৫৪ বছর ধরে রশি টেনে ডিঙি নৌকায় নদী পারাপার – বর্ণমালা টেলিভিশন

নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ জুলাই, ২০২৫
১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
138 ভিউ

৫৪ বছর ধরে রশি টেনে ডিঙি নৌকায় নদী পারাপার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জুলাই, ২০২৫ | ১০:৫৯ 138 ভিউ
স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৪ বছর অতিবাহিত হলেও বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার হলিদাবগায় বাঙালি নদীর ওপর সেতু নির্মাণ হয়নি। ফলে রশি টেনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডিঙি নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে ৩ লক্ষাধিক মানুষকে। সরকার আসে, সরকার যায়। তাদের নেতাকর্মী ও এমপিরা প্রতিশ্রুতিও দেন, কিন্তু তা আর বাস্তবায়ন হয় না। এভাবেই চলছে ৫৪ বছর ধরে। সোনাতলা উপজেলা থেকে প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার দক্ষিণে জোড়গাছা ইউনিয়নের ভেলুরপাড়া চারমাথা মোড় থেকে মাত্র এক কিলোমিটার আগে বাঙালি নদী অবস্থিত। ওই নদীর দুপাশের প্রায় ৩ লাখ মানুষকে স্বাধীনতার পর থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডিঙি নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে। ওই খেয়াঘাটে স্বাধীনতা পরবর্তী বিভিন্ন সময় ডিঙি নৌকাযোগে পারাপার হতে গিয়ে নারী-শিশুসহ প্রায় এক ডজন মানুষকে প্রাণ হারাতে হয়েছে। কৃষক তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে প্রায় ১৪-১৫ কিলোমিটার ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন হাটে-বাজারে নিয়ে যান। স্থানীয়রা জানান, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় স্থানীয় সরকারি দলের নেতাকর্মীরা হলিদাবগা খেয়াঘাটে ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় যাওয়ার পর কেউ কথা রাখেনি। খেয়াঘাটে সেতু নির্মাণ করা হলে কৃষক তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য খুব সহজেই বাজারজাত করতে পারবে। স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা অল্প সময়ের মধ্যে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে পারবে। শ্রমজীবী মানুষেরা কম সময়ে ও অল্প খরচে তাদের নির্ধারিত কর্মস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। এক কথায়, ওই এলাকাসহ আশপাশের এলাকার লোকজনের দীর্ঘদিনের নদী পারাপারের কষ্ট লাঘব হবে। হলিদাবগা গ্রামের আখিউল ইসলাম বিপু, নুরুজ্জামান বাদল, গোলাম মোস্তফা মুকুলসহ অনেকে বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের বাঙালি নদী পারাপারের দুর্ভোগের কথা কেউ মনে রাখেনি। ভোট এলেই হলিদাবগা বাঙালি নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি মেলে। ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর আর কোনো জনপ্রতিনিধি ব্রিজ নির্মাণের কথা মনে রাখেনি। এ বিষয়ে সোনাতলা উপজেলা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, ওই খেয়াঘাটে সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী একটি প্রস্তাবনা দিয়েছেন। সেতু নির্মাণ হলে নদীর দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়া-পাওয়ার অবসান ঘটবে। এলাকাটি একটি বাণিজ্যিক এলাকায় পরিণত হবে। যাতায়াতের ক্ষেত্রে নবদিগন্তের সূচনা হবে। এ বিষয়ে চেষ্টা চালানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পাকিস্তানে আফগানিস্তানের পাল্টা বিমান হামলা, সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ বরগুনায় ১৯ দিনে ২২ মরদেহ উদ্ধার তীব্র সমালোচনার মুখে ‘কাকতালীয়ভাবে’ পরিবর্তিত ইউনিয়নের নাম পুনর্বহালের নির্দেশনা পাঁচতারকা বারে মদ্যপান শেষে এনসিপির পদপ্রত্যাশী নারী নেত্রীকে কেন্দ্রীয় নেতার যৌন হয়রানি ৫ বছর আগেই ‘জাস্টিস ফর হাদি’ গ্রুপ: হাদি কিলিং মিশিন কি পুরনো ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’? যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা? আবারও বদলে গেল পুলিশের পোশাক অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ নগরবাসী: আওয়ামী লীগের মিছিল ক্রমশ দীর্ঘতর: বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক পুলিশ, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ ইউনিয়নের পর এবার স্কুলও! নাম পরিবর্তন কাণ্ডে মীর শাহে আলমকে ঘিরে নতুন বিতর্ক সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা বেড়েছে ৪১ শতাংশ: পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ, বেড়েছে অর্থপাচার দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সুখবর পেল ব্রাজিল ঐতিহাসিক চুক্তিতে ইরানের বিজয় চাইনিজ স্ক্যামারদের কাছে তরুণদের ডলারে বিক্রি ইরান থেকে তেল কেনার উদ্যোগ ক্রিপ্টোতে প্রতিদিন পাচার কয়েকশ কোটি টাকা পাকিস্তানের চা, আতিথেয়তা ও বিয়ের ঐতিহ্যের প্রেমে মার্কিন কূটনীতিক এক আপেল, দুই রঙ! নিউজিল্যান্ডে বিরল আপেল দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি সবার সামনে সামান্থাকে ‘লাভ ইউ’ বলতে নারাজ রাজ, কিন্তু কেন? ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়া খুবি অধ্যাপকের কুশপুত্তলিকা দাহ, জুতা নিক্ষেপ