নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চট্টগ্রামে নালা থেকে উদ্ধার ১৪শ গুলির বড় অংশই একে-৪৭ ও মেশিনগানের
বালু ব্যবসার দ্বন্দ্বে দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাচেষ্টা বিএনপির অপর গ্রুপের
‘ডিসেম্বরের মধ্যেই নেত্রীকে ফেরাবো’: কক্সবাজারে প্রকাশ্য সভায় ছাত্রলীগের দৃঢ় শপথ
‘নর্দমায় মিলল একে-৪৭-এর বুলেটের স্তূপ! চট্টগ্রামে জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আস্তানার গন্ধ
হিন্দু সেজে মন্দিরে ঢুকে চুরি, দুই মুসলিম নারীকে হাতেনাতে আটক করে উত্তম-মধ্যম
ইমামকে সরিয়ে রাজাকার নিজামির পুত্রের জুমা পড়ানো নিয়ে মসজিদে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাস, মুসল্লিরা আহত
রশিতে বেঁধে প্রতিবেশীর দুটি পোষা কুকুরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা, বিচার দাবি স্থানীয়দের
গাজীপুরে পালিত হলো দেশের প্রথম ‘বিশ্ব স্কিন হেলথ ডে’ উদ্যাপন
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে পালিত হলো ‘বিশ্ব স্কিন হেলথ ডে’ ২০২৫। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) গাজীপুরের ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কলেজ ভবনের অডিটোরিয়ামে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিশেষ দিনটি উদ্যাপিত হয়।
অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেন সহযোগী অধ্যাপক ও চর্ম ও যৌন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. সৈয়দা ফাতেহা নূর। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের চর্ম স্বাস্থ্য নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, সেটি বাংলাদেশের সাধারণ চিকিৎসক সমাজের কাছে বাস্তব প্রেক্ষাপট তুলে ধরা এবং তাদের অনুপ্রাণিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য’।
অনুষ্ঠানে স্কিন বিশেষজ্ঞ ডা. ফাতেহা নূর জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি তিন জনের একজন কোনো না কোনো চর্মরোগে আক্রান্ত, যা নিঃসন্দেহে এক ভয়াবহ মহামারির চিত্র। বিশেষত ‘স্ক্যাবিস’ এখন বিশ্বের বেশ কিছু উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশেও মহামারি আকার ধারণ করছে। এটি আগামী প্রজন্মের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির পাশাপাশি মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও শারীরিক বিকলাঙ্গতার কারণও হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ‘ম্যালাজমা আর কেবল ত্বকের রোগ নয়। এটি এখন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে বিষাদ ছড়িয়ে দিচ্ছে। অনেক মায়েরা সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে ম্যালাজমায় আক্রান্ত হয়ে পরবর্তীতে পারিবারিক টানাপোড়েনে বিচ্ছেদের শিকার হচ্ছেন। যদিও এই সমস্যা এখনও অনেকের চোখে ধরা পড়ে না, তবে এর ব্যাপকতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা কেবল একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞই গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারেন’।
ডা. সৈয়দা ফাতেহা নূর বলেন, ‘আজকের এই আয়োজনের উদ্দেশ্যই ছিল চর্মরোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে আমাদের সকলের মধ্যে সেই উপলব্ধি তৈরি করা’।
