স্থানীয় সরকার নির্বাচনও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে চায় জামায়াত – বর্ণমালা টেলিভিশন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে চায় জামায়াত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জুন, ২০২৫ | ৮:১৪ 114 ভিউ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে চায় জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (১৮ জুন) ঐকমত্য কমিশনের সাথে বৈঠক শেষে দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন মেম্বার পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার ইলেক্টরাল বডি তৈরি হবে। তাদের ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে বলে কমিশন প্রস্তাব করেছে। অতীতে দেখেছি যেই সরকারের অধীনে স্থানীয় নির্বাচন হয় তারাই সেই নির্বাচনে জয়ী হয়। এমনটা হলে ৭০ হাজার ইলেক্টরাল কোনও কাজে দেবে না। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে স্থানীয় নির্বাচন হতে হবে। এতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে মেম্বার নির্বাচিত হবে। এ সময় জুলাই চার্টার্ডে সবাই সাক্ষর করবে এবং যারা সরকার গঠন করবে তারা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বৈঠকের শুরুতে নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে গতকালের বৈঠকে আমরা আসিনি। পরে প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমীরের সাথে যোগাযোগ করে নিরপেক্ষতার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি আরও বলেন, লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াত। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা নিয়েও আপত্তি ছিল না। আলোচনার মাধ্যমে তা পরিবর্তন হতে পারতো। কিন্তু উনি (প্রধান উপদেষ্টা) একটি দলের সাথে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন, যা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। এতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলও বিব্রত হয়েছে। বিএনপিকে নিয়ে নয়, যৌথ বিবৃতি ও বিফ্রিং নিয়েই জামায়াতের আপত্তি। এছাড়া, দুই-একটি দল ছাড়া প্রায় সকল রাজনৈতিক দলই জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠনে পক্ষে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রসঙ্গত গতকাল মঙ্গলবার জামায়াত ইসলামীর প্রতিনিধির জন্য আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকটি শুরু হয়। পরে দলটিকে ছাড়াই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন