জীবনের সবচেয়ে ‘ভয়াবহ’ পরিস্থিতিতে খামেনি – বর্ণমালা টেলিভিশন

জীবনের সবচেয়ে ‘ভয়াবহ’ পরিস্থিতিতে খামেনি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ জুন, ২০২৫ | ৭:৩৯ 127 ভিউ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত শনিবার রাতে ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর সোমবার (২৩ জুন) মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন বিশ্ব দেখার অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান পাল্টা কী পদক্ষেপ নেয়। বিষয়টি নিয়ে একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির নেতৃত্বের সামনে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। খবর সিএনএনের। কার্নেগি এনডাউমেন্ট অফ ইন্টারন্যাশনাল পিসের করিম সাদ্দাদপুর সিএনএনকে বলেন, খামেনি সম্ভবত একজন স্বৈরশাসক হিসেবে তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। করিম সাদ্দাদপুর আরও বলেছেন, তিনি (খামেনি) বাঙ্কারে আছেন এবং তার বয়স ৮৬ বছর। তার বেশিরভাগ শীর্ষ সামরিক কমান্ডারকে হত্যা করা হয়েছে এবং আকাশসীমা তার নিয়ন্ত্রণ নেই, ইসরাইল নিয়ন্ত্রণ করছে। এই বিশ্লেষক আরও বলেছেন, এই যুদ্ধ থেকে বের হয়ে আসার উপায় নেই এবং তিনি এই যুদ্ধে জয়ী হতে পারবেন না। এদিকে গত সপ্তাহে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে খামেনি বলেন, ইরান আত্মসমর্পণ করবে না। তিনি যে কোনো মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। অন্যদিকে গত সপ্তাহে খামেনিকে হত্যায় ইসরাইলি পরিকল্পনার কথা উড়িয়ে দেন ট্রাম্প। তবে তিনি বলেন, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি সহজ টার্গেট।’ সবশেষ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রোববার ট্রাম্প ইরানের সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন শব্দটা ব্যবহার করা রাজনৈতিকভাবে সঠিক না। কিন্তু যদি বর্তমান ইরানি সরকার 'মেইক ইরান গ্রেট এগেইন' (ইরানকে আবার মহান করে তোলা) করতে না পারে, তাহলে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন হবে না কেন? এখন প্রশ্ন উঠেছে ইরানে কী হস্তক্ষেপের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা হবে। সিএনএন বলছে, এমন হলে ইরান বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে এবং এতে করে অঞ্চলজুড়ে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন