রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় মাদারগঞ্জের ২ যুবক নিহত – বর্ণমালা টেলিভিশন

রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় মাদারগঞ্জের ২ যুবক নিহত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ জুন, ২০২৬ | ৪:৫৪ 23 ভিউ
জীবিকার তাগিদে রাশিয়ায় গিয়ে গিয়ে ড্রোন হামলায় জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার দুজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) সকালে দুজনের পরিবার মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। নিহতরা হলেন, মাদারগঞ্জ উপজেলার রায়েরছড়া গ্রামের মো. আরিফ মিয়া (৩০) ও চরগুজামানিকা গ্রামের বানু মিয়ার ছেলে মাফুল (২৫)। জানা গেছে, গত ৭ মে মাফুল এক দালালের মাধ্যমে এবং আরিফ তার চাচাতো ভাই আমিনুরের মাধ্যমে রাশিয়ায় যান। মাফুলকে রাজমিস্ত্রীর কাজ এবং আরিফকে ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তারা পরিবারকে জানান, প্রতারণার মাধ্যমে তাদেরকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, অর্থের বিনিময়ে দালালরা রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে তাদের সন্তানদের হস্তান্তর করে। স্বজনরা জানান, গত ২৯ মে মাফুল ও আরিফের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছিল। এরপর থেকে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও বার্তার মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, ড্রোন হামলায় ওই দুই যুবক নিহত হয়েছেন। মাফুলের মা মাহফুজা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে কাজের জন্য বিদেশে গিয়েছিল। এখন শুনছি আমার ছেলে আর বেঁচে নেই। আমি আমার ছেলের লাশ দেশে ফেরত চাই। যারা তাকে বিদেশে নিয়ে গেছে, তাদের বিচার চাই। আরিফের বোন কনিকা বলেন, রাজমিস্ত্রির কাজের কথা বলে আমার ভাইকে রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। পরে জানতে পারি, তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফোনে কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেছিল, ‘আমাদের বাঁচাও।’ এখন শুনছি, তিনি মারা গেছে। আমরা তার লাশ দেশে ফেরত চাই। আরিফের বাবা তারা মিয়া বলেন, ঋণ করে ১৬ লাখ টাকা খরচ করে আমিনুরের মাধ্যমে আমার ছেলেকে রাশিয়ায় পাঠিয়েছিলাম। তিনি কাজের জন্য বিদেশে গিয়েছিল। এখন শুনছি, আমার ছেলে আর বেঁচে নেই। আমার ছেলের লাশ দেশে ফেরত চাই এবং দোষীদের বিচার চাই। অভিযোগের বিষয়ে দালাল আমিনুর রহমান জানান, তিনি তাদেরকে নিয়ে যাননি। আরএস ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সির মাধ্যমে তাদেরকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছে। তিনি শুধু সহযোগিতা করেছেন। মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, দূতাবাসের মাধ্যমে না গিয়ে স্থানীয় দালাল চক্রের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়া মোটেও ঠিক হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হচ্ছে। তবে ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত আবেদন করলে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মেট্রো স্টেশন থেকে উদ্ধার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পাইপবোমার ছাতা খুললেই ঘটাত বিস্ফোরণ হিন্দু সেজে মন্দিরে ঢুকে চুরি, দুই মুসলিম নারীকে হাতেনাতে আটক করে উত্তম-মধ্যম ‘পুর্ব শত্রুতার জেরে’ পুলিশের এসবি কর্মকর্তার ওপর হামলা, পিঠে ৪৩টি সেলাই ইমামকে সরিয়ে রাজাকার নিজামির পুত্রের জুমা পড়ানো নিয়ে মসজিদে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাস, মুসল্লিরা আহত জামায়াত এমপির পর এবার বিএনপি নেতারও ‘বিশেষ ভিডিও’ ভাইরাল রশিতে বেঁধে প্রতিবেশীর দুটি পোষা কুকুরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা, বিচার দাবি স্থানীয়দের শিক্ষামন্ত্রীর ভাবমূর্তি রক্ষায় ‘বলির পাঁঠা’ ৭ শিক্ষক? কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে নজিরবিহীন বদলি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সংযোগ সড়ক ধসে পড়ল মাত্র ৩ মাসেই যশোরে নিখোঁজের দুই দিন পরে ভ্যানচালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার: বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ আমাদের কাফেলা মদিনা থেকে ঘুরে আমেরিকার দিকে চলে গেছে: ইআবা নেতা ফয়জুল করিম বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি সরকার: ভারতের পদাঙ্ক অনুসরণে উত্তরণের চিন্তা সিরাজগঞ্জে কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু, পরিবারের দাবি সুপরিকল্পিত হত্যা গোপালগঞ্জে ভারী পেপার ওয়েট ছুড়ে নারী আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক! অপহরণ-হত্যাচেষ্টা, ফটিকছড়ি জামায়াত আমির-সেক্রেটারিসহ ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন: সফর সংক্ষিপ্ত করে তড়িঘড়ি দেশে ফিরছেন স্পিকার প্রোফাইল লাল করা নিয়ে জুলাই-আগস্টের রাজনীতি এবং বর্তমান বাস্তবতা আওয়ামী লীগের ‘১.৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি’র লক্ষ্যমাত্রা বিএনপি আমলে নামল ১ ট্রিলিয়নে, সময়ও বাড়ল ১০ বছর ছাত্রী হলের ওয়াশরুমের গোপন ভিডিও করা ক্যান্টিনকর্মী আটক, বিক্ষোভে উত্তাল খুবি তরুণদের মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে টানতে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক! জামায়াতের সদস্যদের লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষকতার নির্দেশ: মহিলা মাদ্রাসায় ধর্ষণ ঠেকানোই কি উদ্দেশ্য, নাকি নতুন কোনো কূটকৌশল?