নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বগুড়ার প্রথম জুলাই শহীদের মা ১৬ মামলার আসামি হেরোইন ও বিভিন্ন মাদকসহ গ্রেপ্তার
হাটহাজারীতে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি বর্ষণ: আহত-১, এলাকায় চরম আতঙ্ক
সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: গ্রেপ্তার বাবুলের ৪ দিনের রিমান্ড
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে: নুরুল হক
সোনাগাজীতে স্কুলছাত্রীকে মারধোর করে কানের দুল ছিনিয়ে নিল যুবদলকর্মীরা
ঝিনাইদহে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
আয়নাবাজি: উধাও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রমজান, কারাগারে নিরপরাধ দিনমজুর সোনা মিয়া
তীব্র সমালোচনার মুখে ‘কাকতালীয়ভাবে’ পরিবর্তিত ইউনিয়নের নাম পুনর্বহালের নির্দেশনা
বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার নবগঠিত ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।
জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়ন দুটির নাম পরিবর্তনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নতুন নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের মতামত, এলাকার ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং ভৌগোলিক পরিচিতিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে পুনরায় গণশুনানির আয়োজন করা হবে বলেও তিনি জানান।
জেলা প্রশাসনের সূত্র জানিয়েছে, নতুন নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলার নবগঠিত চারটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে ‘মীরবাড়ী’ ইউনিয়নের নাম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলমের পৈতৃক বাড়ির নামের সঙ্গে মিল থাকায় সমালোচনার জন্ম দেয়।
অন্যদিকে ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম প্রতিমন্ত্রীর দুই ছেলে মীর শাকরুল আলম সীমান্ত এবং মীর সাকলাইন আলম দিগন্তের নামের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গন পর্যন্ত নানা মহলে এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
সমালোচনার মুখে জাতীয় সংসদে ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মীর শাহে আলম দাবি করেছিলেন, উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং গণশুনানির মাধ্যমে এসব নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। তার সন্তানদের নামের সঙ্গে মিল থাকাটা কাকতালীয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তবে স্থানীয়দের একাংশ অভিযোগ করেন, নামকরণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি এবং কথিত গণশুনানির কোনো দৃশ্যমান তথ্য-প্রমাণও পাওয়া যায়নি।
এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগকে বিতর্কের প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন নতুন নাম কী হয় এবং গণশুনানির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মতামত কতটা প্রতিফলিত হয়, সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।
