নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অ্যান্টোনিও সেগুরোর জয়
লেবাননে ভবন ধসে ১৪ জন নিহত
ইসলামপন্থি বা ইসরাইল কোনোটিই নয়, যুবরাজ সালমান হাঁটছেন ভিন্ন পথে
লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবে শিশুসহ ৫৩ প্রাণহানী
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কংগ্রেসম্যান, সরকারি কর্মকর্তা এবং কয়েকটি এনজিও প্রধানের ওপর পালটা নিষেধাজ্ঞা চীনের
যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কংগ্রেসম্যান, সরকারি কর্মকর্তা এবং কয়েকটি এনজিও প্রধানের ওপর পালটা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন। হংকং ইস্যুতে ‘জঘন্য আচরণ’ করার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকালে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর রয়টার্সের। তিনি বলেন, গত মাসে চীনের মূল ভূখণ্ড ও হংকংয়ের ছয়জন কর্মকর্তাকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে এই পালটা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ‘চরম নিন্দা’ জানিয়ে গুও জিয়াকুন বলেন, হংকংয়ের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র যদি আরও কোনো ভুল পদক্ষেপ নেয়, চীনের দিক থেকেও শক্ত ও পালটা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৩১ মার্চ চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকং এবং চীনের মূল ভূখণ্ডের ছয়জন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে ওয়াশিংটন। তারা জাতীয় নিরাপত্তা ও উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা। এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের অভিযোগ ছিল, হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থি ১৯ রাজনীতিবিদ ও অ্যাকটিভিস্ট চুপ করে দিতে এবং উত্ত্যক্ত করতে তারা জাতীয় নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করেছিলেন। ২০২৩ সালে পাস হওয়া জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীন উল্লিখিত ১৯ বিরোধী রাজনীতিবিদ ও অ্যাকটিভিস্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে হংকং। বিতর্কিত আইনটি পাস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা হংকং ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমান। ওই ব্যক্তিদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য জনপ্রতি এক লাখ ২৮ হাজার ৫০০ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করে হংকং পুলিশ। এই ১৯ ব্যক্তির মধ্যে ১৩ জনকে পলাতক ঘোষণা করে এবং তাদের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে। ২ এপ্রিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর নতুন করে পালটা শুল্কের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রাথমিকভাবে চীন থেকে আমদানি করা পণ্যে ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে তা বাড়িয়ে ১৪৫ শতাংশ করা। জবাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যে ১২৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করে চীন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।