ফিট থাকতে ঘুম থেকে ওঠার পর যেসব কাজ জরুরি – বর্ণমালা টেলিভিশন

ফিট থাকতে ঘুম থেকে ওঠার পর যেসব কাজ জরুরি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ আগস্ট, ২০২৫ | ৭:২৩ 178 ভিউ
ফিট থাকতে জীবনযাপন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা খুবই জরুরি। অনেকের ধারনা, শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে কিংবা শরীরচর্চা করে ওজন কমে। কিন্তু ফিট থাকতে সময় মতো সঠিক খাবার খাওয়া, সঠিক শরীরচর্চা করা, রাতে ৭-৮ ঘণ্টার ঘুম সবই জরুরি। এ কারণে ফিটনেসের রুটিন ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। অনেকেই রাত জাগেন, দেরীতে ঘুম থেকে উঠেন। কিন্তু ফিট থাকতে হলে প্রতিদিন নিয়ম করে রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়া ও খুব সকালে ঘুম থেকে উঠা জরুরি । এতে শরীরের জৈবিক ঘড়ি একদম সঠিক ছন্দে চলবে। এছাড়াও ফিট থাকতে আরও যা যা করা দরকার- ডিটক্স ওয়াটার খান ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে দুই গ্লাস পানি পান করুন। এতে পেট পরিষ্কার হবে, শরীরও হাইড্রেটেড থাকবে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি হালকা গরম পানিতে দারুচিনির গুঁড়ো কিংবা লেবুর রস মিশিয়ে খান। এতে ইনসুলিন সেনসিভিটি উন্নত হয় এবং ইমিউনিটি বাড়ে। সকালের নাশতায় সঠিক খাবার রাখুন সকালের নাশতা কোনোভাবেই এড়ানো ঠিক নয়। সকালের নাশতায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখবেন। সাথে ফাইবার রাখাটাও জরুরি। সকালের নাশতায় টকদই, চিয়া সিডস, আটার রুটি, ডিম সিদ্ধ, ওটস ইত্যাদি রাখতে পারেন। চিনি ও ময়দা থেকে দূরে থাকুন চিনি ও রিফাইন্ড কার্বস থেকে দূরে থাকুন। চিনি ও ময়দার তৈরি খাবার সকালের নাশতায় রাখবেন না। এতে সুগার লেভেল বাড়তে পারে। এই দুই খাবার খাদ্যতালিকা থেকে পুরোপুরি বাদ দিন। কফি খান অনেকেই দিন শুরু করে চা-কফি দিয়ে। কিন্তু খালি পেটে চা-কফি খাওয়া ঠিক নয়। এতে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়ে। তাই চা-কফি সব সময় ভারী নাশতা খাওয়ার পরই খাবেন। রোদে হাঁটুন গায়ে রোদ লাগানোও জরুরি। সানস্ক্রিন মেখে হলেও রোদে ১০ মিনিট হাঁটুন। সকালবেলায় যখন রোদের তেজ কম থাকে, তখন রোদে হাঁটতে পারেন। এতে দেহে ভিটামিন ডি তৈরি হবে। পাশাপাশি দেহের জৈবিক ঘড়িও সঠিক ছন্দে চলবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কোনোভাবেই খাড়া হচ্ছে না শেয়ারবাজার: ফের মন্দা, কমেছে লেনদেন ও অধিকাংশ শেয়ারের দর আয় বাড়ছে না, ক্রমশ বেড়ে চলেছে জীবনযাত্রার ব্যয় ১৫ দিনের সংকটের পর একদিনের স্বস্তি, আবার গ্যাস নেই! বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে গ্যাস সংকটে নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর কারখানা বন্ধ: কর্মহীন শ্রমিকেরা, বিপাকে মালিকপক্ষ কারাগার থেকে পালানো জঙ্গি বন্দিদের তথ্য প্রকাশের পরেই আইজি প্রিজন প্রত্যাহার প্রকৃত ইমাম-খাদেমদের বাদ দিয়ে তালিকায় ঢোকানো হলো জামায়াত-শিবির কর্মীদের নাম চাঁদাবাজির কবলে সন্দ্বীপের নৌরুট: ঘাটে আটকা পড়ে চিকিৎসার অভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭ রবার্তো কার্লোসের ইসলাম গ্রহণের গুজব: আসল সত্য কী? ১৫ অগাস্টের কর্মসূচির চেষ্টা করায় বাংলাদেশ জাসদের কার্যালয় উচ্ছেদ করছে সরকার ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী: দ্রব্যমূল্য কমাতে সময় লাগবে, ছয় মাসে দৃশ্যমান ফল চাওয়া ঠিক নয় রাশিয়া থেকে গম আমদানি ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগ, ব্যাখ্যা দিলো রুশ দূতাবাস শেখ হাসিনার আমলে নির্মিত থার্ড টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ বিএনপি সরকারের মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধে ওয়ার্নারের সাজা ম্যানচেস্টার সিটি ছেড়ে বার্সেলোনায় রদ্রি ঢাবিতে জঙ্গি সংশ্লিষ্ট বক্তা আনার নেপথ্যে শিবির, অন্ধকারে হল কর্তৃপক্ষ ১,৮৫০ কোটি টাকার এলএনজি কেনাকাটা, কমিশন-বাণিজ্যের ঝুঁকি কতটা এবার ‘পিংক বাস’ নামে নতুন যাত্রা ‘ভারতের সাথে দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি’ বয়ান সৃষ্টি করা মানুষগুলো কেন ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’ নিয়ে নীরব?