অসুস্থ ও আহত যুদ্ধবন্দিদের বিনিময় করল রাশিয়া ও ইউক্রেন – বর্ণমালা টেলিভিশন

অসুস্থ ও আহত যুদ্ধবন্দিদের বিনিময় করল রাশিয়া ও ইউক্রেন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ জুন, ২০২৫ | ৯:১৮ 185 ভিউ
তুরস্কে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনার পর রাশিয়া ও ইউক্রেন মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা অসুস্থ ও গুরুতর আহত যুদ্ধবন্দিদের একটি বিনিময় সম্পন্ন করেছে। কতজন বন্দি এই বিনিময়ে অংশ নিয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। বুধবার (১১ জুন) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। এর আগের দিন, ২৫ বছরের নিচে বয়সিদের নিয়ে প্রথম ধাপের বন্দি বিনিময় সম্পন্ন হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে বলেন, আজ আমাদের গুরুতর আহত ও অসুস্থ সেনাদের রাশিয়ার বন্দিদশা থেকে ফেরানোর প্রথম ধাপ শুরু হলো। তাদের প্রত্যেকেরই অবিলম্বে চিকিৎসার প্রয়োজন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক পদক্ষেপ। তিনি জানান, এ ধরনের বিনিময় প্রক্রিয়া আরও চলবে। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের সব বন্দিকে খুঁজে বের করে ফিরিয়ে আনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। একটি সরকারি ভিডিওতে দেখা যায়, ইউক্রেনের পতাকা কিংবা তাদের নিজ নিজ ইউনিটের পতাকায় মোড়ানো বন্দিরা বাস থেকে নামছে এবং অনেকেই ‘গৌরব ইউক্রেনের’ স্লোগান দিচ্ছেন। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, মুক্তিপ্রাপ্ত অধিকাংশ সেনা গুরুতর আঘাত, সংক্রমণ, অঙ্গচ্ছেদ এবং ট্রমার শিকার। নিরাপত্তার কারণে বিনিময় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই মুক্তিপ্রাপ্তদের সঠিক সংখ্যা জানানো হবে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রুশ বন্দিদের বেলারুশে নেওয়া হয়েছে—যে দেশটি উভয় যুদ্ধে জড়িত দেশের সীমানায় অবস্থিত—সেখান থেকে তাদের রাশিয়ায় ফিরিয়ে এনে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তুরস্কে দীর্ঘ তিন বছর পর আবার শুরু হওয়া শান্তি আলোচনায় এখন পর্যন্ত একমাত্র দৃশ্যমান অগ্রগতি হলো এই বন্দি বিনিময়। গত মাসেও দুই পক্ষ হাজার হাজার বন্দিকে বিনিময় করে—যুদ্ধ শুরুর পর সবচেয়ে বড় বিনিময় এটি। গত সপ্তাহের আলোচনায় উভয় পক্ষ মৃত সেনাদের মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে সম্মত হয়েছে, তবে এ প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন