নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১৫ অগাস্টের কর্মসূচির চেষ্টা করায় বাংলাদেশ জাসদের কার্যালয় উচ্ছেদ করছে সরকার
ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী: দ্রব্যমূল্য কমাতে সময় লাগবে, ছয় মাসে দৃশ্যমান ফল চাওয়া ঠিক নয়
রাশিয়া থেকে গম আমদানি ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগ, ব্যাখ্যা দিলো রুশ দূতাবাস
শেখ হাসিনার আমলে নির্মিত থার্ড টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ বিএনপি সরকারের
১,৮৫০ কোটি টাকার এলএনজি কেনাকাটা, কমিশন-বাণিজ্যের ঝুঁকি কতটা
এবার ‘পিংক বাস’ নামে নতুন যাত্রা
‘শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ একান্তই ভারতীয় আদালতের বিষয়, ভারত সরকারের কিছু করার নেই’, অবস্থান স্পষ্ট দিল্লির
১৫ বছরে পাকিস্তানে এইচআইভি সংক্রমণ বেড়েছে ৫০০ শতাংশ, ২০২৪ সালেই মৃত্যু ১৪ হাজার
গত ১৫ বছরে পাকিস্তানে এইচআইভি-এইডস সংক্রমণের হার বেড়েছে প্রায় ৫০০ শতাংশ। শুধু ২০২৪ সালেই দেশটিতে প্রায় ১৪ হাজার মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ২১টি দেশের মধ্যে পাকিস্তানেই এই ভাইরাসের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। সম্প্রতি করাচির এক হাসপাতালে শিশুদের দেহে ভাইরাসটি শনাক্তের ঘটনা নতুন করে দেশটির স্বাস্থ্যসেবার চরম অব্যবস্থাপনার চিত্র সামনে এনেছে।
এইচআইভি সংক্রমণের নতুন কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের করাচির কুলসুম বাই বালিকা হাসপাতাল। গত সপ্তাহে এই হাসপাতালে অন্তত ১৩০ জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে, যার একটি বড় অংশই শিশু।
চলতি ২০২৬ সালে কেবল সিন্ধু প্রদেশেই ৩২৯ শিশুর দেহে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে।
ব্রিটিশ চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক নয়, বরং স্বাস্থ্যসেবার ত্রুটিই এই সংক্রমণের প্রধান কারণ।
বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মতে, সরকারি হিসাবে যা দেখা যাচ্ছে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা তার চেয়ে অন্তত চার গুণ বেশি।
সিন্ধু হেলথকেয়ার কমিশন বলছে, হাসপাতালগুলোতে সিরিঞ্জ ব্যবহারে অসতর্কতা এবং ব্যবহারের পর তা নষ্ট না করে পুনরায় ব্যবহারের কারণেই ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।
শুধু ২০২৪ সালেই দেশটিতে প্রায় ১৪ হাজার মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে লারকানা, জ্যাকবাবাদ, শিকারপুর ও তৌনসাসহ সিন্ধু প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এমন বহু ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কঠোর স্বাস্থ্যবিধি প্রয়োগ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না গেলে আগামী দিনগুলোতে ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে পাকিস্তানের স্বাস্থ্যখাত।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।