গ্রেটা থুনবার্গের সঙ্গে কেমন আচরণ করল ইসরায়েলি সেনারা – বর্ণমালা টেলিভিশন

গ্রেটা থুনবার্গের সঙ্গে কেমন আচরণ করল ইসরায়েলি সেনারা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ জুন, ২০২৫ | ১০:৪৪ 199 ভিউ
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজার পথে রওনা হওয়া মানবিক সহায়তা বোটের যাত্রীদের প্রতি অপমানজনক আচরণ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই বোটে থাকা ফরাসি চিকিৎসক বাতিস্ত আঁদ্রে। এই বোটে ছিলেন সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক রাজনৈতিক দৈনিক পলিটিকো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। ফ্রান্সে ফিরে সংবাদমাধ্যমকে আঁদ্রে জানান, যদিও শারীরিক নির্যাতনের কোনো ঘটনা ঘটেনি, তবে ইসরায়েলি সীমান্ত রক্ষীরা বোটের যাত্রীদের, বিশেষ করে থুনবার্গকে, উপহাস করেছেন এবং ঘুমাতে না দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যেই আমরা ঘুমিয়ে পড়তাম, সঙ্গে সঙ্গে জোরে গান বাজানো হতো, কেউ কেউ নাচতও।’ আঁদ্রে আরও জানান, আটককৃত যাত্রীদের খাবার ও পানির জন্যও যথেষ্ট ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এই বোটটি ছিল ‘মাদলিন’, যা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের উদ্যোগে ইতালি থেকে ১ জুন গাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় সাধারণ মানুষের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। সোমবার ভোরে গাজার উপকূল থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে ইসরায়েলি নৌবাহিনী বোটটি থামিয়ে যাত্রীদের আটক করে। মঙ্গলবার বাতিস্ত আঁদ্রে বলেন, ‘আমি আইনজ্ঞ নই, কিন্তু যা ঘটেছে তা নিঃসন্দেহে দুর্ব্যবহার।’ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের মতে, থুনবার্গ, আঁদ্রে এবং আরও দুই যাত্রী ফেরত পাঠানোর নথিপত্রে স্বাক্ষর করে মঙ্গলবারের মধ্যেই নিজ দেশে ফিরে যান। তবে বাকি যাত্রী ও কর্মীরা, যাদের মধ্যে রয়েছেন ফরাসি ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য রিমা হাসান, এখনো ইসরায়েলি হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের আদালতে তোলা হবে। সোমবার একটি পূর্বধারিত ভিডিও বার্তায় থুনবার্গ বলেন, তারা ‘ইসরায়েল কর্তৃক আটক ও অপহরণ’ হয়েছেন এবং তিনি সুইডিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, এই অভিযান ছিল ইসরায়েলের গাজা অবরোধ এবং চলমান মানবিক সংকটের বিরুদ্ধে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। তবে ইসরায়েলি সরকার এই অভিযানে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে এবং পুরো ঘটনাকে একটি ‘জনসংযোগের নাটক’ হিসেবে অভিহিত করে বোটটিকে ‘সেলফি ইয়ট’ বলে কটাক্ষ করেছে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন