ট্রাফিক পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে মোটরসাইকেলে আগুন – বর্ণমালা টেলিভিশন

ট্রাফিক পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে মোটরসাইকেলে আগুন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ জুলাই, ২০২৫ | ১০:০২ 165 ভিউ
বরগুনায় ট্রাফিক পুলিশ ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছেন। পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে পুলিশ সুপারের নিকট ক্ষমা চাইলে, তাকে ক্ষমা করে তার নিজ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। রোববার দুপুরে বরগুনা পৌরশহরের জিরো পয়েন্ট এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে। মোটরসাইকেলের চালকের নাম নজরুল ইসলাম। তিনি বরগুনা পৌরশহরের উকিলপট্টির বাসিন্দা। জানা যায়, নজরুল ইসলাম মোটরসাইকেল ভাড়ায় চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। রোববার মোটরসাইকেল বরগুনা নিয়ে জিরো পয়েন্ট থেকে পুলিশ বক্সের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। বক্সের সামনে ডিউটিতে থাকা ট্রাফিক সার্জন শাহাবুদ্দিন তাকে থামিয়ে গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চান। এ সময় গাড়ির কাগজ তার সঙ্গে নেই ও তার স্ত্রী ডেঙ্গু আক্রান্ত বলে জানান নজরুল ইসলাম। বাসা কাছাকাছি হওয়ায় গাড়ির কাগজপত্র বাসা থেকে নিয়ে দেখালেও নজরুলের সঙ্গে হেলমেট না থাকার অপরাধে ট্রাফিক সার্জন একটি মামলা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে নজরুল ইসলাম নিজের গাড়ির তেল ছেড়ে দিয়ে রাস্তার উপর আগুন জ্বালিয়ে দেন নজরুল। পরে উপস্থিত লোকজন পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও আসে। এ ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ মোটরসাইকেলটি বরগুনা থানায় নিয়ে যায়। নজরুল ইসলামকে কিছুক্ষণ পুলিশ বক্সে আটক রাখার পরে পুলিশ সুপারের কাছে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত সার্জেন্ট শাহাবুদ্দিন বলেন, আমি মাছ বাজারের সামনে দায়িত্বে ছিলাম। তখন হেলমেট ছাড়া চালককে যেতে দেখে মোটরসাইকেল থামাই। ওই চালক নজরুল ইসলামের কাছে গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি কাগজ আনতে সুযোগ চান। পরে তার নাম-ঠিকানা রেখে কাগজ আনার সুযোগ দেওয়া হয়। কাগজপত্র নিয়ে এলে তাকে কাগজের কোনো মামলা দেওয়া হয়নি। হেলমেটের জন্য তাকে মামলা দেওয়া হয়। এতে নজরুল ইসলাম রাগে ও ক্ষোভে তিনি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এ খবর শুনে তার স্ত্রী ও ছেলে চলে আসেন। নজরুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত। জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের কাছে যাচ্ছিলাম। আমি ট্রাফিক পুলিশকে আমার সমস্যার কথা বলেছি। গাড়ির কাগজ বাসায় আছে। আমার কথা না শুনে আমার বিরুদ্ধে হেলমেট না থাকায় তিন হাজার টাকার একটি মামলা দিয়েছেন। আমি টাকার অভাবে স্ত্রীর চিকিৎসা করাতে পারি না। তার উপর তিন হাজার টাকার মামলা। এই কষ্টে মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছি। আমার ভুল হয়েছে। এ বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, তার স্ত্রী অসুস্থ এবং তিনি একজন রেন্ট-এ-কার চালক। তাছাড়া নিজের কর্মের জন্য অনুতপ্ত। তাই আমরা তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো আইনগত প্রক্রিয়ায় যাইনি। তিনি আমার বরাবর ভুল স্বীকার করে আবেদন করেছেন। মুচলেকা নিয়ে তাকে তার ওয়ার্ডের কমিশনারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া তার মোটরসাইকেলের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন