ফিলিস্তিনিদের ৬০০ ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিল ইসরাইল – বর্ণমালা টেলিভিশন

ফিলিস্তিনিদের ৬০০ ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিল ইসরাইল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ মে, ২০২৫ | ৮:৪৭ 106 ভিউ
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর অভিযান টানা ১১৪তম দিনেও অব্যাহত রয়েছে। চলমান এই আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ৬০০টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানী বার্তা সংস্থা ইরনা। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, জেনিনে ইসরাইলি সামরিক তৎপরতা একটানা চলছে। স্থানীয় পৌরসভার হিসাব অনুযায়ী, শরণার্থী শিবিরের ভেতরে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০টি বাড়িঘর সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি বাড়িগুলোর অনেকগুলোও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেনিন পৌরসভা আরও জানায়, ইসরাইলি বাহিনীর লাগাতার গুলিবর্ষণ ও সশস্ত্র অভিযান এ শিবিরের বাসিন্দাদের দুর্ভোগকে চরমে পৌঁছে দিয়েছে। জেনিন শরণার্থী শিবিরে এই দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ একটি ‘পরিকল্পিত মানবিক সংকট ও গণদমননীতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এদিকে, কাতারে যুদ্ধবিরতি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যেই গাজায় ইসরাইলি হামলায় আরও ৮৪ জন নিহত হয়েছেন। উত্তর গাজা থেকে তাদের বাস্তুচ্যুত করার যে কোনো পরিকল্পনাকে সহজতর করবে এ হামলা। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার ভোর থেকে উত্তর গাজায় জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরসহ বেশকিছু স্থানে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে আরও ১০ জন নিহত হয়েছেন। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৫৩ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অব্যাহত হামলা চালিয়ে ইসরাইল গাজার বেশিরভাগ স্থাপনা ধ্বংস করে দিয়েছে এবং ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরল, উৎস নিয়ে প্রশ্নও তোলা যাবে না আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা দেশে বিনিয়োগ কমলেও জিডিপি বেড়েছে লাইফস্টাইল টিপস: এই তীব্র গরমে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে মুক্তিযুদ্ধ-বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বই থাকায় ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির ৩ শতাধিক বই জব্দ করল জেলা প্রশাসন মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ: ‘জীবন বাঁচাতে চুপ ছিলাম অন্তরীণ সরকারের সময়, তবু এনসিপি-জাশির আক্রমণ থামছে না’ থানায় পিঠ বাঁচলেও ডিসি অফিসে ধোলাই খেলেন পুলিশ হত্যাকারী সমন্বয়ক মাহাদী বাজেটে কমছে ও বাড়ছে যেসব পণ্যের দাম আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা