নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশের ১২ জেলায় ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আভাস
তুরাগ হত্যাকাণ্ড: বিবিসি বাংলার অনুসন্ধানে উঠে এলো লীগ কর্মীদের নির্মমভাবে হত্যার আরও বিশদ তথ্য
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
গুহা-ঝরণা আর পাহাড় দেখতে খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে
পাহাড়, অরণ্য, লেক, ঝিরি-ঝর্ণা ও উপত্যকার অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা প্রাকৃতিক জনপদ খাগড়াছড়ি। সারা বছরই কমবেশি পর্যটকের ভিড় থাকলেও ঈদের টানা ছুটিতে তা কয়েকগুণ বেড়েছে। জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
ঈদের ছুটির তৃতীয় দিনেও আলুটিলা রহস্যময় সুড়ঙ্গ, ঝুলন্ত ব্রিজ, তারেং, রিছাং ঝর্ণা, মায়াবিনী লেক ও মানিকছড়ি ডিসি পার্কসহ জনপ্রিয় পর্যটন স্পটগুলোতে ভিড় করছেন পর্যটকরা। সবুজ পাহাড়ের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন প্রকৃতির সান্নিধ্যে।
চট্টগ্রাম থেকে বেড়াতে আসা সানজিদা করিম বলেন, ‘বাবা ও মায়ের সাথে প্রথম খাগড়াছড়ি আসা। প্রথমে আমরা রিছাং ঝরণায় যায়। সেখান থেকে তারেং। এখন আলুটিলায় এসেছি। এখানে এসে গুহায় ঢুকেছি। খুবই রোমাঞ্চকর মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে খুব ভালো লেগেছে। আলুটিলা পাহাড় থেকে পুরো শহর পাখির চোখে দেখা যায়।’
আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে বেড়াতে আসা পর্যটক ফাহমিদা হক ও জাহিদুল মতিন বলেন, ‘আমরা ঈদের প্রথমদিনই খাগড়াছড়ি এসেছি। এরপর সাজেকে একরাত ছিলাম। এখন একটু রুক্ষ সময়। প্রকৃতি পুরোপুরি সবুজ হয়নি। তারপরও প্রচুর ভিড় সেখানে। তাপমাত্রা কম থাকায় স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করেছি। তবে এসময়ে ঝরণায় পানি কিছুটা কম।’
ঢাকা থেকে আসা আরেক পর্যটক শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘টানা বন্ধে এবার খাগড়াছড়ি ও সাজেক ভ্রমণ করেছি। পাঁচ বছর আগে খাগড়াছড়িতে এসেছিলাম। তবে এবার এসে অনেক পরিবর্তন দেখলাম। বিশেষ করে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র ও জেলা পরিষদ পার্কটা অনেক বদলে গেছে। পুরো ভ্রমণটা বেশ উপভোগ্য হয়েছে।’
পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়ায় খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। খাগড়াছড়ির অভিজাত আবাসিক হোটেল গাইরিংয়ের ব্যবস্থাপনক প্রান্ত ত্রিপুরা বলেন, ‘আমাদের হোটেলে ৪০টির বেশি কক্ষ আছে। ঈদের পরদিন থেকে আমাদের হোটেলের ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকিং আছে। আগামী শুক্র -শনিবার পর্যটকদের এমন ভিড় থাকবে।’
আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক চন্দ্র কিরণ ত্রিপুরা বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পর্যটকের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করতে। প্রতিদিন আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে ৪ থেকে ৫ হাজার দর্শনার্থী আলুটিলা ভ্রমণ করছেন।’
খাগড়াছড়ি ট্যুরিস্ট পুলিশের উপপরিদর্শক নিশাত রায় বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা সর্বদা সতর্ক রয়েছি। কোনো ধরনের সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুর্গম এলাকায় পর্যটকেরা ভ্রমণে গিয়ে যদি কোনো বিপাকে পড়ে সেক্ষেত্রে তারা যদি ৯৯৯ য়ে কল দেয়। আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করতে পারব।’

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।