ফিট থাকতে ঘুম থেকে ওঠার পর যেসব কাজ জরুরি – বর্ণমালা টেলিভিশন

ফিট থাকতে ঘুম থেকে ওঠার পর যেসব কাজ জরুরি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ August, ২০২৫ | ৭:২৩ 205 ভিউ
ফিট থাকতে জীবনযাপন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা খুবই জরুরি। অনেকের ধারনা, শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে কিংবা শরীরচর্চা করে ওজন কমে। কিন্তু ফিট থাকতে সময় মতো সঠিক খাবার খাওয়া, সঠিক শরীরচর্চা করা, রাতে ৭-৮ ঘণ্টার ঘুম সবই জরুরি। এ কারণে ফিটনেসের রুটিন ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত। অনেকেই রাত জাগেন, দেরীতে ঘুম থেকে উঠেন। কিন্তু ফিট থাকতে হলে প্রতিদিন নিয়ম করে রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়া ও খুব সকালে ঘুম থেকে উঠা জরুরি । এতে শরীরের জৈবিক ঘড়ি একদম সঠিক ছন্দে চলবে। এছাড়াও ফিট থাকতে আরও যা যা করা দরকার- ডিটক্স ওয়াটার খান ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে দুই গ্লাস পানি পান করুন। এতে পেট পরিষ্কার হবে, শরীরও হাইড্রেটেড থাকবে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি হালকা গরম পানিতে দারুচিনির গুঁড়ো কিংবা লেবুর রস মিশিয়ে খান। এতে ইনসুলিন সেনসিভিটি উন্নত হয় এবং ইমিউনিটি বাড়ে। সকালের নাশতায় সঠিক খাবার রাখুন সকালের নাশতা কোনোভাবেই এড়ানো ঠিক নয়। সকালের নাশতায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখবেন। সাথে ফাইবার রাখাটাও জরুরি। সকালের নাশতায় টকদই, চিয়া সিডস, আটার রুটি, ডিম সিদ্ধ, ওটস ইত্যাদি রাখতে পারেন। চিনি ও ময়দা থেকে দূরে থাকুন চিনি ও রিফাইন্ড কার্বস থেকে দূরে থাকুন। চিনি ও ময়দার তৈরি খাবার সকালের নাশতায় রাখবেন না। এতে সুগার লেভেল বাড়তে পারে। এই দুই খাবার খাদ্যতালিকা থেকে পুরোপুরি বাদ দিন। কফি খান অনেকেই দিন শুরু করে চা-কফি দিয়ে। কিন্তু খালি পেটে চা-কফি খাওয়া ঠিক নয়। এতে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়ে। তাই চা-কফি সব সময় ভারী নাশতা খাওয়ার পরই খাবেন। রোদে হাঁটুন গায়ে রোদ লাগানোও জরুরি। সানস্ক্রিন মেখে হলেও রোদে ১০ মিনিট হাঁটুন। সকালবেলায় যখন রোদের তেজ কম থাকে, তখন রোদে হাঁটতে পারেন। এতে দেহে ভিটামিন ডি তৈরি হবে। পাশাপাশি দেহের জৈবিক ঘড়িও সঠিক ছন্দে চলবে।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

[TheChamp-FB-Comments]
ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে হামলা, জরুরি সতর্কতা জারি সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ নথিতে যা আছে ফ্রান্সের পথ ধরে এবার বড় ধরনের শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র, নেপথ্যে দুই কারণ জঙ্গিবাদের পুনরুত্থান: আঞ্চলিক উগ্রবাদের নতুন কেন্দ্র বাংলাদেশ রংপুরের কাউনিয়ায় দিনদুপরে বাড়ির সামনেই আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা ফেনীতে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইউক্রেনের সঙ্গে মেক্সিকান ড্রাগ কার্টেলের যোগসাজশ তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি রুশ গোয়েন্দা সংস্থার ‘এক দুর্গার সামনে আরেক দুর্গা’, পূজা চেরীর ছবি ঘিরে মুগ্ধতা ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৩৬৬ হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতায় তেহরানে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির ভিয়েতনামের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন রাহুল গান্ধী, দাবি বিজেপির যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল কি ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে? যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইউরোপও ভুল সিদ্ধান্তের ফল ভুগছে: আরাগচি দেশে চাষ হচ্ছে ব্ল্যাক রাইস, দাম কত, গুণাগুণ কী? স্বর্ণের দাম কমল ব্যবসার আয় বছরের মাঝে বাড়লে যাকাত দেবেন যেভাবে ট্রাম্প: রাশিয়াকে আলোচনার টেবিল থেকে সরাতে চাই না, শান্তি আলোচনায় “দারুণ অগ্রগতি” ‘রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি নিরাপত্তার পথে ঐতিহাসিক মাইলফলক’ স্বীকার করলেন আমলারাই জুলাই চেতনায় তৈরি নতুন নোটের সুযোগে বাড়ছে জাল টাকার কারবার, ঝুঁকিতে ব্যবসায়ী-সাধারণ মানুষ