রাজধানীতে সন্ধ্যা নামলেই ছিনতাই আতঙ্ক – বর্ণমালা টেলিভিশন

রাজধানীতে সন্ধ্যা নামলেই ছিনতাই আতঙ্ক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ June, ২০২৫ | ৯:২৩ 230 ভিউ
রাজধানীবাসীর কাছে এক ভয়ংকর আতঙ্কের নাম ছিনতাই। কে কখন কোন এলাকায় এই অপরাধী চক্রের টার্গেটে পড়েন তা বলা মুশকিল। দিনের বেলায় মানুষের ভিড়ে এই অপরাধীদের তৎপরতা কিছুটা কম হলেও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় এদের ভয়ানক দৌরাত্ম্য। সড়ক-মহাসড়ক থেকে অলিগলি-সবখানেই তাদের বেপরোয়া তৎপরতা। কখনো কখনো এরা ভদ্রবেশে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। সুযোগ পেলেই পকেট বা ব্যাগ থেকে ছুরি, চাকু, চাপাতি এমনকি ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র বের করে ঠেক দিয়ে বসে। অধিকাংশ সময় এদের মুখে থাকে মাস্ক। দুই থেকে তিনজন একসঙ্গে কখনো মোটরবাইকে করে টার্গেট ব্যক্তির পাশ ঘেঁষে গিয়ে অস্ত্র ধরে। শব্দ করে প্রতিবাদ করতে চাইলে কোপ দিয়ে জখম করে ফেলে। এমন দৃশ্য প্রকাশ্য জনসম্মুখে ঘটলেও পথচারী বা অন্য নাগরিকরা প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। আক্রান্ত হওয়ার ভয় বা নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা ঘটনা দেখেও যেন না দেখার ভান করে চলে যান। এমন বাস্তবতায় ভুক্তভোগীকে একাই অরক্ষিত অবস্থায় এই শহরের অলিগলি সড়কে বেপরোয়া ছিনতাইকারীদের সঙ্গে লড়তে হয়। একপর্যায়ে সবকিছু খুইয়ে ভয়ানক ট্রমা নিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় পুলিশের কাছে গিয়েও তেমন একটা প্রতিকার পান না। গুরুতর আহত না হলে পুলিশ ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তির মামলা নিতে চায় না। আসন্ন কুরবানি ঈদ ঘিরে এই অপরাধী চক্রের দৌরাত্ম্য আরও বাড়ার আশঙ্কা নাগরিকদের। ১৮ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মগবাজার গ্রিনওয়ে গলিতে তিন ছিনতাইকারী চাপাতি হাতে প্রকাশ্যে ছিনতাই করে। ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ নেট দুনিয়ায় তোলপাড় হয়। ডিএমপির হাতিরঝিল থানায় গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ভুক্তভোগী মো. আব্দুল্লাহ (২০)। তিনি বলেন, ‘ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে আহত অবস্থায় ভোর ৬টার দিকে হাতিরঝিল থানায় গিয়েছিলাম। আমার শরীরে রক্তাক্ত জখম দেখাই পুলিশকে। তারা বলেছিল, হাসপাতাল থেকে মেডিকেল রিপোর্ট আনতে। আমি তখন মগবাজার কমিউনিটি হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে চিকিৎসা নিয়ে মেডিকেল রিপোর্টসহ ফের থানায় যাই। তখন পুলিশ বলে, এটাতে হবে না। ঢাকা মেডিকেলে যেতে হবে। আমি এমন আতঙ্কে ছিলাম যে, কোনো জায়গায় আর যাওয়ার ইচ্ছা শক্তি ছিল না। পরে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায় চলে আসি।’ মো. আব্দুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, ‘ফেসবুকে ছিনতাইয়ের সেই দৃশ্য ভাইরাল হলে ঘটনার কয়েকদিন পর হাতিরঝিল থানা পুলিশ মামলা নেয়। আসামি গ্রেফতারও করে কিন্তু এখনো আমার ১৪ হাজার টাকা ও মোবাইল ফেরত পাইনি। এ বিষয়ে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘কমিশনার স্যারের (ডিএমপি কমিশনার) স্পষ্ট নির্দেশনা আছে এসব ঘটনায় অভিযোগ নেওয়ার। এরপরও কেন এমন হয়েছে তা খতিয়ে দেখব।’ এমন বাস্তবতা রাজধানীর অধিকাংশ থানা এলাকায়। ছিনতাই নিয়ে বছরের পর বছর ধরে চলছে পুলিশের এমন লুকোচুরি। ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা না নিয়ে জিডি নেওয়া সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মামলা নিলে ডিএমপি সদর দপ্তরে নিয়মিত আপডেট জানাতে হয়। আসামি গ্রেফতারে চাপ থাকে। ফলে অনেক সময় মামলা নিতে গড়িমসি করে থানা পুলিশ। ডিএমপি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত বিভিন্ন থানায় ছিনতাইয়ের ৩১৮টি মামলা রেকর্ড হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে ৭৯, ফেব্রুয়ারিতে ৬১, মার্চে ৪১, এপ্রিলে ৪৩ ও মে মাসে ৯৪টি। সূত্র বলছে, মামলার এ সংখ্যার সঙ্গে ছিনতাইয়ের বাস্তব চিত্রের অনেক ফারাক। ছিনতাই মামলার সংখ্যা কম দেখিয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর গুনছেন থানার কর্তাব্যক্তিরা। ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এসএন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ছিনতাই একেবারে এলার্মিং সিসিয়েশনে (উদ্বেগজনক অবস্থায়) গেছে এমন নয়। ছিনতাই হচ্ছে, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। কিছু ছিনতাইকারী গ্রেফতার করে কারাগারে ঢুকিয়েছিলাম। এই সময়ে কিছু জামিনে বের হয়েছে। টহলের বাইরে রাতে আমরা চেকপোস্ট করছি।’ ভুক্তভোগীদের একজন স্টাফ রিপোর্টার (ক্রাইম) আসাদুল্লা লায়ন। তিনি গত ২৯ মে দিবাগত রাত ১২টায় অফিস ডিউটি শেষে নিকুঞ্জের বাসায় যাওয়ার পথে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। বিশ্বরোড রেলক্রসিং পার হয়ে বাসস্ট্যান্ডের ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাওয়ার পথে ছিনতাইকারীরা সুইচ গিয়ার চাকু ও ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে তার কাছ থেকে অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার সময় আশপাশে কোনো পুলিশি টহল ছিল না বলেও জানান তিনি। আসাদুল্লা বলেন, ‘ওই রাতেই আমি খিলক্ষেত থানায় যাই। কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি। তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থাও নেয়নি। একদিন পর ফের থানায় গিয়ে জিডি (সাধারণ ডায়েরি) করেছি।’ ২১ মে দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজধানীর কলেজগেট এলাকায় ছিনতাইকারীরা মো. কবির মিয়া (৪৩) নামে এক অটোরিকশা চালককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে নগদ টাকা ও অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া কাভার্ড ভ্যানে চট্টগ্রাম থেকে মাল বোঝাই করে ঢাকা হয়ে গাজীপুর যাওয়ার পথে ১৫ মে দিবাগত রাত ১টায় যাত্রাবাড়ীর কাজলা ব্রিজের ঢালে জ্যামে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। ৬ থেকে ৭ জন ছিনতাইকারী গাড়িতে ঢুকে চালক মো. মহিনকে কুপিয়ে ২৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ৬ মে রাতে কমলাপুর থেকে ট্রেনের ছাদে বিমানবন্দর রেলস্টেশনে যাওয়ার পথে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে আহমেদ আবির (২০) নামের এক শিক্ষার্থীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় ছিনতাইকারীরা। এর আগে ২১ এপ্রিল সন্ধ্যায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন বেগুনবাড়ি এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আরমান হোসেন পাপ্পু নামে এক যুবক নিহত হন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার দিকে আদাবর থানার শেখেরটেক এলাকায় রিকশাযাত্রী স্বামী-স্ত্রীকে আটকে অস্ত্রের মুখে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। সূত্র বলছে, ছিনতাইয়ের হট স্পটগুলোর মধ্যে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের অবস্থা বেশি নাজুক। নবোদয় হাউজিং এলাকায় বড় মসজিদ লাগোয়া খাল পাড়ের স্পটটি সবচেয়ে ভয়াবহ। একপাশে মোহাম্মদপুর থানা অন্য পাশে আদাবর থানা। এখানেই গড়ে উঠেছে ছিনতাইয়ের হটস্পট। সরেজমিন দেখা গেছে, কালভার্টের আশপাশে কোথাও কোনো সিসি ক্যামেরা নেই। সবুজ মিয়া নামে স্থানীয় একজন জানান, প্রায় প্রতিদিনই সন্ধ্যার পর সড়ক থেকে টার্গেট ব্যক্তিকে ধরে কালভার্টের ওপর ছিনতাই করে। কেউ কখনো বাধা দিলে তার ওপরও হামলা চলায়। ছিনতাইয়ের আরেকটি হটস্পট হাজারীবাগের শাজাহান মার্কেট স্বপ্নডাঙ্গা হাউজিংয়ের আশপাশের এলাকা। স্থানীয়রা জানান,প্রতিদিন রাত ৯টার পর শাজাহান মার্কেট এলাকায় ছিনতাইকারীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের