নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে কঠোর নিরাপত্তা, যুবলীগ কর্মীসহ আটক ৪
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে যা বললেন রণধীর জয়সওয়াল
ফের বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট
গঙ্গা চুক্তি নবায়ন: ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন কূটনৈতিক পরীক্ষা
গণপরিবহনের কালো ধোঁয়ায় ঝাঁঝরা হচ্ছে ফুসফুস
ট্রাকচালক হোসেন হত্যা: শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের ৩৪ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ফের পেছাল
অভিনব পদ্ধতিতে অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা সরিয়ে গড়া হয় খামার!
দেয়ালের ভেতর ১১৭ কোটি টাকার স্বর্ণ
বেলজিয়ামে একটি বাড়ি সংস্কারের সময় মাটির নিচের দেয়ালের ভেতর থেকে প্রায় ৯০ লাখ ইউরো, বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১৭ কোটি টাকার বেশি মূল্যের বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার ও মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। ড্রেন তৈরির জন্য পাইপ বসানোর কাজ করতে গিয়ে নির্মাণশ্রমিকরা হঠাৎ এই গুপ্তধনের সন্ধান পান।
ঘটনাটি ঘটেছে বেলজিয়ামের ডেন্ডারমন্ডে। সংস্কারকাজের সময় শ্রমিকরা দেয়ালে ড্রিল করার পর প্রথমে কিছু মুদ্রা বেরিয়ে আসতে দেখেন।
সেগুলোকে সাধারণ এক ইউরোর মুদ্রা মনে করেছিলেন তারা। পরে দেয়ালের ভেতর স্বর্ণের বার দেখতে পেয়ে বুঝতে পারেন, তারা বিশাল এক গুপ্তধনের সন্ধান পেয়েছেন।
শ্রমিকরা সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি স্থানীয় পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ পুরো বাড়ি তল্লাশি করে উদ্ধার করা স্বর্ণ নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।
একই সঙ্গে ভবনটির আশপাশে ভিড় না করতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। স্বর্ণের উৎস ও প্রকৃত মালিকানা নিয়ে তদন্তও শুরু হয়েছে।
দাতব্য সংস্থার বাড়িতে মিলল গুপ্তধন
যে বাড়ি থেকে স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে, সেটি বর্তমানে স্থানীয় একটি দাতব্য সংস্থার মালিকানাধীন। সংস্থাটি মানুষের কল্যাণে কাজ করে। স্বর্ণের প্রকৃত মালিকের সন্ধান না মিললে বিপুল এই সম্পদ তাদের সেবামূলক কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদ্ধার করা গুপ্তধনের মধ্যে স্বর্ণের বার ও বিপুলসংখ্যক মুদ্রা রয়েছে। স্বর্ণের কয়েকটি বারে ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকের তারিখের ছাপ পাওয়া গেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এত বছর ধরে এই বিপুল সম্পদ দেয়ালের ভেতর কীভাবে এবং কেন লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, তা নিয়েও রহস্য তৈরি হয়েছে।
পাঁচ বছর মালিকের অপেক্ষা
বেলজিয়ামের আইনে উদ্ধার করা মূল্যবান সম্পদের প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার জন্য পাঁচ বছর সময় দেওয়ার বিধান রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কেউ মালিকানা দাবি করলে বিষয়টি আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।
তবে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রকৃত মালিকের সন্ধান না পাওয়া গেলে এবং স্বর্ণের সঙ্গে কোনো অপরাধের যোগসূত্র পাওয়া না গেলে, আইন অনুযায়ী সম্পদটির মালিকানা নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে বাড়ির মালিক দাতব্য সংস্থা এবং গুপ্তধন উদ্ধারে জড়িত শ্রমিকদের মধ্যে সম্পদ ভাগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে বিপুল স্বর্ণ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাস্থল ঘিরে মানুষের কৌতূহল বেড়েছে। নিরাপত্তার কারণে পুলিশ সেখানে অনধিকার প্রবেশ না করার জন্য সতর্ক করেছে।
সূত্র: বিবিসি

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।