একযোগে গাজার বিভিন্ন এলাকায় হামলা, নিহত ৬১ – বর্ণমালা টেলিভিশন

একযোগে গাজার বিভিন্ন এলাকায় হামলা, নিহত ৬১

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ জুলাই, ২০২৫ | ১০:৪২ 105 ভিউ
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে আরও ৬১ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কমপক্ষে দুজন ত্রাণপ্রার্থী রয়েছেন। পৃথক একাধিক ইসরায়েলি হামলায় এসব প্রাণহানি ঘটে। এদিকে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ সতর্ক করে বলেছে, অবরুদ্ধ উপত্যকায় শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত সেখানে ত্রাণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ সম্ভব না হলে আগামী প্রজন্ম ভয়াবহ বিপদে পড়বে। আলজাজিরা জানায়, মঙ্গলবার উত্তর গাজার শাতি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৩ জন নিহত এবং আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন। চিকিৎসা সূত্র আলজাজিরাকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া দক্ষিণ গাজায় বিতর্কিত ইসরায়েলি-যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন দ্বারা পরিচালিত রাফাহের উত্তরে একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে হামলা হয়। এতে কমপক্ষে দুই নারী নিহত এবং আরও ৩০ জন আহত হয়েছেন। জাতিসংঘ জানিয়েছে, মে মাসের শেষের দিকে ফাউন্ডেশনটি কাজ শুরু করার পর থেকে থেকে গাজায় ত্রাণ পেতে গিয়ে কমপক্ষে ৮৭৫ জন মারা গেছেন। এর আগে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স বলেছিল, তাদের উদ্ধারকারী দলগুলো মঙ্গলবার ভোরের পর থেকে কমপক্ষে ১৮ জন শহীদ এবং কয়েক ডজন আহতকে পরিবহন করেছে। যার বেশিরভাগই উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। সিভিল ডিফেন্স এজেন্সির তথ্যানুসারে, গাজা শহরের একটি তাঁবুতেও ইসরায়েলি হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া আরও হামলায় বিভিন্ন স্থানে নিহতের ঘটনা ঘটে। এদিকে নতুন করে বড় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। তারা উত্তর গাজার ১৬টি এলাকায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের জন্য জোরপূর্বক স্থানচ্যুতির আদেশ জারি করেছে। হুমকি পাওয়া এলাকাগুলোর মধ্যে জাবালিয়া অন্যতম। এটি বর্তমানে বিধ্বস্ত এক শহর। তবুও তাঁবুতে বাসিন্দারা বাস করছিলেন। নতুন আদেশ পাওয়ার পর বাস্তুচ্যুতরা ভয় ও আতঙ্কে অন্যত্র পালিয়ে যাচ্ছে। আলজাজিরার সংবাদদাতা মোয়াথ আল-কাহলৌত বলেন, মানুষ তাদের গাড়ি ও গাধা ব্যবহার করে এলাকাটি থেকে সরে যাচ্ছে। সবাই অজানার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা জানে না কোথায় যাবে। তিনি আরও বলেন, এখান থেকে এবং অন্যান্য এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য জ্বালানি না থাকায় তারা পরিবহনের ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়ছে। তাই পরিস্থিতি খুবই বিশৃঙ্খল। এখানে বসবাসকারী সবাই আতঙ্কিত।

বর্ণমালা টেলিভিশন এর সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট মুখে ঘা কেন হয় এআই মামলার ভুয়া মেসেজের প্রতারণা, ফাঁদ এড়াবেন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল রাজধানীতে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ৩০ বিদেশি আটক ওয়ান ব্যাংকে জব সার্কুলার, আবেদন শেষ ১৫ জুন