পায়রা ও আদানিকে রেকর্ড ক্যাপাসিটি চার্জ প্রদান: গত অর্থবছরে কেন এত বেশি দিতে হলো? – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
প্রকাশিতঃ ২৯ আগস্ট, ২০২৬
৫:৩০ অপরাহ্ণ
35 ভিউ

পায়রা ও আদানিকে রেকর্ড ক্যাপাসিটি চার্জ প্রদান: গত অর্থবছরে কেন এত বেশি দিতে হলো?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ আগস্ট, ২০২৬ | ৫:৩০ 35 ভিউ
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ক্যাপাসিটি চার্জ পেয়েছে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র। বাংলাদেশ-চীন যৌথ বিনিয়োগে নির্মিত এ কেন্দ্রটি ওই অর্থবছরে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ ৫ হাজার ৮৭১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা পেয়েছে। আগের অর্থবছর (২০২৩-২৪) এর পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ২৬৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরেই বেড়েছে ১ হাজার ৬০৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বা ৩৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। অথচ ওই সময়ে কেন্দ্রটির সক্ষমতার গড়ে মাত্র ৬৯ শতাংশ ব্যবহার হয়েছে (৩১ শতাংশ অব্যবহৃত)। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আদানি পাওয়ার। ভারতের ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় নির্মিত এ কেন্দ্রটির সক্ষমতার ৬১ শতাংশ ব্যবহার হয়েছে গত অর্থবছরে। অর্থাৎ ৩৯ শতাংশ সক্ষমতা অব্যবহৃত ছিল। তারপরও আদানিকে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ ৫ হাজার ৪০৪ কোটি ৭ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। কেন এত বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ? ক্যাপাসিটি চার্জ হলো বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ উসুলের জন্য দেওয়া নির্দিষ্ট অর্থ। চুক্তি অনুযায়ী কেন্দ্র চালু থাকলেই এটি দিতে হয়—বিদ্যুৎ কেনা হোক বা না হোক। আদানির ক্ষেত্রে গড্ডা কেন্দ্রের সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য অংশ (৩৯ শতাংশ) অব্যবহৃত থাকার পরও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করতে হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চুক্তির শর্ত অনুসরণ করে পূর্ণ বা কাছাকাছি সক্ষমতায় বিদ্যুৎ কিনতে না পারার কারণেই এই অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পেমেন্ট সংকট, শীতকালে চাহিদা কমে যাওয়া এবং উচ্চমূল্যের বিদ্যুৎ কম কেনার কৌশলের কারণে ব্যবহার ৬১ শতাংশে নেমে আসে। পায়রা কেন্দ্রের ক্ষেত্রেও একই চিত্র। সক্ষমতার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অব্যবহৃত থাকার কারনে ক্যাপাসিটি চার্জ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতামত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিদ্যুৎ খাতের চুক্তিগুলো পর্যালোচনা চলছে। সমালোচকরা বলছেন, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ কিনতে ব্যর্থতাই ক্যাপাসিটি চার্জের মূল কারণ। অন্যদিকে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মৌসুমি চাহিদা, জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে সব সময় পূর্ণ সক্ষমতায় কেনা সম্ভব হয় না। তবে চুক্তি অনুযায়ী অব্যবহৃত সক্ষমতার জন্যও অর্থ দিতে হয়—এটিই বর্তমান বাস্তবতা। বিপিডিবির তথ্য বলছে, গত অর্থবছরে মোট ক্যাপাসিটি চার্জের পরিমাণ রেকর্ড ছুঁয়েছে। পায়রা ও আদানির মতো বড় কেন্দ্রগুলোতেই এর সিংহভাগ চলে গেছে। এই খরচ কমানোর জন্য চুক্তি পুনর্বিবেচনা ও সক্ষমতা ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
উড়োজাহাজ থেকে ২০ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদন নিয়েও সংসদে বিতর্ক ইউনিয়নেও প্রশাসক বিএনপি নেতারা, ভোট বন্ধের শঙ্কা জামায়াতের সিরিয়ার কাছে তিন গোলের হার বাংলাদেশের দ্বাদশ শ্রেণি পার না হওয়ার আক্ষেপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক কারিনা দুধ ছাড়াও ক্যালসিয়াম পাবেন যেসব খাবার থেকে শুভ জন্মাষ্টমী আজ রাউজানে বিএনপির সমর্থককে গুলি করে হত্যা নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন রোববার মেসিকে বিদায়ী সম্মাননা জানাতে বিশেষ উদ্যোগ নিল আর্জেন্টিনা যেসব বিষয় নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা নিষিদ্ধ তনু হত্যায় দুই সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ ‘৬ মাসে ২ লাখ বাংলাদেশি নেবে মালয়েশিয়া’: শাহে আলমের বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলল মালয়েশিয়ান সরকার এশিয়ান গেমসের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন শান্ত দ্বীনি শিক্ষার নামে মাদ্রাসায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী সমন্বয়ে ধর্ষকচক্র: ৭ বছরের ছাত্রের জবানবন্দিতে উঠে এলো ভয়ঙ্কর চিত্র অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ইউনূসের থ্রি জিরোর পর এবার এলো তারেক রহমানের ‘থ্রি আর’ স্ট্র্যাটেজি দাগনভূঞায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে সাংবাদিক-পুলিশসহ আহত ২০ ব্যক্তিগত চ্যাট গোপন রাখতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার বেতন দ্বিগুণ সেবা অনিশ্চিত প্রকাশ্যে মার্কিন প্রশাসনের অন্তর্দ্বন্দ্ব