অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাই নির্ধারণ করবে চাকসুর ফল – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
115 ভিউ

আরও খবর

ছাত্রলীগ-কে মবযোগ্য/হত্যাযোগ্য করে তোলা জুলাইয়ের ‘কালচারাল বয়ান’ এবং অতঃপর……

যবিপ্রবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা, তানভীর আহ্বায়ক

ছাত্রী হলের ওয়াশরুমের গোপন ভিডিও করা ক্যান্টিনকর্মী আটক, বিক্ষোভে উত্তাল খুবি

জুলাই চেতনা আজ কোথায়! আবু সাঈদের ক্যাম্পাসেও শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে বিভিন্ন কোটায়

আবু সাঈদের স্মরণসভা ফাঁকা দেখে হতাশ মন্ত্রী: ‘বেরোবি চত্বর পরিপূর্ণ থাকলে আবু সাঈদ কবরে শান্তি পেত’

সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহি: এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞানে প্রশ্নপত্রের ভুলের দায় স্বীকার, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে পূর্ণমান দেয়ার প্রতিশ্রুতি

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনে অনড় শিক্ষামন্ত্রীঃ ‘কোন পদত্যাগ হবে না’, চট্টগ্রাম বাদে সব বোর্ডের পরীক্ষা অব্যাহত থাকবে

অনাবাসিক শিক্ষার্থীরাই নির্ধারণ করবে চাকসুর ফল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ | ৯:৫৬ 115 ভিউ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হওয়ার পর থেকেই পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন প্রার্থী চূড়ান্তকরণে ব্যস্ত সময় পার করছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি সংগঠন প্যানেল ঘোষণা করেছে, বাকিরা নিচ্ছেন প্রস্তুতি। তবে এবারের নির্বাচনে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা সবচেয়ে বেশি, তার মধ্যে অন্যতম অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোটদান এবং তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চাকসু নির্বাচনের ফল নির্ধারণে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবেন এই শিক্ষার্থীরাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ হাজার ৫১৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য আবাসিক হল রয়েছে মাত্র ১৪টি, যেখানে আসনসংখ্যা প্রায় ৬ হাজার ৩৬৯টি। নানাভাবে ভাগাভাগি করে সর্বোচ্চ ৯ হাজার শিক্ষার্থী হলে অবস্থান করতে পারলেও বাকি প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষার্থী হলের বাইরে অবস্থান করছেন, যাদের বড় একটি অংশ শহরে বসবাস করছেন। অনেকেই গ্রামে থাকা কটেজ ছেড়ে নিরাপত্তাজনিত কারণে শহরে উঠে এসেছেন। ফলে এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। শহরে থাকা শিক্ষার্থীদের ভোট নিশ্চিত করতে বিশেষ বাস সার্ভিস, শাটল ট্রেনের সময়সূচি বাড়ানো কিংবা শহরেই ভোটকেন্দ্র স্থাপনের দাবি উঠেছে। আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী আল মোদাসসের বলেন, শহরে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা করা হলে তারা ভোটদানে আগ্রহী হবে। সমাজতত্ত্ব বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রায়হান আলম মনে করেন, শহরে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা গেলে ভোটারদের অংশগ্রহণ আরও বাড়বে। ছাত্রদলের শাখা সিনিয়র সহসভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন বলেন, গ্রামবাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর অনেকে নিরাপত্তা শঙ্কায় শহরে চলে গেছেন। তাই শহরে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করলে অংশগ্রহণ বাড়বে। প্রশাসনের সুবিধাজনক স্থানে তিন থেকে পাঁচটি ভোটকেন্দ্র করা যেতে পারে। স্টুডেন্টস এলায়েন্স ফর ডেমোক্রেসির মুখপাত্র জগলুল আহমেদ বলেন, শহরের শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এ জন্য তাদের জন্য শাটল ট্রেনের সময়সূচি বাড়ানো এবং প্রয়োজন হলে শহরে ভোটকেন্দ্র করা যেতে পারে। ছাত্র অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব রোমান রহমান বলেন, শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট ও উপজেলাগুলোতে বাস সার্ভিস চালু করতে হবে। না হলে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হবে। তবে ভিন্ন মত পোষণ করেন ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী। তিনি মনে করেন, শহরে ভোটকেন্দ্র করা হলে নির্বাচনে অস্বচ্ছতা তৈরি হবে এবং পেশিশক্তি ব্যবহারের ঝুঁকি বাড়বে। এদিকে এখনো চূড়ান্ত হয়নি কোন ধরনের ব্যালট বক্স ব্যবহার হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্বচ্ছ ব্যালট বক্স ব্যবহারের চেষ্টা চলছে, তা সম্ভব না হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ব্যালট বক্স ব্যবহৃত হবে। ভোট গণনা হাতে নাকি ওএমআর মেশিনে হবে, সেটিও এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন জানিয়েছেন, ভোটকেন্দ্র ক্যাম্পাসেই থাকবে। শহরে কেন্দ্র করার সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। সবদিক বিবেচনায় অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন পরিপূর্ণ হবে না—এমনটাই মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংগঠনের নেতারা। তারা বলছেন, এই বিশাল ভোটার গোষ্ঠীই নির্ধারণ করে দিতে পারে এবারের চাকসুর ভাগ্য।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নিখোঁজ কাস্টমসকর্মীর ১৫ টুকরা লাশ পুকুরে তেলের দামে মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা চলতি মাসে দেশজুড়ে টানা বৃষ্টি ও বন্যার আভাস স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ ও বিয়েতে বাধা দেওয়া যাবে না: ভারতীয় হাইকোর্ট কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় কারাগারে পাঠানো সেই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার গভীর রাতে তরুণীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় আটক ইসলামী ছাত্র আন্দোলন নেতা- ‘আগেই বিয়ে হয়েছে’ ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণের বাঁধ কেটে বালি-মাটি লুটছেন বিএনপির নেতারা বাংলাদেশের রপ্তানি-কনটেইনার বুকিং কমিয়ে ফ্রেইট রেট বাড়াল শিপিং কোম্পানি: লিড টাইম ও ব্যয় বাড়ল দ্বিগুণ গ্যাস সংকটের মাঝেই এলপিজির দাম বাড়াল সরকার: মড়ার ওপর যেন খাঁড়ার ঘা শ্রীলঙ্কা সিরিজে অনিশ্চিত জাসপ্রীত বুমরাহ গোপনে প্রবাসীর স্ত্রীর স্নানের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, গ্রেপ্তার শফিকুল মাথাচাড়া দিচ্ছে জঙ্গিবাদ, ফিরে এলো বোমাতঙ্ক: এক সপ্তাহে উদ্ধার দুই আইইডিতে সেই পুরনো প্যাটার্ন জাপানের অর্থে নির্মিত, সেই জাপানকে হটিয়ে বন্দর-বোয়িং-জ্বালানি চুক্তির মতো থার্ড টার্মিনালও চায় যুক্তরাষ্ট্র! একই দিনে রাজধানীজুড়ে জোড়া বোমাতঙ্ক: মিরপুর ও ফার্মগেট মেট্রোস্টেশন তোলপাড় প্রধানমন্ত্রীর আগে শুক্রবার রাতে সাবের হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক হয় সার্জিও গোরের আমন মৌসুমের শুরুতেই সারের কৃত্রিম সংকট: সিন্ডিকেটে জিম্মি কৃষক বড় লোকসানের শঙ্কায় ২০৩০ বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হতে পারেন আর্জেন্টিনার ৬ ফুটবলার বাজারের বেশিরভাগ সবজি শতক হাঁকালেও কাঁচা মরিচ একাই ৪০০ নট আউট ‘ফুটবলের জন্য ক্ষতিকর চুক্তি’: ইনফান্তিনোর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার পদত্যাগ মাত্র এক দশকেই এলএনজি রপ্তানিকারক সব দেশকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থানে যুক্তরাষ্ট্র