চরমভাবে আদর্শচ্যুত। ফলে একের পর এক এক্সক্লুসিভ বিতর্ক তৈরি হচ্ছে এবং দলটির সামনে এখন কেবলই “লস আর লোকসান”।
বক্তব্যের শেষ দিকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে রাশেদ খান লেখেন, “ওরা ১১ জন মিলে বিএনপিকে ওয়াশ আউট করতে এসে এখন তো সব দেউলিয়া হয়ে মাঠ ছাড়ছে!”

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।