নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সিরিয়ায় ইসরায়েল-তুরস্ক উত্তেজনা: পশ্চিম এশিয়ায় কি নতুন এক ফ্রন্ট খুলছে?
রবার্তো কার্লোসের ইসলাম গ্রহণের গুজব: আসল সত্য কী?
গাজায় যুদ্ধবিরতি: হামাসের সঙ্গে ট্রাম্পের জামাতার বৈঠক
জিম্বাবুয়েতে নৌকাডুবি: নিহত বেড়ে ৬৮
মার্কিন পদক্ষেপে ইরানে সরকারের পাশে থাকবে বিরোধীরাও
জার্মানিতে নিয়ন্ত্রণে দাবানল, ইউরোপের যেসব দেশে এখনো জ্বলছে আগুন
৩ মিনিটে ৯০০ কর্মী ছাঁটাইকারী সেই সিইও নিজেই এবার চাকরিচ্যুত
কারাবন্দি সাবেক পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে
সাবেক পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে তার স্বাস্থ্য নিয়ে অভিযোগের পর রাজধানী ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাকে আদিয়ালা কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারকের একটি বেঞ্চের রায় মেনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, সাবেক ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া ইমরান খানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসকদের দিয়ে পরীক্ষা করাতে হবে।
দুর্নীতির অভিযোগে ২০২৩ সাল থেকে কারাবন্দি রয়েছেন ইমরান খান, যদিও তিনি দাবি করেন এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ৭৩ বছর বয়সী এই নেতার আইনজীবীরা বলেছেন, তিনি দৃষ্টিশক্তির সমস্যাসহ নানা স্বাস্থ্য জটিলতায় ভুগছেন এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পাচ্ছেন না।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইমরান খানের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, কারা কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা না নেওয়ায় তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তির মাত্র ১৫ শতাংশ অবশিষ্ট আছে—যদিও সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মঙ্গলবারের আদালতের আদেশে বিচারকরা লেখেন, বন্দির জীবন, স্বাস্থ্য, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষার সাংবিধানিক ও আইনি দায়বদ্ধতার বিষয়ে তারা সচেতন। বিচারকরা জানান, খানের হাসপাতালে চিকিৎসায় একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞও যুক্ত থাকবেন।
বিচারক ও ইমরান খানের রাজনৈতিক দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সদস্যরা সমর্থকদের হাসপাতালের বাইরে জড়ো না হতে সতর্ক করে দিয়েছেন, কারণ তা আদালতের আদেশ লঙ্ঘনের শামিল হবে।
পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ইমরান খান ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০২৩ সালের আগস্টে কারাবন্দি হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা ফাঁস থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রি পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি মামলায় অভিযুক্ত হন তিনি—যার সবগুলোকেই তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন।
গত বছরের শেষদিকে ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তার কারাবন্দি হওয়ার ঘটনা সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক বিক্ষোভের জন্ম দেয়, যা কর্তৃপক্ষের কঠোর দমননীতির মুখোমুখি হয়। কারাবন্দি থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানের রাজনীতিতে বিপুলসংখ্যক সমর্থকসহ এখনও গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি বজায় রেখেছেন ইমরান খান।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।