হামাসের ৯৫ ভাগ নেতাই নিহত – বর্ণমালা টেলিভিশন

হামাসের ৯৫ ভাগ নেতাই নিহত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ জুলাই, ২০২৫ | ৮:৫৭ 192 ভিউ
দিন দিন ভয়াবহ হয়ে উঠছে গাজার পরিস্থিতি। উপত্যকাটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসেরই এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা। বিবিসিকে বলেছেন, গাজার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন তারা। পুরো অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে গ্যাং ও নতুন সশস্ত্র গোত্রভিত্তিক গোষ্ঠীর আধিপত্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, ‘আমাদের নেতৃত্বের ৯৫ শতাংশ নেতা নিহত হয়েছেন। সক্রিয় নেতারা কেউ বেঁচে নেই।’ এছাড়া পুরো অঞ্চলজুড়ে গ্যাং ও সশস্ত্র গোত্রভিত্তিক গোষ্ঠীর আধিপত্য ছড়িয়ে পড়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরাইলের টানা বিমান হামলায় হামাসের রাজনৈতিক, সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো প্রায় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। নিরাপত্তা কাঠামো বলতে কিছুই আর নেই। তিনি জানিয়েছেন, হামাসের সবচেয়ে শক্তিশালী নিরাপত্তা ভবন ‘আনসার কমপ্লেক্স’, যেখান থেকে তারা গোটা গাজা শাসন করত সেটিও লুট হয়ে গেছে। অফিসের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, এমনকি খাট-গদিও লুট করেছে। উপত্যকাজুড়ে বিশৃঙ্খলার মধ্যেই গাজায় ছয়টি নতুন সশস্ত্রগোষ্ঠী গড়ে উঠেছে। দক্ষিণ গাজায় এদের প্রভাব বাড়ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এসব গোষ্ঠীর একটির নেতৃত্বে আছেন ইয়াসির আবু শাবাব। যিনি এখন হামাসের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এদিকে গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী। রোববারের হামলায় আরও অন্তত ৮২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গাজা শহরেই নিহত হয়েছেন ৩৯ জন। এর একদিন আগে শনিবার গাজাজুড়ে ৭৮ জনের প্রাণহানি হয়েছিল। গাজায় অব্যাহতভাবে চলা হামলায় পুরো উপত্যকা মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে আরও আগেই। সেখানে এখন খাদ্য সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। পুরো উপত্যকায় নেমে আসছে মানবিক বিপর্যয়। এর মধ্যে ত্রাণকেন্দ্রগুলোতে খাবার নিতে গিয়ে ইসরাইলি হামলার মুখে পড়ছেন সেখানকার বাসিন্দারা। সোমবার খাবার আনতে গিয়ে নতুন করে ২৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আলজাজিরা। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় ইসলাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫৭ হাজার ৫২৩ জন নিহত ও এক লাখ ৩৬ হাজার ৬১৭ জন আহত হয়েছেন।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন