নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান, ১৯৯ বাংলাদেশিসহ আটক ৬৩০
ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছেই গেল এনসিটি
৫০ হাজার টাকায় লোক ভাড়া করে ককটেল বিস্ফোরণ, যুবক গ্রেফতার
বিপিসিকে ৪৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে সরকার
মশার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করতে ডিএসসিসির ১২ দিনব্যাপী জরিপ শুরু
পাকিস্তানের অনুমতি না মেলায় রূপপুরের ইউরেনিয়াম আসেনি
মা শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পুত্র সজীব ওয়াজেদের আবেগঘন বার্তা
চটপটি খাওয়ানোর কথা বলে ব্রিজের নিচে নিয়ে ছাত্রকে ধর্ষণ, মাদ্রাসার হাফেজকে গণপিটুনি
যশোরের চৌগাছায় ৭ বছর বয়সী ছাত্রকে ধর্ষণের হাফেজ নাজমুল ইসলাম (৩৫) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
৭ই আগস্ট, শুক্রবার রাত প্রায় ৮টার দিকে উপজেলার নারায়ণপুর কপোতাক্ষ নদের ব্রিজের নিচে এ ঘটনা ঘটে।
আটক শিক্ষক হাফেজ নাজমুল ইসলাম খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের আবু সাঈদ শেখের ছেলে। তিনি যশোর শহরের মোল্লাপাড়া এলাকার হাফিজিয়া বায়তুল মামুন মাদ্রাসার একজন শিক্ষক।
ভুক্তভোগী শিশুর চাচা ইমন হোসেন জানান, তার ৭ বছর বয়সী ভাতিজা মাদ্রাসাটিতে কোরান হেফজ শিখছে। শুক্রবার সকালে হাফেজ নাজমুল তার ভাতিজাকে নায়ানপুরে তার গ্রামের বাড়িতে যায়। সেখানে দাওয়াত খেয়ে। সন্ধ্যার দিকে চটপটি খাওয়ানোর নাম করে তাকে নারায়ণপুর কপোতাক্ষ নদীর ব্রিজের নিচে নিয়ে যায়।
তারপর ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। এসময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে ওই হাফেজকে ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।
শিশুটির ভাষ্যমতে পরিবার জানায়, এর আগেও ওই শিক্ষক শিশুটিকে এবং ওই মাদ্রাসার আরও্র কয়েকটি শিশুকে ধর্ষণ করেছেন।
চৌগাছা থানার ওসি মামুনূর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
