বাবার জন্য দাবা, ছেলের কথা রাখলেন মা – বর্ণমালা টেলিভিশন

বাবার জন্য দাবা, ছেলের কথা রাখলেন মা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ জুলাই, ২০২৫ | ১০:৪৯ 117 ভিউ
‘৫ জুলাই আমার জীবনের সবচেয়ে কালো দিন। ২০২৪ সালের ৫ জুলাই আর ২০২৫ এর ৫ জুলাই। কোথা দিয়ে যে সময়টা চলে গেল, বুঝতেই পারলাম না। এখনো মনে হয় জিয়া আমার পাশেই আছে। তাহসিনও ভাবে এই বুঝি বাবা তার ভুল চাল ধরিয়ে দেবে। আমরা ভাবতেই পারি না জিয়া নেই।’ শনিবার ছলছল চোখে কথাগুলো বলেন প্রয়াত গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী তাসমিন সুলতানা। জিয়ার স্মরণে এদিন ঢাকায় শুরু হয়েছে ‘জিএম জিয়া স্মৃতি দাবা-২০২৫’। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দাবাকক্ষে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব আমিনুল ইসলাম, ফেডারেশনের সভাপতি সৈয়দ সুজাউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক তৈয়বুর রহমান এবং আন্তর্জাতিক মাস্টার রানী হামিদ উপস্থিত ছিলেন। সাত দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ৬০ এবং নেপাল ও ভারতের তিনজন করে দাবাড়ু অংশ নিচ্ছেন। গত বছর এই দিনে খেলতে খেলতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন জিয়া। তার মৃত্যুদিনে শুরুতেই মোহাম্মদপুরে জিয়ার বাসার পাশে এতিমখানায় খাবার দেন তাসমিন। জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় পবিত্র কুরআন খতম দিয়েছেন তিনি। তাসমিন বলেন, ‘তাহসিন বলেছিল, বাবাকে মনে রাখতে হলে একটি টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে হবে। আমি তার কথামতো শুরু করেছি। সবাই সহযোগিতা করছে। এজন্য তাদের ধন্যবাদ।’ সাধারণ সম্পাদক তৈয়বুর রহমানের কথা, ‘আমরা প্রায় একসঙ্গে খেলা শুরু করেছিলাম। জিয়ার সঙ্গে অনেকবার খেলেছি। ওর গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার তিনটি নর্মের সময় আমি ছিলাম। তাই আমাকে জিয়া লাকি বলত।’ সহসভাপতি শোয়েব রিয়াজ বলেন, ‘জিয়ার স্মৃতিধন্য এই টুর্নামেন্ট আমরা প্রতিবছর করার চেষ্টা করব।’ সভাপতি সৈয়দ সুজাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমি জিয়ার বাবার সঙ্গে খেলেছি। তাকেও দেখেছি খেলতে। এমন মানুষকে হারাতে হবে ভাবতে পারিনি।’ রানী হামিদ বলেন, ‘জিয়ার বাবার সঙ্গে খেলেছি। তখন জিয়া অনেক ছোট। সে আসত। পরে তার সঙ্গেও খেলেছি। এখন তার ছেলের সঙ্গে খেলছি। আমার ইচ্ছে জিয়ার নাতি-নাতনিদের সঙ্গেও খেলার। আসলে জিয়া আমাদের পাশেই আছে।’

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন