মাদকাসক্ত যুবককে পিটিয়ে হত্যা করল মা ও ভাই – বর্ণমালা টেলিভিশন

মাদকাসক্ত যুবককে পিটিয়ে হত্যা করল মা ও ভাই

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জুলাই, ২০২৫ | ১১:০২ 206 ভিউ
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সেলদিয়া গ্রামে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। মাদকাসক্ত ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শেষমেশ তাকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের বড় ভাই ও মায়ের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণের নাম মো. নূরুল আমীন (১৯)। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বিকেলে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বাবুল হোসেন জানান, নিহত নূরুল আমীনের পরিবার অত্যন্ত গরিব। তার বাবা শাহজাহান (৬০) ও মা কয়েক গ্রামের লোকজনের মাটি কেটে সংসার চালান। জমিজমা বলতে শুধু একখণ্ড ভিটেমাটি। অনেক কষ্ট করে বড় ছেলে বনি আমীনকে কয়েক বছর আগে সৌদি আরবে পাঠান শ্রমিক ভিসায়। দুই মাস আগে তিনি ছুটিতে দেশে ফেরেন। ছোট ছেলে নূরুল আমীন কয়েক বছর ধরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। নেশার টাকার জন্য বাড়ির আসবাব, কাপড় এমনকি রান্নার হাঁড়িপাতিলও বিক্রি করে দিতেন। লোকজনের সঙ্গে মারমুখী আচরণ ছিল নিত্যদিনের ব্যাপার। নেশার ঘোরে পিতা-মাতার সঙ্গেও মারধরে জড়াতেন। চেষ্টা করেও সন্তানকে বাঁচাতে পারেননি বাবা। নিহতের বাবা মো. শাহজাহান জানান, ছেলেকে মাদকমুক্ত করতে তিনি দুবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করান। তিন মাস ধরে চিকিৎসায় ব্যয় হয় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই টাকা দেন বড় ছেলে বনি আমীন, প্রবাসী উপার্জন থেকেই। কিন্তু নিরাময় কেন্দ্র থেকে ফিরে এসে নূরুল ফের মাদক সেবন শুরু করে। শুক্রবার সকালে নূরুল বাবার কাছে মাদকের জন্য দুই হাজার টাকা দাবি করেন। বাবা টাকা দিতে অপারগতা জানালে সে রাগে ভাঙচুর শুরু করে। ভয়ে শাহজাহান বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। এরপর নূরুল তার মায়ের কাছে টাকার জন্য গালাগাল শুরু করেন। এ সময় দেশে থাকা বড় ভাই বনি আমীন রেগে যান। তিনি নূরুলকে বেধড়ক মারধর করেন। এরপর মা ও ছেলে মিলে নূরুলকে ঘরের ভেতর আটকে রাখেন। দুপুরের দিকে ঘরে গিয়ে তারা দেখেন, নূরুলের নিথর দেহ পড়ে আছে। খবর পেয়ে কাপাসিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। থানার ওসি জয়নাল আবেদীন মণ্ডল জানান, ‘পরিবারিক কলহ থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। নিহত যুবক মাদকাসক্ত ছিল, এটা সত্য।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন