নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গাজায় যুদ্ধবিরতি: হামাসের সঙ্গে ট্রাম্পের জামাতার বৈঠক
জিম্বাবুয়েতে নৌকাডুবি: নিহত বেড়ে ৬৮
মার্কিন পদক্ষেপে ইরানে সরকারের পাশে থাকবে বিরোধীরাও
জার্মানিতে নিয়ন্ত্রণে দাবানল, ইউরোপের যেসব দেশে এখনো জ্বলছে আগুন
৩ মিনিটে ৯০০ কর্মী ছাঁটাইকারী সেই সিইও নিজেই এবার চাকরিচ্যুত
দিল্লি বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বোমা হামলার হুমকি
দিল্লিতে প্রথমবার প্রকাশ্যে ‘ভিক্টরি ডে’ আয়োজন করছে তালেবান
ইরান যুদ্ধে বিপাকে ইরাক, তেল-বাণিজ্যে বড় ধস
ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরাকের তেল রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। দেশটির নতুন তেল-বিষয়ক মন্ত্রী বাসিম মোহাম্মেদ এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর আল আরাবিয়ার।
শনিবার (১৬ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এপ্রিল মাসে হরমুজ প্রণালি হয়ে ইরাক মাত্র ১ কোটি ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে। অথচ ইরান যুদ্ধের আগে প্রতি মাসে প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি হতো।
ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তেল রপ্তানি কমে গেছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বেড়ে গেছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি এখন খুবই সীমিত। তেলবাহী জাহাজের আগমনের ওপর এটি নির্ভর করছে। কিন্তু বীমা জটিলতার কারণে অনেক ট্যাংকার সেখানে প্রবেশ করছে না।’
তিনি আরও জানান, বর্তমানে ইরাক দৈনিক ১৪ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করছে।
এদিকে,বাগদাদ সরকার ও কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে সমঝোতার পর মার্চ মাসে কিরকুক-জেইহান তেল পাইপলাইন দিয়ে আবার তেল রপ্তানি শুরু হয়েছে।
বসিম মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা তুরস্কের জেইহান বন্দর দিয়ে বর্তমানে দৈনিক ২ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করছি। এটি বাড়িয়ে ৫ লাখ ব্যারেলে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়ানোর পরিকল্পনা
ইরাক এখন তেল ও গ্যাস খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য তুরস্কের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে। আগের চুক্তি শুধু অপরিশোধিত তেল রপ্তানির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।
এছাড়া শেভরন, এক্সনমোবিল, হ্যালিবার্টনসহ কয়েকটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তেল ও গ্যাস প্রকল্প উন্নয়নে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
এসব কোম্পানিকে দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষরের আহ্বান জানিয়ে তেলমন্ত্রী বলেন, এতে ইরাক বড় অঙ্কের রাজস্ব আয় করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, ‘ইরাক ওপেকের সঙ্গে আলোচনা করে দেশের উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে চায়। বাগদাদের লক্ষ্য হলো দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫০ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করা।’
বসিম মোহাম্মদ বলেন, ‘ওপেকের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে, যাতে ইরাকের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো যায়। রপ্তানি বাড়লে এবং ওপেক উৎপাদনসীমা শিথিল করলে ইরাক উল্লেখযোগ্য আর্থিক আয় করতে পারবে। ‘
তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরাকের ওপেক বা ওপেক+ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। বরং স্থিতিশীল ও গ্রহণযোগ্য তেলের দাম নিশ্চিত করতে শক্তিশালী ওপেক ব্যবস্থাকেই সমর্থন করছে দেশটি।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।