গ্রেটা থুনবার্গের সঙ্গে কেমন আচরণ করল ইসরায়েলি সেনারা – বর্ণমালা টেলিভিশন

গ্রেটা থুনবার্গের সঙ্গে কেমন আচরণ করল ইসরায়েলি সেনারা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ জুন, ২০২৫ | ১০:৪৪ 212 ভিউ
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজার পথে রওনা হওয়া মানবিক সহায়তা বোটের যাত্রীদের প্রতি অপমানজনক আচরণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই বোটে থাকা ফরাসি চিকিৎসক বাতিস্ত আঁদ্রে। এই বোটে ছিলেন সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক রাজনৈতিক দৈনিক পলিটিকো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ফ্রান্সে ফিরে সংবাদমাধ্যমকে আঁদ্রে জানান, যদিও শারীরিক নির্যাতনের কোনো ঘটনা ঘটেনি, তবে ইসরায়েলি সীমান্ত রক্ষীরা বোটের যাত্রীদের, বিশেষ করে থুনবার্গকে, উপহাস করেছেন এবং ঘুমাতে না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যেই আমরা ঘুমিয়ে পড়তাম, সঙ্গে সঙ্গে জোরে গান বাজানো হতো, কেউ কেউ নাচতও।’ আঁদ্রে আরও জানান, আটককৃত যাত্রীদের খাবার ও পানির জন্যও যথেষ্ট ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এই বোটটি ছিল ‘মাদলিন’, যা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের উদ্যোগে ইতালি থেকে ১ জুন গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় সাধারণ মানুষের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। সোমবার ভোরে গাজার উপকূল থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে ইসরায়েলি নৌবাহিনী বোটটি থামিয়ে যাত্রীদের আটক করে। মঙ্গলবার বাতিস্ত আঁদ্রে বলেন, ‘আমি আইনজ্ঞ নই, কিন্তু যা ঘটেছে তা নিঃসন্দেহে দুর্ব্যবহার।’ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের মতে, থুনবার্গ, আঁদ্রে এবং আরও দুই যাত্রী ফেরত পাঠানোর নথিপত্রে স্বাক্ষর করে মঙ্গলবারের মধ্যেই নিজ দেশে ফিরে যান। তবে বাকি যাত্রী ও কর্মীরা, যাদের মধ্যে রয়েছেন ফরাসি ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য রিমা হাসান, এখনো ইসরায়েলি হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের আদালতে তোলা হবে। সোমবার একটি পূর্বধারিত ভিডিও বার্তায় থুনবার্গ বলেন, তারা ‘ইসরায়েল কর্তৃক আটক ও অপহরণ’ হয়েছেন এবং তিনি সুইডিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, এই অভিযান ছিল ইসরায়েলের গাজা অবরোধ এবং চলমান মানবিক সংকটের বিরুদ্ধে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। তবে ইসরায়েলি সরকার এই অভিযানে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে এবং পুরো ঘটনাকে একটি ‘জনসংযোগের নাটক’ হিসেবে অভিহিত করে বোটটিকে ‘সেলফি ইয়ট’ বলে কটাক্ষ করেছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চাচার বাড়ি থেকে ফেরার পথে শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১ কেন ওয়াদুদকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিলেন জানালেন মৌসুমী অবসরের ঘোষণা দিলেন নেইমার উল্টোরথে ব্রাজিলের ‘মিশন হেক্সা কমপ্লিট’ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৮ জনের মৃত্যু দেশের ১২ জেলায় ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আভাস উলিপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে রাতভর ধর্ষণ যুক্তরাষ্ট্র আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু, আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে উচ্ছ্বসিত মন্তব্য জামায়াত আমিরের মাদ্রাসাছাত্রকে বছরজুড়ে শিক্ষক ও ৩ ছাত্রের ধর্ষণ: ‘ইসলামের স্বার্থে’ আপোস মীমাংসায় অভিভাবকদের সম্মতি ফুটপাতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ, বিএনপিকর্মী ল্যাংড়া খোকন পলাতক তুরাগ হত্যাকাণ্ড: বিবিসি বাংলার অনুসন্ধানে উঠে এলো লীগ কর্মীদের নির্মমভাবে হত্যার আরও বিশদ তথ্য জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয় সোনাগাজীতে যুবদল নেতার নেতৃত্বে অর্ধকোটি টাকার মাছবোঝাই ট্রাক ছিনতাই ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহের তাণ্ডব, তিন দেশে প্রাণ গেল ৩৭০০ মানুষের বিচারকের বাড়ি থেকে ১৯ লাখ টাকার সোনাসহ মামালাল চুরি: বিএনপির ২ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫ জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির জানাজায় যোদ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউটিউবে আসছে দৃষ্টিনন্দন ফিচার মেসিকে নিয়েই কেপ ভার্দের বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা